Thursday, 13 June 2019

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর পাঁচটি যুদ্ধ! যাতে নিহত হয়েছিল লক্ষ লক্ষ মানুষ।

যুদ্ধ মানেই হত্যাযজ্ঞ। পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকেই বিভিন্ন দেশ তার ক্ষমতা দেখানো /ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একজন আরেক জনের উপরে ঝাপিয়ে পড়েছে আর এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে নিরীহ মানুষ, মারা গেছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। আজকের বিষয় এই যুদ্ধ নিয়েই ।

চলুন তাহলে আজকে দেখে নেই এখন পযর্ন্ত সংঘটিত সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের প্রথম পাঁচটি সম্পর্কে। তবে আলোচনায় যাবার আগে আইনস্টাইন সাহেবের একটি কথা না বলতে খুবই ইচ্ছে করতেছে কথাটি হল
 "আমি জানিনা কোন অস্ত্র দ্বারা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হবে। তবে চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ হবে লাঠি আর পাথর দ্বারা।"

২য় বিশ্বযুদ্ধঃ
সভ্য সমাজের সবচেয়ে বড় আর ধ্বংসাত্নক যুদ্ধ বলতে ২য় বিশ্বযুদ্ধকে সরাসরি বুঝানো হয় যা ১৯৩৯ সাল হতে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত চলে।এই ভয়াবহ যুদ্ধে আনুমানিক ৬ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ মারা যায় যার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ছিল রাশিয়ার নাগরিক। নিহতের এই বিশাল সংখ্যার মূল কারণ ছিল গণহত্যা আর অস্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারিগর বলতে হিটলারকে সরাসরি বুঝানো হয় ।নাৎসি বাহিনীর পোল্যান্ড আক্রমণএর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়
মিত্রপক্ষেছিল যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স পোল্যান্ড ,রাশিয়া আর গনচীন। জার্মানির সাথে ছিল ইতালি আর জাপান।এই্ যুদ্ধ প্রথমে রাশিয়া অংশগ্রহন না করলেও পরবর্তীতে জামার্নি রাশিয়াকে আক্রমন করে যুদ্ধের ময়দানে ডেকে আনে।
এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে মিত্রশক্তির বিজয় হয় । জাতিসংঘ সৃষ্টি হয় । বৃহৎ শক্তিহিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ করে আর রাশিয়া আমেরিকা স্নায়ু যুদ্ধের সূচনা হয়।এই যুদ্ধের মাধ্যমে সর্বপ্রথম পারমানবিক বোমার ব্যবহার হয় আর এর শিকার হয় জাপান। ১৯৪৫ সালে জার্মানি এবং জাপান উভয় দেশের নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়েই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।তবে ভয়াবহতার জন্য এই যুদ্ধ মানুষ আজীবন মনে রাখবে।


প্রথম বিশ্বযুদ্ধঃ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল সভ্য যুগের সর্বপ্রথম অসভ্য যুদ্ধ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল প্রায় চার বছর। ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সাল পর্যন্ত চলে এই যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধের কারনে প্রায় ৫০ মিলিয়ন লোক প্রত্যক্ষ / পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এর মাঝে ১ কোটি ৬০ লক্ষ লোক শুধু মারাই যায় আর বাকীরা আহত হয়।
তবে যুদ্ধ মুলত শুরু হয় অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় আর সার্ভেরিয়ার মাঝে পরে দুই দেশের পক্ষ হয়ে নানা দেশ তাদের মনের ঝাল মিটানোর জন্যই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯১৪ সালের ২৮শে জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকান্ডের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
এই যুদ্ধের কারন হিসেবে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয় সাম্রাজ্য বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করা এবং আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকান্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়।তবে কেন বিভিন্ন দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে তা বুঝতে হলে আপনাকে নিচের অংশটুকু পড়তেই হবে।
ফ্রান্সের ঐতিহাসিক শত্রুতার কারণে ব্রিটেন প্রথমদিকে জার্মানীর প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন ছিলো। কিন্ত জার্মানী ব্রিটেনের সাথে নৌ- প্রযুক্তিতে পাল্লা দিতে শুরু করায় সম্পর্কটি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠে। ফ্র্যাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধের পর থেকে জার্মান ও ফরাসীদের সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। ফরাসীরা তাই রাশিয়ার সাথে মৈত্রী করে। অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরী রাশিয়াকে হুমকি হিসেবে দেখতো, তাই তারা জার্মানীর সাথে মৈত্রী চুক্তি করে। সার্বিয়ার উত্থানের সাথে সাথে স্লাভ জাতীয়তাবাদ জোরদার হয়ে ওঠে।
সুযোগ পেয়ে এবার অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরী সার্বিয়াকে কোণঠাসা করে ফেলে। সার্বিয়ার মিত্র রাশিয়া, সে জোরে সার্বিয়া হুমকি অগ্রাহ্য করবার সাহস দেখায় ও সৈন্য সমাবেশ শুরু করে। বিভিন্ন মৈত্রী চুক্তি, দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিভিন্ন পর্যায়ে সত্যের বিভিন্ন বিকৃতি রাষ্ট্রনায়কদের যুদ্ধের সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দেয়। ২৮ জুলাই ১৯১৪ অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরী সার্বিয়ার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে। পরদিন রাশিয়া সৈন্য সমাবেশের মাধ্যমে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ফলে জার্মানীও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়। এদিকে সার্বিয়ার সমর্থনে ফ্রান্স সৈন্য সমাবেশ শুরু করে আর তারপরের ঘটনা বলার কোন দরকার মনে করিনা।

American Revolutionary War:
আমার ধারনা খুব কম সংখ্যক লোকই এই্ যুদ্ধটি সম্পর্কে জানেন। এই যুদ্ধটি চলে April 19, 1775 – September 3, 1783 যুদ্ধটি শুরু হয়েছিল গ্রেট ব্রিটেন আর নর্থ আমেরিকার মাঝে তবে পরর্ততিতে ফ্রান্স ,স্পেন আর জার্মান আমেরিকাকে সাপোর্ট দিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে তবে ফ্রান্স আমেরিকাকে প্রচুর পরিমান অস্ত্র সরবরাহ করে।সেই সময়ে আমেরিকা ছিল ব্রিটিশদের দখলে। মুলত ব্রিটিশ গর্ভমেন্ট কতৃর্ক কর বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে এই যুদ্ধের শুরু হয়। কর বৃদ্ধির ফলে তখন আমেরিকাতে প্রতিবাদের ঝড় উঠে আর এই ঝড়ের ফলেই পরবর্তীতে ব্রিটিশরা আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য হয়।এই যুদ্ধটিতে প্রচুর মানুষ মারা যায় ।

ভিয়েতনাম যুদ্ধঃ

ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা অনেকেই জানেন ।এটি হচ্ছে প্রথম যুদ্ধ যাতে আমেরিকা হেরে যায়।ভিয়েতনাম যুদ্ধ ১৯৫৯ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সংঘটিত সবচেয়ে দীর্ঘ সামরিক সংঘাত। সাম্যবাদী শাসন / কমিউনিস্ট শাসন সবদিকে যেন ছড়িয়ে না পড়তে পারে সে লক্ষেই আমেরিকা এই যুদ্ধে অংশগ্রহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যুদ্ধ মূলত শুরু হয় দক্ষিন আর উত্তর ভিয়েতনামের মাঝে।আর এতে আমেরিকা দক্ষিণ ভিয়েতনামের পক্ষে ১৯৬৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সৈন্য পাঠায়, কিন্তু এর ফলে যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের সূত্রপাত হয়, তাতে শেষ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হতে পারেনি।
১৯৭৫ সালে দুই ভিয়েতনাম একত্রিত হয়। ১৯৭৬ সালে এটি সরকারীভাবে ভিয়েতনাম সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র নাম ধারণ করে। এই যুদ্ধে প্রায় ৩২ লক্ষ ভিয়েতনামি মারা যান। এর সাথে আরও প্রায় ১০ থেকে ১৫ লক্ষ লাও ও ক্যাম্বোডীয় জাতির লোক মারা যান। মার্কিনীদের প্রায় ৫৮ হাজার সেনা নিহত হন।

Gulf war/ উপসাগরিয় যুদ্ধঃ
অনেকেই এই যুদ্ধের কথা জানেন ।তবে আরেকটা তথ্য দিলে মনে হয় অধিকাংশরাই বুঝতে পারবেন আমি কোন যুদ্ধের কথা বলছি ইরাক আর কুয়েতের মাঝে সংঘটিত যুদ্ধ/ উপসাগরিয় যুদ্ধ। 2 August 1990 – 28 February 1991 চলে এই যুদ্ধ ।তবে অফিসিয়ালি ৩০ শে নভেম্বর ১৯৯৫ সালকে বলা হয় অফিসিয়ালি গালফ ওয়ার সমাপ্তের দিন অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে সমধিক পরিচিত এই যুদ্ধের সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪ টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে । ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন এবং কুয়েতি ভূ-খন্ড দখলের প্রেক্ষিতে ইরাকী বাহিনীর হাত থেকে কুয়েতকে মুক্ত করাই ছিল এ যুদ্ধের উদ্দেশ্য । এই যুদ্ধে প্রায় দেড় লক্ষ লোক মারা যায় এবং ১ লাখের মত আহত হয়।এব্ং ইরাক ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হয়।
পোস্টটি ভাল লাগলে কমেন্ট ও শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

Friday, 7 June 2019

যেকোন কো‌ড ইডিট করুন আপনার হাতে থাকা এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে

যেকোনো কোড গুলো আপনি খুব সহজেই ইডিট করতে পারেন কুইক ইডিটর এ্যাপ দিয়ে।
বিশেষ করে যারা ওয়েবসাইটের টুকিটাকি কাজ করে থাকেন ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগার এবং স্ক্রিপ্ট তারা এই এ্যপটির সাহায্যে অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারবেন।

এই এ্যাপটি দিয়ে কোন কোড ইডিট করলে, সেখান থেকে এ্যাপ থেকে বের হয়ে যাবার পরে আবার প্রবেশ করে রিছেন্ট ফাইলে গেলে পূর্বের অবস্হানে পাওয়া যায়।
আবার ট্যাগ গুলো রঙের হয় তাই দ্রুত ট্যাগ গুলো চোখে পড়ে, এর ফলে বেশি খুজঁতে হয়না।
এ্যাপটির সাইজ মাত্র ৪.৫ মেগাবাইট।
স্ক্রিনশট গুলো দেখুন।




পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Monday, 27 May 2019

মঙ্গল গ্রহে যেতে চান? চাইলে আপনার নামটি পাঠিয়ে দিতে পারেন মঙ্গল গ্রহে!

মঙ্গল গ্রহে যেতে চান? ফেইক না, সত্যি ভাই..
হ্যা চাইলে আপনার নামটি পাঠিয়ে দিতে পারেন মঙ্গল গ্রহে!
মার্স ২০২০ রোভারে করে পাঠানো হবে রেজিষ্ট্রেশন করা ব্যক্তিদের নাম।
এর আগেও নাসা দুবার এধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলো, এর আগে মার্স ইনসাইট নামক নভোজানে করে প্রায় ২৪ লাখ ২৯ হাজার ৮০৭ জন পৃথিবীবাসীর নাম পাঠানো হয়েছিলো, এর মাঝে ১৫ জন বাংলাদেশীর নামও রয়েছে।
এতে আপনি আর্থিকভাবে লাভবান হবেন না, তবে ২২৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরের একটি গ্রহে আপনার নাম আছে এটা ভেবে একটু হলেও পুলকিত বোধ করবেন।
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া একদম সহজ।

"নাসার ওয়েবসাইট" এ গিয়ে আপনার নাম, দেশের নাম, ইমেইল এড্রেস, আর পোষ্টাল কোড দিয়ে Send My Name to Mars এ ক্লিক করলেই কাজ শেষ।


 মার্স ২০২০ রোভারের ভার্চুয়াল যাত্রী হিসেবে আপনাকে একটি ভার্চুয়াল টিকিট দেয়া হবে। আমার টিকেটটি ☆
নাসা সবসময় এমন সুযোগ দেয় না, সুযোগ থাকতে মঙ্গল গ্রহের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করুন, হয়ে যান মার্সিয়ান।
শুভকামনা রইল সবার প্রতি।


Thursday, 23 May 2019

পায়ের গোড়ালি ব্যথায় কী করবেন?

পায়ের গোড়ালি ব্যথা নানা কারণে হতে পারে। এর মধ্যে গোড়ালির হাড় বৃদ্ধি বা ক্যালকেনিয়াল স্পোর বা অস্টিওফাইটিক স্পোর অন্যতম। এতে গোড়ালির হাড়ে ক্যালসিয়াম জমে একটা তীক্ষ্ণ সূচালো স্পোর বা বাড়তি অংশ তৈরি হয়, যা আশপাশের পেশি, লিগামেন্ট ইত্যাদিতে চাপ দেয়। ফলে ব্যথা অনুভুত হয়।
কারা ঝুঁকিতে?
■ অ্যাথলেট, যারা দৌড়ান বা জগিং করেন
■ ওজনাধিক্য, স্থূল, কায়িক শ্রমহীন ব্যক্তি
■ ডায়াবেটিসের রোগী
■ ট্রাফিক পুলিশ, বিক্রয়কর্মী, যাঁরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করেন
■ জুতার মাপে সমস্যা থাকলে
■ যাদের পায়ের পাতা বেশি সমতল
কী করবেন?
আইসথেরাপি: পায়ের গোড়ালির নিচে কাপড় জড়ানো বরফ দিয়ে সেঁক দিন। বরফ সরাসরি দেওয়া ঠিক নয়। ডিপে রাখা পানির বোতল গোড়ালির নিচে গড়িয়ে নিতে পারেন। প্রতিবার বরফ সেঁক দেওয়ার মধ্যে অন্তত এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিরতি নিতে হবে।


স্ট্রেচিং:
১.
একটা টাওয়েল রোল করে পায়ের নিচ থেকে দুই হাতে ধরে পায়ের পাতা ওপর দিকে টানুন। ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। ১০ বার।
২.
একটা দেয়ালের পাশে দাঁড়িয়ে গোড়ালি উঁচু করে শুধু আঙুলগুলোর ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ান। পায়ের পেছনের মাংসপেশিতে টান লাগবে। প্রতিবার ৩০ সেকেন্ড ধরে রেখে মোট ১০ বার করুন।
৩.
চেয়ারে বসে এক পায়ের ওপর আরেক পা রাখুন। হাত দিয়ে পায়ের আঙুল ওপরের দিকে টেনে ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এবার অন্য পা দিয়ে করুন। মোট ১০ বার।
সঠিক মাপের জুতা ব্যবহার করুন। সোলের নিচে হিল কুশন ব্যবহার করা যায়। সাধারণত জুতার নিচে এক ইঞ্চিমতো উঁচু হলে গোড়ালি ব্যথা কমে যায়। ব্যথা অতিরিক্ত হলে ফিজিওথেরাপি নিন। সার্জারিও প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষজ্ঞের মতামত নিন।

যে বিড়াল ছিল মহাতারকা

লন্ডনের মাদাম তুসো জাদুঘরে নিজের মোমের মূর্তির (ডানে) পাশে গ্রাম্পি ক্যাট।

গ্রাম্পি ক্যাটের মৃত্যুসংবাদ জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে বিড়ালটির মালিকেরা লিখলেন, সাম ডেজ আর গ্রাম্পিয়ার দ্যান আদার্স...। কিছু কিছু দিন যে আলাদা, অন্যান্য দিনের চেয়ে বিষণ্ন, তা-ই বোঝাতে চেয়েছেন নিশ্চয়। মালিকদের সে সুরে সুর মিলিয়েছেন অসংখ্য ভক্ত, বিখ্যাত তারকা ব্যক্তিরাও আছেন।
মনে হতে পারে একটা বিড়াল নিয়ে এত আদিখ্যেতার কী আছে? বিড়ালটি সাত বছরের জীবনে যা করেছে, অনেক মানুষই তাদের দীর্ঘ জীবনে তা অর্জন করতে পারে না। সে একই সঙ্গে বইয়ের লেখক, চলচ্চিত্র তারকা, আবার ফ্যাশন আইকন। অসংখ্য মিম আর জিআইএফ ছবি আছে তাকে নিয়ে। মোটকথা, গ্রাম্পি ক্যাট ইন্টারনেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিড়াল।


গ্রাম্পি মানে খিটখিটে মেজাজের। গ্রাম্পি ক্যাট স্বভাবে কিন্তু মোটেও তা নয়। তবে দেখতে বদরাগী তো বটেই। মূল নাম টার্ডাস সস হলেও চেহারায় চিরস্থায়ী রাগ রাগ ভাব থাকায় গ্রাম্পি ক্যাট হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। দেখলে মনে হবে যেন কোনো কিছুতেই আগ্রহ নেই, কোনো কিছুতেই তার কিছু যায়-আসে না। হয়তো সে কারণেই তরুণেরা খারাপ দিন বোঝাতে গ্রাম্পি ক্যাটের ছবি পোস্ট করে অহরহ।
তারকাখ্যাতি
২০১২ সালের ৪ এপ্রিল গ্রাম্পি ক্যাটের জন্ম। পাঁচ মাস বয়সে মূল মালিক টাবাথা বুনদেসেনের ভাই প্রথম বিড়ালটির ছবি পোস্ট করে। সে ছবি ভাইরাল হতে সময় লাগেনি। এখন গ্রাম্পি ক্যাটের ফেসবুক পাতায় রয়েছে ৮৫ লাখ লাইক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রয়েছে যথাক্রমে ১৫ ও ২৭ লাখ অনুসারী।
তারকা বিড়ালটির একাধিক পরিচয় রয়েছে। তবে জনপ্রিয়তা আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে। টার্ডাসের মালিকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধীরে ধীরে ছবি পোস্ট করতে থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এর একটি বড় কারণ হলো, গ্রাম্পি ক্যাটের এই অভিব্যক্তি অনেকের সঙ্গেই মিলে যায় এবং সে জন্য সবাই পছন্দ করতে শুরু করে। তা ছাড়া গ্রাম্পি ক্যাটকে ঘিরে তৈরি হতে থাকে অসংখ্য মিম আর ট্রল। বিশেষ করে মিমগুলো এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে ২০১৩ সালে বর্ষসেরা মিম হিসেবে গ্রাম্পি ক্যাট ওয়েবি পুরস্কার পায়।

মানুষ দুনিয়ার কর্মফল অনুযায়ী প্রতিদান পাবেন

প্রত্যেক মানুষের পার্থিব জীবনের চুলচেরা হিসাব হবে পরকালীন জীবনে। যে দুনিয়ায় সৎকাজ করে ইহকাল ত্যাগ করেছেন, আল্লাহ তার প্রতিফলের নিশ্চয়তা বিধানে চিরস্থায়ী জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং যারা অন্যায়-পাপাচার করে মন্দআমলের সঙ্গে পরলোকগমন করেছেন, তাদের জন্য রয়েছে ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির স্থান জাহান্নাম।
তাই দুনিয়ার বুকে কোনো ধরনের অন্যায়-অপকর্ম করা চলবে না; একমাত্র আল্লাহকে পূর্ণাঙ্গভাবে ভয় করে সতর্কতার সঙ্গে জীবন পরিচালনা করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে সৎকর্ম করে সে নিজের কল্যাণের জন্যই তা করে এবং কেউ মন্দকর্ম করলে তার প্রতিফল সে-ই ভোগ করবে। তোমার প্রতিপালক তার বান্দাদের প্রতি কোনো প্রকার জুলুম করেন না।’ -সূরা হামিম সিজদা: ৪৬
হাশরের দিন আল্লাহতায়ালা মানুষের পাপ-পুণ্যের ফয়সালা করবেন এবং যার যার দুনিয়ার কর্মফল অনুযায়ী নিখুঁত নিক্তিতে বিচার করবেন। যারা অন্যায়-অপরাধে নিজকে নিয়োজিত রাখবে এবং পাপাচারে লিপ্ত থাকবে, প্রতিফলস্বরূপ তিনি তাদের কঠিনতম শাস্তির ভয়াবহ কষ্টে নিপতিত রাখবেন।


আর যারা সৎকর্মের মধ্যে নিজকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধি-বিধান মোতাবেক ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহতায়ালা তাদের সুখ-শান্তিময় বেহেশত প্রদান করবেন। শুধু তাই নয়, সেসব নেকআমলকারীকে সম্মানজনক পুরস্কার প্রদান করবেন।
এ বিষয়ে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে নিয়ামতে ভরা জান্নাত; সেখানে তারা স্থায়ীভাবে থাকবে। আল্লাহতায়ালার প্রতিশ্রুতি সত্য। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। -সূরা লুকমান: ৮-৯
দুনিয়ায় যত মানুষ এসেছে, আল্লাহতায়ালা কিয়ামতের পর তাদের একত্র করে আমলনামার লিখিত প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার করবেন। এ সময় মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, হাত-পা কথা বলবে এবং ন্যায়-অন্যায়ের সাক্ষ্য দেবে।
শেষ বিচারের দিন প্রতিটি মানুষ তার দুনিয়ার কর্মফল অনুযায়ী ন্যায্য প্রতিদান পাবেন। এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘আজ প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিফল দেওয়া হবে, আজ কারও প্রতি জুলুম করা হবে না। আল্লাহ হিসাব গ্রহণে তৎপর।’ -সূরা আল মুমিন: ১৭
যে সৎকর্ম করে, সে নিজের উপকারের জন্যেই করে, আর যে অসৎকর্ম করে, তা তার উপরই বর্তাবে, সূরা হা-মীম সেজদা, ৪৬
ইসলামের দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের দাবি হচ্ছে, কর্ম অনুযায়ী প্রতিফল পাওয়া। সৎকর্ম করলে কাজের হার অনুসারে পুরস্কার প্রাপ্তি আর অসৎকর্ম করলে তার পরিমাণ অনুযায়ী শাস্তি।
এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।’ -সূরা জিলজাল: ৭-৮
রহমতের নবী মানবজাতিকে অপকর্ম প্রতিরোধের শিক্ষা দিয়ে ইরশাদ, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে; যদি সে এতে অক্ষম হয়, তবে মুখ দ্বারা নিষেধ করবে; যদি সে এতেও অপারগ হয়, তবে সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করবে।’ –সহিহ মুসলিম
মানুষ ভুল করে আল্লাহর দেওয়া বিধান ও সীমা লঙ্ঘন করে ফেলার পর নিজের ভুল বুঝতে পেরে তওবা করলে তিনি ক্ষমা করে দেন। কোরআনে কারিমে এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের কর্মের মন্দ ফল তাদের ওপর আপতিত হয়েছে, এদের মধ্যে যারা জুলুম করে, তাদের ওপরও তাদের কর্মের মন্দ ফল আপতিত হবে এবং এরা (আল্লাহর শাস্তিকে) ব্যর্থও করতে পারবে না। …. বলো, হে আমার বান্দারা! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অন্যায়-অবিচার করেছ, আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না; আল্লাহ সমুদয় পাপ ক্ষমা করে দেবেন, তিনিই তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ -সূরা জুমার: ৫১-৫৩
যদি কেউ ভুলবশত ঘোরতর পাপ করার পর অনুতপ্ত হয়ে তওবা-ইস্তেগফার করে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা চায়; তাহলে আল্লাহ দয়াপরবশ হয়ে ওইসব লোককে ক্ষমা করে দেন।
  • তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ, পরকালীন জীবনের ভয়-ভীতির বিষয়টি মাথায় রেখে পার্থিব জীবনে সব ধরনের অন্যায়-অনাচার ও কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে সর্বদা বিরত রাখা।

অন্যায় করলে তার প্রতিদান পেতে হয়


সিনেমাহল থেকে বের হয়ে দেখি আমার ছাত্রী একটা ছেলের সাথে হাত ধরাধরি করে বের হচ্ছে। আমাকে দেখে আমার ছাত্রী চমকে গেলো। আমি কিছু না বলে চুপচাপ ওদের সামনে থেকে চলে গেলাম।
পরেরদিন যখন আমি আমার ছাত্রীকে পড়াতে যায় তখন ছাত্রীর বাবা আমার শার্টের কলার ধরে বলেছিলো, আমার এত সাহস কি করে হলো তার মেয়ের শরীরে হাত দেওয়ার আর বাজে ইঙ্গিত দেওয়ার..
আমি অবাক হয়ে ছাত্রীর বাবার কাছে জানতে চেয়েছিলাম আমার নামে এই নোংরা কথাটা কে বললো.
ছাত্রীর বাবা আমার ডানগালে থাপ্পড় মেরে বলেছিলো, এই কথাটা না কি আমার ছাত্রী নিজেই বলেছে।
ছাত্রীর বাসা থেকে বের হয়ে চিন্তা করতে লাগলাম, শহরের মেয়েরা স্মার্ট হয় কিন্তু এতটা স্মার্ট হয় জানতাম না। আমার অপরাধ ছিলো আমি আমার ছাত্রীকে বয়ফ্রেন্ড সহ সামনাসামনি দেখে ফেলেছিলাম। তাই আমার ছাত্রী আমার নামে তার বাবা মার কাছে নোংরা একটা জিনিস বানিয়ে বললো যাতে ওর বাবা মা আমাকে ভুল বুঝে। আর আমি কিছু বললেও যেন বিশ্বাস না করে...
তার কয়েকমাস পর ইন্টারনেটে ৮ মিনিটের একটা ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটা আমার ছাত্রী ও তার বয়ফ্রেন্ডের। আমি তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে শুধু মুচকি একটা হাসি দিলাম...
আমি যে মেসে থাকি সেই মেসে আমি বাদে সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করে। সহজ কথা বলতে গেলে আমি বাদে সবার পারিবারিক অবস্থা খুব ভালো। মেসে আমার রুম মেটের ৪ হাজার টাকা হারিয়ে গেলো। সবার ধারণা হলো আমি টাকাটা চুরি করেছি কারণ আমি সেদিন কমদামের একটা স্মার্টফোন কিনেছিলাম। পাশের রুমের এক বড় ভাই তিনি জোর গলায় বললেন, উনি না কি নিজ চোখে দেখেছেন আমি আমার রুমমেট মামুনের ব্যাগে হাত দিয়েছি। আমি তখন কিছু বললাম না কারণ আমার কিছু বলার মত পরিস্থিতি ছিলো না। বড় ভাইকে সবাই খুব মানতো আমি কিছু বললেও লাভ হতো না। আমি দোকানে গিয়ে দোকানদারের হাতে পায়ে ধরে ফোনটা ফেরত দিয়ে সেই টাকাটা আমার রুমমেটকে দিলাম।



চোরের অপবাদ নিয়ে যে মেস থেকে ৫ মাস আগে বের হয়ে গিয়েছিলাম আজ সেই মেসে বড় ভাই আমাকে খবর দিয়ে নিয়ে এসেছে। সবার সামনে বড়ভাই আমার হাত ধরে বললো, পিয়াস আমায় ক্ষমা করে দিস। আমি সেদিন ইচ্ছে করে তকে চোর বানিয়েছিলাম। আসলে সেদিন টাকাটা আমি চুরি করেছিলাম। 
বড়ভাইয়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে। তার মাঝে মৃত্যু ভয় ঢুকে গেছে।
আমি বড়ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে শুধু মুচকি একটা হাসি দিলাম...
শ্রাবণী তার সামনে রাখা গ্লাসটা আমার মুখে ছুড়ে মেরে বললো, তোর মত ভিখারীর কি করে সাহস হয় আমাকে এইসব বলার? তুই ভালো ছাত্র ছিলি দেখে তোর নোট পাওয়ার লোভে তোর সাথে বন্ধুত্ব করেছিলাম আর সেই তুই কি না আমাকে আজ প্রেমের প্রস্তাব দিস...
সেই শ্রাবণীর খুব বড়লোক ছেলের সাথেই বিয়ে হয়েছিলো। কিন্তু বিয়ের ৩ বছর পর সে আজ আমার সামনে বসা। শ্রাবণী তার স্বামীর বিরুদ্ধে এক একটা নির্যাতনের কথা বলছে আর আমি এস আই আবুল বাশার পিয়াস সুন্দর করে নোট করছি।
কথাবলার এক পর্যায়ে শ্রাবণী আমায় বললো, সেদিন যদি তোর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেতাম তাহলে আমার কপালে আজ এত কষ্ট থাকতো না।
আমি কিছু না বলে শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিলাম। যে হাসির অর্থ হলো, কেউ তোমার উপর অন্যায় করলে সে তার প্রতিদান পাবেই।
আজ একটা কথা খুব মনে পড়ছে,
দুনিয়াতে মানুষ মানুষকে ক্ষমা করে দিলেও প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করে না। প্রকৃতি সব হিসাব করে মানুষকে তা ফিরিয়ে দেয়...।

অনলাইনে কনটেন্ট লিখে আয় করুন


ছাত্রছাত্রী, কর্মজীবী বা গৃহিণী, অনেকেই শখের বশে লেখালেখি করতে পছন্দ করেন। কিন্তু লেখার মান ভালো হলে এই শখের কাজ থেকেই আয় করা সম্ভব।

Wednesday, 22 May 2019

'বিয়ে' দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে কেন?

ধর্ষণ দিন দিন বেড়েই চলেছে, আর বিয়ে কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

একথা ১৪০০ বছর আগেই রাসুল (সাঃ) বলেছিলেন, যে সমাজে বিয়ে কঠিন হয়ে যায় সে সমাজে ব্যাভিচার সহজ হয়ে যায়। আজ তার বাস্তব রূপ দেখা যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাভিচার করতে লাগে ৫০০ টাকা, আর বিয়ে করতে গেলে লাগে ৫,০০,০০০ টাকা। হালাল কাজের মধ্যে আমাদের সমাজে বর্তমানে সবচেয়ে কঠিন হালাল কাজ হচ্ছে বিয়ে করা। অথচ ইসলাম বিয়েকে অনেক সহজ করেছে। কোন ছেলে যদি একটি মেয়েকে দু'বেলা দু'মুঠো খেতে দিতে পারে, পরিধান করতে দিতে পারে, আর পর্দার মধ্যে রাখার ব্যবস্থা করে দিতে পারে তাহলেই সে বিয়ে করতে পারে। বিবাহের আলটিমীটি হতে পারে মাত্র একটি ছাগল। কিন্তু এই বিয়েকে কঠিন করার জন্য এনগেজমেন্ট, পার্টি, গায়ে হলুদ, বৌভাত এই ধরণের কতগুলো অহেতুক জিনিষকে চাপিয়ে দেয়া হয়। এ সমস্ত কাজ যেমন একজন মধ্যবিত্তের উপর চাপের কারণ তেমনই অপচয়ও বৃদ্ধি করে। 

মহান আল্লাহ্ বলেন- "কিছুতেই অপব্যয় করো না। নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। শয়তান স্বীয় পালনকর্তার প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ (সুরা ইসরা, আয়াত নং ২৬-২৭)।

আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, জাহান্নাম কে ঘিরে রাখা হয়েছে আকর্ষনীয় কাজকর্ম দিয়ে আর জান্নাত কে ঘিরে রাখা হয়েছে নিরস কাজকর্ম দিয়ে। [বুখারীঃ হাদিস নং ২৪৫৫]


বিশ্বের শীর্ষ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৮২টি দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জানুন

আজকে আমি আলোচনা করব বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় এর র‍্যাংকিং করা হয় মূলত এর সাবজেক্ট গুলোর মান, শিক্ষার মান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার পরিবেশ, শিক্ষকদের দক্ষতা, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা, গবেষণাগার এবং এমপ্লয়ারদের নিয়ে গঠিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে।
চলুন শুরু করি টপ ১০ টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে।

টপ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ঃ

১০. UCL (University College London)

Dentistry, Geography, Medicine, Psychology and Pharmacy & Pharmacology এই পাঁচটি সাবজেক্ট এর জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব র‍্যাংকিং এর ১০ম স্থান দখল করেছে।

৯. University of Chicago

Accounting & Finance, Anthropology, Sociology, Economics & Econometrics, and English Language & Literature এই পাঁচটি সাবজেক্ট এর একাডেমিক সম্মান নিয়ে র‍্যাংকিং এর ৯ম অবস্থানে আছে এই বিশ্ববিদ্যালয়।

৮. Imperial College London

ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনোলজি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশ বিজ্ঞান এর সকল সাবজেক্ট গুলো নিয়ে এগিয়ে আছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে রিসার্চ করার খুব ভাল সুযোগ - সুবিধা রয়েছে।

৭. ETH Zurich (Swiss Federal Institute of Technology)

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ এন্ড মেরিন সাইন্স অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সবচেয়ে ভাল। এই সাবজেক্ট গুণগত মানের জন্য ৭ম অবস্থানে আছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। গবেষণা করার সু্যোগ রয়েছে এখানে।

৬. University of Cambridge

Arts and Humanities, Biological Sciences, Clinical Medicine, Humanities and Social Sciences, Physical Sciences, and Technology এই সাবজেক্ট গুলোর জন্য ৭ম স্থান ধরে রেখেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। এর গবেষণাগার বিশ্বের অন্যতম।

৫. University of Oxford

Humanities, Mathematical, Physical and Life Sciences; Medical Sciences; and Social Sciences এই সাবজেক্ট গুলো নিয়ে ৫ম অবস্থানে আছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এর মেডিসিন বিভাগ বিশ্বের ১ম স্থানে আছে।

৪. California Institute of Technology (Caltech)

Engineering এবং টেকনোলজি নিয়েই চলছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। নাসা এর ল্যাবরেটরি ও এর ক্যাম্পাসের ভিতরে রয়েছে। শিক্ষার্থীরা এই ল্যাব রিসার্চ এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

৩. Harvard University

এই বিশ্ববিদ্যালয় Aesthetic and Interpretive Understanding, Culture and Belief, Empirical and Mathematical Reasoning, Ethical Reasoning, Science of Living Systems, Science of the Physical Universe, Societies of the World, and United States in the World এই ক্যাটাগরির সাবজেক্ট গুলো নিয়ে ৩য় অবস্থানে আছে।

২. Stanford University

বিশ্বের ২য় অবস্থানে আছে এটি। এই বিশ্ববিদ্যালয় Business; Earth, Energy & Environmental Sciences; Graduate School of Education; School of Engineering; School of Humanities and Sciences; Law School; and School of Medicine এই স্কুল নিয়ে গঠিত। 




১. Massachusetts Institute of Technology (MIT)


এই বিশ্ববিদ্যালয় architecture and planning; engineering; humanities, arts, and social sciences; management; science ইত্যাদি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে প্রথম অবস্থানে রয়েছে।

আরো ৮২টি দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় ঃ
Argentina: Universidad de Buenos Aires -ranked 73rd in the world
Australia: Australian National University (ANU) – ranked 24th
Austria: Universität Wien (University of Vienna) – ranked joint 175th
Azerbaijan: Baku State University – ranked 801-1000
Bahrain: University of Bahrain – ranked 801-1000
Bangladesh: Bangladesh University of Engineering and Technology and the University of Dhaka – both ranked 801-1000
Belarus: Belarus State University – ranked 354th
Belgium: Katholieke Universiteit Leuven – ranked 81st
Bosnia and Herzegovina: Sarajevo School of Science and Technology – ranked 571-580
Brazil: Universidade de São Paulo (USP) – ranked 118th
Brunei Darussalam: University of Brunei Darussalam – ranked joint 323rd
Bulgaria: Sofia University “St. Kliment Ohridski” – ranked 801-1000
Canada: University of Toronto – ranked 28th
Chile: Pontificia Universidad Católica de Chile – ranked joint 132nd
China: Tsinghua University – ranked 17th
Colombia: Universidad de Los Andes Colombia – ranked joint 272nd
Costa Rica: Universidad de Costa Rica – ranked 501-510
Croatia: University of Zagreb – ranked 801-1000
Cuba: Universidad de la Habana – ranked 511-520
Czech Republic: Charles University – ranked joint 317th
Denmark: University of Copenhagen – ranked joint 79th
Ecuador: Universidad de San Francisco de Quito – ranked 701-750
Egypt: American University in Cairo – ranked joint 420th
Estonia: University of Tartu – ranked joint 321st
Finland: University of Helsinki – ranked 110th
France: Paris Sciences et Lettres Research University (PSL) – ranked 50th
Germany: Technische Universität München – ranked 61st
Greece: National Technical University of Athens – ranked joint 446th
Hong Kong: University of Hong Kong (HKU) – ranked 25th
Hungary: University of Szeged – ranked joint 470th
India: Indian Institute of Technology Bombay (IITB) – ranked 162nd
Indonesia: University of Indonesia – ranked joint 292nd
Iran: Sharif University of Technology – ranked 432nd
Iraq: University of Baghdad – ranked 651-700
Israel: Hebrew University of Jerusalem – ranked 154th
Italy: Politecnico di Milano – ranked joint 156th
Japan: University of Tokyo – ranked 23rd
Jordan: University of Jordan – ranked 601-650
Kazakhstan: Al-Farabi Kazakh National University – ranked 220th
Kenya: University of Nairobi – ranked 801-1000
Kuwait: Kuwait University – ranked 801-1000
Latvia: Riga Technical University – ranked 751-800
Lebanon: American University of Beirut (AUB) – ranked joint 237th
Lithuania: Vilnius University – ranked 488th
Macao, S.A.R., China: University of Macau – ranked joint 443rd
Malaysia: Universiti Malaya (UM) – ranked joint 87th
Mexico: Universidad Nacional Autónoma de México (UNAM) – ranked 113th
Morocco: Al Akhawayn University Ifrane – ranked 801-1000
Netherlands: Delft University of Technology – ranked 52nd
New Zealand: University of Auckland – ranked 85th
Norway: University of Oslo – ranked 135th
Oman: Sultan Qaboos University – ranked joint 450th
Pakistan: Pakistan Institute of Engineering and Applied Sciences (PIEAS) – ranked joint 397th
Palestine: Birzeit University – ranked 801-1000
Peru: Pontificia Universidad Católica del Perú – ranked 551-560
Philippines: University of the Philippines – ranked joint 384th
Poland: University of Warsaw – ranked joint 394th
Portugal: University of Porto – ranked 328th
Puerto Rico: Universidad de Puerto Rico – ranked 801-1000
Qatar: Qatar University – ranked joint 332nd
Republic of Ireland: Trinity College Dublin (TCD) – ranked joint 104th
Romania: Has five universities all ranked 801-1000, including Alexandru Ioan Cuza University
Russia: Lomonosov Moscow State University – ranked 90th
Saudi Arabia: King Fahd University of Petroleum and Minerals (KFUPM) – ranked 189th
Serbia: University of Belgrade – ranked 801-1000
Singapore: National University of Singapore (NUS) – ranked 11th
Slovakia: Comenius University in Bratislava and Slovak University of Technology in Bratislava – both ranked 751-800
Slovenia: University of Ljubljana – ranked 651-700
South Africa: University of Cape Town – ranked joint 200th
South Korea: Seoul National University (SNU) – ranked 36th
Spain: Universidad Autónoma de Madrid – ranked 159th
Sri Lanka: University of Colombo – ranked 801-1000
Sweden: Lund University – ranked 92nd
Taiwan: National Taiwan University (NTU) – ranked 72nd
Thailand: Culalongkorn University – ranked 271st
Turkey: Koç University – ranked joint 448th
Ukraine: V.N. Karazin Kharkiv National University – ranked joint 481st
United Arab Emirates: Khalifa University– ranked 315th
Uruguay: Universidad de Montevideo – ranked 531-540
Venezuela: Universidad Central de Venezuela (UCV) – ranked 751-800


Vietnam: Vietnam National University - Ho Chi Minh City (VNU-HCM) – ranked 701-750

পোস্টটা একটু বড় হয়ে গেছে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।