Sunday, 12 May 2019

কিভাবে Payoneer Account খুলবেন খুব সহজেই । PayPal Account 100% Verify করার জন্য। [পার্ট-২]

আশা করি সবাই ভালো আছেন আল্লাহর রহমতে ______________________________________ 

❐❐ হ্যাঁ আমি আজ দেখাবো কিভাবে আপনারা PayPal Account 100% Verify করার জন্য Payonner Account খুলবেন। 
✓✓Payonner একাউন্ট খুলার জন্য যা যা দরকার। .
 ১. আপনার National ID বা Passport ID যে কোন একটা হলেই হবে। না থাকলে আপনাদের বাবা, মা এর টা দিয়েই হবে। আর আমি বলি আপনারা National ID Card টা ব্যাবহার করেন। ২. আপনার একটি ব্যাংক একাউন্ট লাগবে, এক্ষেত্রে আপনারা Dutch Bangla Roket বা যেটা মোবাইল ব্যাংককিং ওই Account এর Full name, phone number হলেই হবে। 
৩. ১টি Gmail Account.
এখন কাজে লেগে যায়☞☞ 


✓✓ প্রথমে Chrome Browser এ গিয়ে সার্চ করুন Payonner.com এবার ______ 

Step-1:  Account type individual select করুন 1. Fast name (National ID Card অনুযারী) . 
2. last name (National ID Card অনুযারী) . 
3. GMail Address . 
4. Re-type GMail Address . 
5. Date of Birth (National ID Card অনুযারী) . Next ক্লিক করুন।
Step-2:
1. Country Bangladesh . 
2. Address দিন National ID card অনুযায়ী . 3. প্রথমে ঘরে Address না আটলে এখানে দিন। 4. City দিন . 
5. Zip Code . 
6. আপনার মোবাইল নাম্বার দিন। যেটা সব সময় খুলা+আপনার কাছে থাকবে। . তারপর Next ক্লিক করুন।



Step-3:
1. পাসওয়ার্ড দিন একটি শক্তি শালি।
2. আবার ওই পাসওয়ার্ডই দিন।
3. Security question এখানে একটি সিলেক্ট করুন।
4. Security question Answer (দিন এটা যাই দেন মনে রেখে দিয়েন পড়ে কাজে লাগবে)।
5. issuing country of ID (Bangladesh).
6. National ID Card Number টা দিন। . 
7. Next ক্লিক করুন।


Step-4:

Personal Account select করুন। 
1. Bank Country (Bangladesh) . 
2. Currency (BDT) . 
3. Bank Name দিন। যেটা আপনার আছে। . 
4. আপনার যে Bank একাউন্ট আছে ওইটার নিকটর্তী ঠিকানা দিন। . 
5. Account Name দেন . 
6. Phone Number দেন I 
Agree তে (✓) ক্লিক করে Submit করুন। . 


★এবার GMail Check করুন। 

★GMail Verify করুন। 
★বি:দ্র: মেইল আসতে একটু দেরি মানে ১ দিন ও লাগতে পারে। কিন্তু আসবে। আমার টা সাথে সাথেই আসছে। 
★GMail confirmed করুন একটি Browser এ নিয়ে যাবে ওই খানে আপনার মনের মতো দুইটি Security question 2&3 Select করে Answer দিন। এগুলো অব্যশই মনে রাখবেন পড়ে কাজে দিবে। 
★Submit করুন তো আপনার Payonner account টি খুলা হয়ে গেছে।
পরবর্তী পোস্ট মানে শেষ বা (পার্ট ৩) দেখাবো এই Payonner account কিভাবে PayPal Account এ Add করে আপনার PayPal account কে 100% verify এ রুপান্তর করবেন। . সে সময় পযর্ন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি??


SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি?
আমরা সবাই সার্চ ইন্জিন এর সাথে মোটামুটি পরিচিত। যেমনঃ Google, Yahoo, Ask ইত্যাদি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। এর মধ্যে গুগল সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। এখানে আপনি কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ করলে সে অনুযায়ী সবচেয়ে ভাল তথ্যবহুল যে সাইট টি আছে আপনাকে সেটা দেখাবে। যেখানে ভিজিট করলে আপনি আপনার কাঙ্খিত তথ্য গুলো পাবেন। এভাবে আপনি আপনার সাইটটি যেভাবে গুগলের টপে নিয়ে আসবেন এটাই এস ই ও এর কাজ। অর্থাৎ গুগল বা যে কোন সার্চ ইন্জিন এ আপনি যেভাবে করে নিজের সাইটকে সবার উপরে প্রথম পেজ এ আনবেন এই কাজটাকেই এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।
কিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের নাম!



সার্চ ইঞ্জিন কি ভাবে কাজ করে?

সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব Software এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে। Software টির নাম ক্রাউলার।
সার্চ ইঞ্জিন তার স্বয়ংক্রিয় ক্রউলার বিভিন্ন ওয়েব সাইট বা ব্লগে পাঠায়,
ক্রউলার অনলাইনে ওয়েব সাইট বা ব্লগ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহ করে, নিজস্ব ডাটা বেজে বা ডাটা সেন্টারে জমা রাখে।

সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP কি?

সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP (Search Engine Results Page) হচ্ছে যখন কোন ব্যবহারকারী সার্চ ইঞ্জিনে এসে কোন তথ্য সর্ম্পকে অনুসন্ধান করে, তখন সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব ডাটা বেজ থেকে ব্যবহারকারীকে তার তথ্য অনুসন্ধান সর্ম্পকিত যে ওয়েব লিংক সমূহ দিয়ে থাকে বা যে রেজাল্ট প্রদর্শন করে তাই SERP (Search Engine Results Page) বা সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ।



এস ই ও এর প্রকার ভেদ!

০১।  অরগানিক এস ই ও বা ফ্রি এস ই
(এটা একটা ফ্রি পদ্ধতি। এইটার জন্য সার্চ ইঞ্জিকে কোনো টাকা দিতে হয় না)
০২। পেইড এস ই ও
(সার্চ ইঞ্জিনকে টাকা দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে আসতে হয়। যতদিন টাকা দেয়া হবে ততো দিন
সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে থাকবে আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ)
সার্চ ইঞ্জিনের নিয়ম অনুসারে এস ই ও প্রকার দুইটি
হোয়াইট হ্যাট এস ই ওঃ(বৈধ পদ্ধতি যা সার্চ ইঞ্জিনের কাজের কিছু নিয়ম এবং শর্ত)
ব্লাক হ্যাট এস ই ওঃ (অবৈধ পদ্ধতি)

হোয়াইট হ্যাট এসইও

এস ই ও এর কার্যাবলীগুলোর মধ্যে যদি নিম্নোক্ত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহলে তাকে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও বলা যেতে পারে,
  1. যেটা গুগল এর নির্দেশনাসমূহ মেনে চলে।
  2. যেটাতে কোন প্রতারনার পন্থা অবলম্বন করা হয় না।
  3. এটা নিশ্চিত করে যে, গুগল সার্চ এ যে বিষয়বস্তু সমূহ প্রদর্শন করবে, ওয়েবসাইট এর বিষয়বস্তুসমূহ ঠিক একই হবে।
  4. এটা নিশ্চিত করবে যে, ওয়েবসাইট এর বিষয়বস্তুসমূহ প্রধানত ব্যবহারকারীদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে, শুধুমাত্র গুগল এর সার্চ ইঞ্জিন এ ভাল অবস্থান পেতে নয়।
  5. যেটা ওয়েবপেজ এর ভাল গুনাগুন নিশ্চিত করে।
  6. যেটা ওয়েব পেজ এ ভাল মানের বিষয়বস্তুর নিশ্চয়তা বিধান করে।
একজন ওয়েব ডেভেলপার এর জন্য হোয়াইট হ্যাট এস ই ও এর পথ অনুসরণ করা উচিত। কারন, এটা তুলনামুলকভাবে কষ্টসাধ্য হলেও ভবিষ্যতে ওয়েবসাইট এর উন্নতি সাধনে সহায়তা করে।



ব্ল্যাক হ্যাট এসইও

যদি একজন অনুসন্ধান ইঞ্জিন অপটিমাইজার তাঁর ওয়েবপেজ এর সার্বিক উন্নয়নে নিম্নোক্ত পথসমুহ অবলম্বন করে, সেই পদ্ধতিকে ব্ল্যাক হ্যাট এস ই ও বলে অভিহিত করা যেতে পারে,

  1. গুগল এর নির্দেশনা সমূহ উপেক্ষা করে ওয়েবসাইট এর রাঙ্ক বৃদ্ধিতে কাজ করলে।
  2. যদি ব্যবহারকারিকে অন্যকোন ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওয়েবসাইট এ নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়, যার মান পূর্বোক্ত ওয়েবসাইট এর সমান বা কম মানের অধিকারী।
  3. কি ওয়ার্ড এ মেটা ট্যাগ এর পুনরাবৃত্তি ঘটালে।
ওয়েবসাইট এর ঠিকানার সাথে মিল না রেখে বিষয়বস্তু নির্ধারণ করলে। 
সর্বোপরি, আপনার ওয়েবসাইট এর উন্নয়েনে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও এর কৌশল সমূহ অনুসরন করা উচিত। আপনি ওয়েবপেজ এর উন্নয়নে যেটাই অনুসরণ না কেন, গুগল অবশ্যই সেটা জানতে পারবে এবং সে অনুযায়ী বাবস্থা গ্রহণ করবে।



এস ই ও কয়টি পদ্ধতিতে করা যায়?


এস ই ও করার পদ্ধতি মূলত দুই
অন পেজ এস ই ও (On Page SEO): এডমিন প্যানেলে লগ ইন করে ওয়েব সাইটের কাজ করতে হয়।
অফ পেজ এস ই ও (Off Page SEO): এডমিন প্যানেলে লগ ইন না করে বাইরে থেকে ওয়েব সাইটের কাজ করা।

অন পেজ এসইও


লেখাটিকে এমন ভাবে সাজানো যাতে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই বুঝতে পারে আপনি কি নিয়ে লিখছেন। যদি গুছিয়ে অন-পেজ অপ্টিমাইজশেন না করেন তবে ফল পাবেন না। দেখা যাবে লিখেছেন কাকের ঠ্যাং এর উপরে আর র‍্যাঙ্ক করেছে বকের ঠ্যাং এ। সহজ কথায় আর্টিকেল টিকে এমন ভাবে সাজানো যাতে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই আপনার লেখার টপিক টা বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী লেখাটিকে র‍্যাঙ্ক করে।

অফ পেজ এসইও




অফ পেজ এর নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এখানে যতো জারিজুরি তার সবটাই নিজের পেজের বাইরে মানে অন্যের ওয়েবসাইটে। কিভাবে পরের মাথায় কাঠাল ভেঙ্গে নিজের লেখা র‍্যাঙ্ক করতে হয় সেটা নিয়ে অন্য কোন দিন আলোচনা হবে। আজ নিজের মাথা পড়ুন  আর নিজের কাঁঠাল নিয়েই আলোচনা করা যাক।
সঠিক কি ওয়ার্ড এর জন্য র‍্যাঙ্ক করতে প্রোপার অন-পেজ অপটিমাইজেশন এর কোন বিকল্প নেই। মানুষ আপনার লেখাটি তখনি পড়বে যখন আপনি এমন কিছু লিখছেন যা তিনি খুজছিলেন। সার্চ ইঞ্জিন এর এলগরিদম দীর্ঘ দিনে এমন ভাবে গড়া হয়েছে যাতে এটি বুঝতে পারে কোন লেখা কোন বিষয়ে আর এটার র‍্যাঙ্কিং কেমন হওয়া উচিত। আর্টিকেলকে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি করে সাজানোর জন্য কয়েকটি বেস্ট প্রাক্টিস নিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ ধারনা দেয়া হবে নিচে।

এস ই ও করতে কমন কিছু ওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়!


  • Keyword
  • URL
  • Link
  • Visitor
  • Page Rank
  • Meta Tag
  • Back Link

এস ই ও শিখতে কি কি লাগে বা কতদুর পড়াশুনা জানতে হয়?


১। মোটামুটি কনফিগারেশন সম্বলিত একটি ল্যাপটপ/কম্পিউটার।
২। ইন্টারনেট কানেকশন।
৩। ইন্টারনেট সর্ম্পকে মোটামুটি ধারণা এবং ওয়েব ব্রাউজিং।
৪। শেখার মানসিকতা/আগ্রহ।
৫। উপরি উক্ত বিষয় গুলো জানলে এবং মোটামুটি ইংরেজি ধারণা, যাতে করে আপনি
বুঝতে পারেন ওয়েব সাইট টি বা ক্লাইন্ট আপনাকে কি বলছে।



কেন শিখবেন এস ই ও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন?


অনলাইন মার্কেটিং একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যা কিনা সার্চ ইঞ্জিন (গুগল, বিং, ইয়াহু, ইত্যাদি) থেকে ভিজিটর আনতে সাহায্য করে। যখন মানুষ সার্চ ইঞ্জিনে কোন কি-ওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করবে, আর সেখানে যদি আপনার সাইটটি র‍্যাঙ্কে থাকে তখন আপনার পজিশন কি হয় দেখেন:
Google.com>>Who is google? >> www.computerhope.com
আর এটা যদি আপনার সাইট হয় তাহলে আপনার কেমন হবে বুঝতেই পারছেন? কারন আপনি নিজের থেকে একটা জিনিস ভাবুন আপনি যদি কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ করেন তখন সার্চ রেজাল্ট এর সাইট গুলোর কোন সাইট টাতে আপনি ক্লিক করেন? প্রথম টাতে নাকি পরের গুলোতে? এভাবে সব ধরনের বিষয়ের ক্ষেত্রে একই রকম।
আর মানুষ এই কারনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে চায়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা থাকলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রী ভিজিটর যে রকম আনা যায়, সেরকম গুগলকে প্রতি মাসে হাজারের উপর ডলার দেওয়া থেকে বেচে যাওয়া যায়। এটা আরেকটু পরিস্কার করি যেমন আপনি যখন গুগলে কোন বিষয় লিখে সার্চ দেন দেখবেন প্রথম কিছু পেইড এড শো করে। এই কী ওয়ার্ডে সার্চ দিলে এই সাইট টি প্রথমে শো করার জন্য গুগল কে পেইড করতে হয়েছে। আর এ জন্য এক কথায় বলা যায় যে, কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইনকাম করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে শিখতেই হবে।
হয়ত আপনি ভাবতে পারেন তাহলে আমার সাইট টা তো টপে থাকলো না। হুম এটা যেমন ঠিক তেমনি ওর পেমেন্ট এর কথা ভাবুন তার সাইট গুগল এর টপে রাখার জন্য তাকে প্রতি ক্লিক এ গুগল কে ১ ডলার করে পে করতে হচ্ছে। আর এক্ষেত্রে আপনি পাচ্ছেন পুরো ফ্রিতে।


আরেক টা জিনিস মাথায় রাখবেন পেইড এড গুলো সবাই পছন্দ করে না। আপনি নিজের থেকে চিন্তা করেন আপনি যদি কোন সাইটে ভিজিট করেন সেখানে যদি কোন এড দেখায় তাহলে আপনি কি এড ক্লিক করেন নাকি সেটা স্কিপ করে যান। এরকম ই সবাই এড এর সাইট গুলোতে ক্লিক করে না। আর সার্চ ইন্জিন র‌্যাংক হিসেব করে এড দেয়া সাইট এর পরের সাইট গুলো।
এ জন্য এস ই ও এর চাহিদা কখনই কমবে না। প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকবে।
একদিকে এস ই ও এর মাধ্যমে আপনি আউটসোর্সিং করতে পারবেন। আপনার জন্য অনেক কাজ অপেক্ষা করছে। আবার যদি আপনি চিন্তা করেন আউটসোর্সিং করব না নিজের বিজনেস নিজে ডেভলপ করব আপনি সেটাও পারবেন।
আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখেন তবে আপনার জন্য যে কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন অনলাইন আয়ের জগতে। একটা প্রোডাক্ট তৈরি করা থেকে একটা প্রোডাক্ট মার্কেট পাওয়া অনেক কষ্ট। আর আপনি যখন সেই কঠিন কাজটা নিজের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন তখনি আপনি অনলাইন আয়ের জগতে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে পারবেন।
আর বর্তমানে ইকমার্স ব্যাবসা, যে কোন ধরনের বিজনেস ডেভেলপ করা সব কিছুই প্রযুক্তির সাহায্যে হচ্ছে। আর সব কিছুই আপনি সম্ভব করতে পারবেন এস ই ও দ্বারা।
আরেক টু দেখে নিন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে কি কি বিষয়ে সাহায্য করবে?
1. আপনার সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে।
2. ROI (ROI=Return on Investment) বা আপনার বিনিয়োগ ফিরে পাবেন
3. অতিরিক্ত পরিমাণ বিনিয়োগ বাঁচাতে পারবেন।
4. খুব কম বিনিয়োগে নিজের কোম্পানি বা ব্র্যান্ড কে প্রচার করাতে পারবেন।



কোথায় শিখবেন এস ই ও?


এস ই ও শেখার বিভিন্ন উপায় আছে। আমি কিছু শেয়ার করলাম।
১। ট্রেনিং সেন্টার
২। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ পড়ে বা গুগলের সাহায্য নিয়ে।
৩। ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে।
এই উপায় গুলো ফলো করে আপনি এস ই ও শিখতে পারেন। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে এই ৩ উপায় এর মধ্যে কোনটা আমার জন্য ভাল হবে? প্রথম দুইটা উপায় আপনার জন্য সব থেকে বেশি ভাল হবে। এখন আবার প্রশ্ন যে, তিন নাম্বারটা কেন বেশি ভাল হবে না?
উত্তরঃ আপনি যদি ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে কাজ শিখেন তাহলে আপনার শিখার আগ্রহ ওই ভিডিও টিউটোরিয়াল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। কোন কিছু জানার জন্য আপনি ভিডিও টিউটোরিয়াল খুঁজবেন, ভিডিও টিউটোরিয়াল এর উপর নির্ভর থাকবেন। কোন কিছু জানার জন্য তখন আপনি গুগল ব্যবহার করবেন না ইউটিউব ব্যবহার করে ভিডিও খুঁজবেন। যার কারনে আপনার জ্ঞান ভিডিও পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। যার কারনে ভিডিওটাকে আমি ওই ভাবে সাপোর্ট করি না।
বাকি রইল ২ টা ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড অনলাইনে ব্লগ পড়ে। আপনি যদি ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং নিয়ে এস ই ও শিখতে চান তাহলেও পারবেন তবে আপনাকে ভাল মানের এস ই ও এক্সপার্টদের কাছ থেকে ট্রেনিং নিতে হবে। যদি সেই রকম কোন ট্রেনিং সেন্টার না পান তাহলে অনলাইনকে বেছে নিন। এখন ধরুন আপনি একটা ট্রেনিং সেন্টার থেকে এস ই ও শেষ করলেন। আর ট্রেনিং শেষ করার পর যদি আপনি মনে করেন যে আপনি এস ই ও এক্সপার্ট হয়ে গেছেন তাহলে মস্ত বড় ভুল করলেন।


এখন বর্তমানে ট্রেনিং সেন্টার গুলোতে মোটামুটি বেসিক শিখানো হয় আর খুব কম প্রতিষ্ঠান ই আছে যারা ট্রেনিং চলাকালীন সময়ে লাইভ প্রজেক্ট দেখায়। কিন্তু এতেও আপনাকে এক্সপার্ট হতে পারবেন না। ট্রেনিং শেষ করে আপনার ব্যক্তিগত সাইট কে এস ই ও করার ক্ষেত্রে এবং ইন্টার্নির ব্যবস্থা করে কোন লাইভ প্রজেক্টে কাজ করালে আমি আশা করি আপনি কাজ করার মত এস ই ও শিখতে পারবেন। কিন্তু কখনোই এক্সপার্ট বলতে পারবেন না। কারন এটা যে সময় আপডেট হতে পারে অতএব আপনাকে শেখার উপরে কাজের উপরেই থাকতে হবে।
আপনাকে যা করতে হবে :
  • ট্রেনিং চলাকালীন ওখান থেকে যে লাইভ প্রজেক্ট গুলো দেখানো হবে সেগুলোর পাশাপাশি নিজের ব্যক্তি গত প্রজেক্ট করতে হবে।
  • ট্রেনিং শেষে ট্রেনিং ইন্সটিটিউট এ কমপক্ষে তিন মাস সময় নিয়ে তাদের থেকে লাইভ প্রজেক্ট করে আপনাকে আগাতে হবে।
  • এমন প্রতিষ্ঠান এ ভর্তি হবেন যাদের ট্রেইনার রা আসোলেই এসইও কাজ করেন। যে প্রতিষ্ঠান ট্রেনিং এর পরেও আপনাকে তাদের সাথে থেকে ইন্টার্নি বা তাদের প্রজেক্টে কাজ করার সুযোগ দেয়।
  • যে প্রতিষ্ঠান আসলেই টাকার থেকে শিখানোর ব্যাপারে আগ্রহী সেসব প্রতিষ্ঠান কে বাছাই করে নিতে হবে।
  • আপনি যেখানে ভর্তি হবেন তাদের মডিউল দেখেন। তারপরে যারা এক্সপার্ট আছে তাদের কে মডিউল দেখান তারা যদি আপনাকে সাজেষ্ট করে ভর্তির ব্যাপারে তাহলে আপনি ভর্তি হবেন।
  • সর্বপরি গুগল যদি আপনি ভাল করে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনার এক্সপার্ট হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না। এমন অনেকেই আছে যে অনেক অ্যাডভান্স জিনিস পারে কিন্তু ছোট কাজ সেটা পারে না কিন্তু সে সেই কাজটা শিখেছিল এখন মনে নেই। আর তার না পারার কারন হচ্ছে অ্যাডভান্স জিনিস শিখতে গিয়ে সে বেসিক অনেক কিছুই ভুলে গেছে এই রকম যেন আপনার ক্ষেত্রে না হয় সে জন্য আপনি যে টুকু শিখেছেন সেই টুকু নিয়ে প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে আর অ্যাডভান্স কাজ গুলো শিখতে হবে।

এস ই ও শিখতে আপনাকে কি কি বিষয় শিখতে হবে?

  • Basic concepts of a website promotion
  • Discussion on White Hat, Grey Hat and Black Hat SEO
  • Keywords
  • Back Links
  • Anchor Text
  • Page Rank
  • Website Age
  • Understanding Authority
  • Ranking Factors
  • Introduction to Keyword Research
  • Keyword Tools
  • Finalization of Keywords
  • Domain Selection & SEO Friendly Website Structure
  • Single Page Optimize
  • Robots.txt and Sitemap.xml
  • Important on site factors
  • Google Webmaster Tools & Analytics
  • Link Strategy & Monitoring
  • Reporting, Portfolio building & Auditing

এস ই ও এর কিছু সুবিধা বা দিক গুলো কি কি?

আপনার ক্লাইন্টের কাজের উপর নির্ভর করে কত ঘন্টা আপনাকে কাজ করতে হবে। তবে ২ ঘন্টা কাজ করলেই মোটামুটি ফলাফল পাওয়া যায়। তবে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বেশি লাগে সেটা হতে পারে ৪-৬ ঘন্টা বা আরো বেশি।



এস ই ও করে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায়?

এক্ষেত্রে আপনার কাজের দক্ষ্যতার উপর নির্ভর করে যে, আপনি মাসে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বাইরের দেশে অনেক এস ই ও ফ্রিল্যানসার প্রতি কাজের জন্য monthly 750-3000 ডলারের বিনিময়ে কাজ করে থাকেন। তবে সেক্ষেত্রে আমাদের দেশে টাকা টা তুলনা মূলক একটু কম তবে কাজে দক্ষ্য হলে ইনকাম বাড়বে বই কমবে না। তাই বুঝতেই পারছেন এর ইনকাম সোর্স বা পরিধি কত।
কিছু কি বাদ রয়ে গেলো? যদি বাদ গিয়েই থাকে তাহলে অবশ্যই বলবেন আমি আগামীতে আবার এর পরের অংশ টিউন করবো। আশা করি এস ই ও নিয়ে আপাতত কোনো সমস্যা নেই। নাকি আছে? আগামী থেকে শুরু করবো কিভাবে ভাল মানের আর্টিকেল লিখা যায়। শেখার তালে থাকুন মন ভাল থাকবে।
শেয়ার না করলে মাথায় ঠাডা পইরবো। আপনি শিখলেন বাকিরা শিখলো না বা জানলো না তাহলে তো লাভ নেই। তাই নিজে জানুন অন্যকে জানতে সাহায্য করুন। তাহলে সবাই ভাল থাকবেন আজের মত আসি। আল্লাহ্‌ হাফেজ।
লেখক ও রিসার্চঃ শিশির চৌধুরী 
প্রথম প্রকাশিতঃ সি টেক ব্লগ 

Saturday, 11 May 2019

আসুন জেনে নেই রোজায় যেসব কাজ পরিহার করব


রোজার ফজিলত হাসিল করার জন্য যেমন অনেক কিছু আমল করতে হয়, তেমনি অনেক কুঅভ্যাস পরিত্যাগ করতে হয়, নচেৎ ওই রোজার কোনো মূল্য থাকে না।
একটি হাদিসে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘অনেক রোজাদার এমনও আছে, যাদের রোজার বিনিময়ে অনাহারে থাকা ব্যতীত অন্য কোনো ফল লাভ হয় না। আবার অনেক রাত জাগরণকারী এমন আছে, যাদের শুধু জাগরণ ব্যতীত আর কোনো ফল লাভ হয় না।’
এ জন্য এ ব্যাপারে অতি সতর্ক থাকা উচিত। রোজা অবস্থায় কী কী বিষয় বর্জনীয়, এ সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস নিচে উদ্ধৃত করা হলো :
১. ‘রোজা’ রোজাদারের জন্য ঢাল এবং সুদৃঢ়ভাবে প্রস্তুত প্রাচীরস্বরূপ, যতক্ষণ পর্যন্ত একে মিথ্যা ও গীবতের দ্বারা নষ্ট না করবে। অতএব, রোজা অবস্থায় মিথ্যা, গীবত-কটুবাক্য, ঝগড়া, কলহ গালাগালি ও অন্যান্য পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা চাই।


২. ‘রোজা’ রোজাদারের জন্য ঢালস্বরূপ। অতএব যে রোজা রাখবে, জাহেলদের মতো অশ্লীল কোনো কাজ করা বা কথা বলা তার জন্য উচিত নয়। যদি কেউ তার সঙ্গে জাহেলদের ন্যায় অসভ্য ব্যবহার করে, তবে প্রতিউত্তরে তার অনুরূপ ব্যবহার করা সমীচীন নয়। বরং বলা উচিত- আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে রোজা রাখছি। (নাসায়ী)
৩. দৃষ্টি সংযত করা উচিত, যাতে অবৈধ স্থানে দৃষ্টি না পড়ে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, দৃষ্টিশক্তি শয়তানের তীরসমূহ থেকে একটি তীর বিশেষ। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে এই তীরে বিদ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা পেতে প্রচেষ্টা চালায়, আল্লাহ পাক তার হৃদয়ে এমন ইমানের দীপ্তি ভরে দেন যে, সেই ব্যক্তি তার মজা ও আস্বাদ অন্তরে অনুভব করতে পারে।
৪. গীবত বা কুৎসা থেকে বিরত থাকা চাই। কুরআনে কারিমে গীবতকে মৃত মানুষের পচা-দুর্গন্ধযুক্ত গোশতের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি কারও গীবত করল, সে যেন উক্ত পচা-দুর্গন্ধযুক্ত মৃত মানুষের গোশত ভক্ষণ করল।
সাহাবাকেরাম রা. একবার রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গীবতের মর্মার্থ জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তর করলেন, কোনো ব্যক্তির পশ্চাতে এমন কোনো কথা বলা, যাতে সেই ব্যক্তি নারাজ হয়।
সাহাবিরা আরজ করলেন যে, নিন্দিত ব্যক্তি যদি সেই দোষে প্রকৃত দোষী হয়ে থাকে? রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর করলেন, তবেই তো গীবত বা কুৎসা রটনা করা হলো। আর যদি ঘটনা সত্য না হয়, তাহলে তা মিথ্যা অপবাদ হবে, যার অপরাধ হিসেবে আরও বেশি গুরুতর।



এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনা রয়েছে : দুজন স্ত্রীলোক রোজা রেখে বড় অবসন্ন ও কাতর হয়ে পড়ল। তাদের এ অবস্থা দেখে সাহাবায়ে কেরাম রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সুপারিশ করলে তিনি তাদের কাছে একটি পেয়ালা দিয়ে এরশাদ করলেন, স্ত্রীলোক দু’জন যেন এতে বমি করে। উভয় স্ত্রীলোক বমি করল। দেখা গেল তাতে কয়েক টুকরো গোশ্ত এবং কিছু তাজা রক্ত বের হয়েছে।
সাহাবায়ে কেরাম রা. এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করলেন, এরা দুজনই হালাল খাদ্য খেয়ে রোজা রাখছিল। কিন্তু রোজা অবস্থায় গীবত করে মরা গোশ্ত হারাম বস্তু ভক্ষণ করেছে।
৫. অশ্লীল কথাবার্তা, গানবাদ্য ইত্যাদি থেকে কানের হেফাজত করা চাই। হাদিসে রয়েছে কুৎসা করা যেমন পাপ, শোনাও তদ্রূপ (মহাপাপ)।
রোজা ইসলামের চতুর্থ স্তম্ভ। অতএব, ওজর ব্যতীত রোজা পরিত্যাগ করা মহাপাপ এবং অত্যন্ত জঘন্য কাজ। এরকম অন্যায় কাজ একমাত্র তারাই করতে পারে, যাদের অন্তরে ইসলামের বিন্দুমাত্র স্থান নেই।
পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Make 100% Verified PayPal account with USA number (Part-1)

আশা করি সবাই ভালো আছেন আল্লাহর রহমতে ______________________________________
❐❐ উপরে টাইটেল দেখে বুঝে গেছেন হইতো। ❐ আমি দেখাবো যে কিভাবে ১০০% Verify PayPal Account খুলবেন। এবং একটি Payonner Account খুলে PayPal Account এর সাথে এড করে ১০০% Verify করবেন। 
❐❐আর আমি দেখাবো কিভাবে PayPal Business Account খুলবেন এবং ১০০% Verify করবেন। ※※※※※※※※※※※※※※※※※※※※ ✓✓নোট যা যা লাগবেঃ
 ১. সর্বপ্রথম আপনার একটি USA Phone Number লাগবে যেটা সব সময় Active থাকে। এখন প্রশ্ন হলো যে এমন নাম্বার কোথায় পাবে?? আমি বলবো আপনারা Textnow, textplus,nextplus, এগুলো App থেকে নাম্বার গুলো ব্যাবহার করবেন না। কারণ এগুলো App এ দেখা যায় অনেক সময় নিয়মিতো না ডুকার Login এর সম্যসা হলে। সেই নাম্বার টা আর পাবেন না। আমি বলবো Dington App টি ব্যাবহার করেন। ওই খানে আপনি একটু সময় নিয়ে 100credit earn করে একটি USA NUMBER কিনতে পারেন যা ১ বছর সময় পাবেন। আমি ও ব্যাবহার করি অনেক ভালো App. এর সর্ম্পকে আরও জানতে google, Youtube এ দেখতে পারেন।



২. আপনার Bank বা Credit Card ছাড়া PayPal Account 100% verify করতে পারবেন না। তার জন্য আমি আপনাদের দেখাবো যে কিভাবে আপনারা Payonner Account খুলবেন। এবং ওই একাউন্ট দিয়ে PayPal এ Add করে আপনি 100% verify করবেন আপনার PayPal Account. 
৩. আপনার একটি GMail Account যেটা দিয়ে আগে কোন PayPal একাউন্ট খুলা হয়নি। আমি বলবো নতুন একটি GMail Account খুললেই ভালো হবে। 
৪. USA Fake Address Stress Address,City,State,&zip code 
♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻ . উপরের এগুলো হলেই বাস হয়ে গেলো। 
❐এখন একাউন্ট খুলার পালা। তার আগে আমি বলে নেই আমি এই পুরো কাজ কি ভাবে কি করতে হয় A-Z দেখাবো ৩টি পার্ট এ বিভক্ত করে। . ✓✓ আজকে দেখাবো কিভাবে আপনারা PayPal Account খুলবেন?? আর আমি দেখাবো Business Account খুলা। ভয় পাবেন না Personal Account এর থেকে Business Account সব দিক দিয়ে ভালো। তো কাজে লেগে পড়ি। 








প্রথমে Chrome Browser Open করুন সার্চ করুন PayPal.com এরপর Desktop Mod করে নিন। এবার সার্চ বারে গিয়ে লিখুন paypal.com/usa তারপর Enter করুন। 


এবার login এ ক্লিক করুন।

 তারপর Business Account Select করুন। এবার আপনার GMail Account টি দিয়ে Continue করুন। 
তারপর পাসওয়ার্ড দিন শুধু সংখ্যা ব্যাবহার করুন এমন (23467428) ৮ টি বা তার বেশি। এখানে আপনার legal সত্যি নাম টা দিন 
1. Fast Name .
 2. last Name . 
3. Business Legal Name এ Last name টা দিলেও হবে। . 
4.Phone Number এর জায়গায় ওই Dington থেকে কিনা নাম্বার টা দিন। যেটা সব সময় Active বা খুলা থাকবে। . 
5. street address টা USA Fake Address থেকে দিন। বা আমি যেটা ব্যাবহার করছি ওইটা ও ব্যাবহার করতে পারেন। . 
6. City এটা Street Address এর ওপর নির্ভর করে দিবেন। . 
7. State দিন এটাও ৬ এর অনুসারে . 
8. ওই State অনুসারে Zip code দিন। তারপর Term Condition এ (✓) দিয়ে Create an Account এ ক্লিক করুন। এখান থেকে USA Fake address ব্যাবহার করুন ›’››››› এবার 
1. Business Type (Individual Select করুন) . 2. Business Category ( আপনার পছন্দ অনুসারে দিন। . 
3.Business subcategory এটা উপরের টার সাথে মিল রেখে দিন। . 


4. আপনার মাসিক ইনকাম টা দিন। . 

5.এটা না দিলেও হবে (optional) _______ তারপর 
1. একটি ৪ সংখ্যার পিন দিন(এটা অব্যশই মনে রাখবেন পরে কাজে দিবে)। . 
2. Date of Birth দিন অব্যশই ১৮ এর উপরে বয়স দিবেন হিসেব করে। . 
3. Home address দিন ওই Street address টা। . 
4. City দেন আগে যা দিয়েছেন ওইটায়। . 
5. State দেন আগে যা দিয়েছেন ওইটায়। . 
6. Zip code. কাজ শেষ এখন Submit এ ক্লিক করুন। এবং আপনার GMail টি চেক করুন একটি Mail যাবে। ব্যাস আপনার GMail verify হয়ে গেলো। এখন বলতে পারেন ভাই ফোন নাম্বার টা কিভাবে Verify করবো। এটা ভাই ওরা একসময় আপনার কাছে চেয়ে verify করে নিবে। তার জন্যই বলছি আমি যে আপনারা একটা Active USA Number ব্যাবহার করবেন।


٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪ . 


আজ এই পযর্ন্ত (পার্ট ২) দেখাবো কিভাবে আপনারা Payonner Account খুলবেন। খুব সহজেই। . আর (পার্ট ৩) দেখাবো কিভাবে Payonner Account এর সাথে PayPal এর লিংক এড করে 100% verify PayPal Account খুলবেন বা সর্ম্পূণ করবেন। . . 
চিন্তার কোন কারণ নেই অন্য পার্ট গুলো আমি তারাতারি দিবো। . আজ এই পযর্ন্ত ভালো থাকবেন সবাই ••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••• ⭐আশা করি পোস্ট টি আপনাদের ভালো লেগেছে।⭐

Friday, 10 May 2019

চলুন জানি মানব সৃষ্টির রহস্য সম্পর্কে…………!!!!

এই মহাবিশ্বে যে আমাদের অজানা কত কিছু আছে আমরা তাও জানিনা। মহান আল্লাহ্‌ যে আমাদের কত কিছু দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তা ভাবলে অবাক লাগে। চলুন আজ একটু জানার চেষ্টা করি মানব সৃষ্টির রহস্য সম্পর্কে।
মহাবিশ্বের একটি বস্তু মলিকিউল বা পার্টিকেল হচ্ছে ডিএনএ। আমরা প্রায়ই সংবাদপত্রে ডিএনএ নিয়ে নানা সংবাদ শিরোনাম দেখি। কিন্তু খুব বেশি মানুষই ডিএনএ কী তা জানার জন্য মাথা ঘামাই না। অথচ মাথা থেকে পা পর্যন্ত আমাদের শরীরের সর্বত্র রয়েছে ডিএনএ’র সদর্প কারসাজি।



কখনো কি নিজেকে প্রশ্ন করে দেখেছি কী করে আমরা পেলাম আমাদের নাক, চোখ, কান, আঙুল ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ? কিভাবে ডিএনএ এসব এনে দিলো? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের আগে জানা দরকার ডিএনএ সম্পর্কে কিছু সরল তথ্য।
ডিএনএ হচ্ছে জেনেটিক কোডের সংক্ষিপ্ত নাম।এটি রাসায়নিক তথ্যের অনুবর্তী ফিতার মতো বস্তু। আমাদের দেহকোষ বা সেলের নিউক্লিয়াসে এর অবস্খান। নিউক্লিক অ্যাসিড নামে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণু বা মলিকিউল দিয়ে ডিএনএ তৈরি। আমাদের ডিএনএ’র এসব ক্ষুদ্রতর অণু একটি সুনির্দিষ্ট ধারাক্রমে সাজানো থাকে, ঠিক যেমনটি সাজানো থাকে একটি বাক্যে একের পর এক অক্ষর।
নিউক্লিক অ্যাসিডগুলোর এই অনুবর্তী রজ্জু বা ফিতা আমাদের দেহকোষগুলোকে বলে দেয় কিভাবে তৈরি হবে আমাদের নাক, চোখ, হাত, পা ইত্যাদি সব কিছু।



আমাদের ডিএনএ’তে যদি এই অনুবর্তী ফিতা না থাকত, তবে এসব কিছুই হতো না। বিজ্ঞান বা রসায়নশাস্ত্রে এমন কোনো নিয়ম নেই যে নিউক্লিক অ্যাসিড কোনো সুনির্দিষ্ট অনুবর্তী বা সিকোয়েন্স মেনে পাশাপাশি থাকবে। যেকোনো একধরনের নিউক্লিক অ্যাসিড অন্য আরেক ধরনের নিউক্লিক অ্যাসিডের সাথে বìধন গড়ে তুলতে পারে।
ডিএনএ’তে কোনো অনুবর্তিতায় নিওনিউক্লিক অ্যাসিডগুলোর অবস্খান করার একমাত্র পূর্ববর্তী নিউক্লিক অ্যাসিড এমনটি করতে নির্দেশ দিয়েছে।
যখন আমাদের শরীরে নতুন কোষের জন্ম হয়, পুরনো কোষের ডিএনএ নতুন কোষের ডিএনএ গঠন নির্দেশ করে। এমনকি একটি সরলতম প্রাণীতেও ডিএনএ’র নিউক্লিক অ্যাসিডগুলো এলোমেলো অনুক্রমে থাকে। একটি বানরকে কম্পিউটারের কি-বোর্ডে বসিয়ে দিলে যেমন এলোমেলোভাবে কী চেপে অক্ষর বসাবে ঠিক তেমনি।



কেউই এমনটি দেখাতে পারেননি যে হঠাৎ করেই ডিএনএ অস্তিত্ব পেয়েছে। ডিএনএ পেতে প্রয়োজন ডিএনএ। অন্য কথায়, আরো ডিএনএ তৈরির জন্য অবশ্য আগে থেকেই ডিএনএ’র উপস্খিতি থাকতে হবে। হ্যাঁ, এ কথা সত্যি, ডিএনএ যে বিশেষ কোনো অণুর জন্ম দেয় তা হঠাৎ করেই জন্ম হতে পারে।
কিন্তু কখনোই এটা দেখানো সম্ভব হয়নি এই অণুবিশেষ যে ডিএনএ তৈরি করে তা হঠাৎ করে অস্তিত্ব পায়নি অণুগুলো পাশাপাশি এসে। এই ডিএনএ-ই হচ্ছে জেনেটিক কোড। মানুষ যদি অর্থপূর্ণভাবে জেনেটিক কোডকে কাজে লাগাতে পারত জিন প্রকৌশলের বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে, তখন তারা জেনেটিক কোডের উৎপত্তি সম্পর্কে আমাদের জানাতে পারত।
আমাদের শরীরের অন্তর্ভুক্ত বস্তু দিয়েই তৈরি আমাদের নাক, চোখ, কান, মগজ, অন্য সব টিস্যু, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কাঠামো। আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত পুরনো কোষ মরে নতুন কোষ জন্ম নিচ্ছে। নতুন কোষ জন্ম দিতে শরীরে যে বস্তু আমরা ব্যবহার করি তা আসে আমাদের খাবার থেকে। খাবার শক্তি বা এনার্জি উৎপাদন করে না। শরীরে নতুন কোষ তৈরিতে খাবার হচ্ছে মূল শক্তি। একটি কোষ একই আকারের বেশ কিছু নতুন কোষ তৈরি করে। আর তা করার একমাত্র উপায় হচ্ছে, খাবার থেকে পাওয়া উপাদান কাজে লাগিয়ে তা করা।



আমরা যখন মায়ের পেটে বেড়ে উঠতে শুরু করি, তার শুরু এক আউন্সেরও কম ওজনের একটি কোষ থেকে। পরে ক্রমান্বয়ে গঠিত হয় আমাদের বাহু, হাত, পা, পায়ের পাতা, মগজ, গুর্দা, ফুসফুস, যকৃৎ, পাকস্খলী­ যতক্ষণ না আমরা পরিপূর্ণ দেহরূপ পাই। একটি একক কোষ থেকে বেড়ে বহু কোষ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে এ কাজ সম্পন্ন হয়।
কিন্তু একটি কোষ থেকে কোটি কোটি কোষ তৈরির মালমসলা আসে কোথেকে, যেখানে নতুন কোষের আকার শুরুর কোষটির মতোই। শুরুতে যেখানে দেহের ওজন ছিল এক আউন্সেরও কম, সেখানে পূর্ণদেহী মানুষ হয় এর চেয়ে বহু গুণ বেশি ওজনের। নতুন কোষের মালমসলা আসে গর্ভবতী মা যা খান তা থেকে।



খাবার হজম হওয়ার পর তা ভেঙে জন্ম নেয় মৌলিক কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড। বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড তখন নতুন করে একটি অনুক্রমে পাশাপাশি বসে তৈরি করে বিভিন্ন টিস্যু [ঝিল্লি] বা অর্গান [ইন্দ্রিয় অঙ্গ]। এই অ্যামাইনো অ্যাসিডের অনুক্রম কী হবে তা নির্ধারণ করে ডিএনএ’র অনুক্রমের মাধ্যমে।

আমাদের সব ইন্দ্রিয় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পুরোপুরি গঠিত হওয়ার পরও দেহকোষ মরে যায়। এই মৃত দেহকোষ প্রতিস্খাপিত হয় নতুন জন্ম নেয়া কোষ দিয়ে। আর খাবারই অনুঘটকের কাজ করে এই নতুন কোষ গঠনে। অতএব আপনি যখন আপনার কুকুরকে একটি মাংস খাওয়ান, আপনার কুকুরের ডিএনএ এটুকু নিশ্চিত করে যে, এই মাছের অথবা গোশতের ফালিকে হজম করে তা ভেঙে কুকুরের বিভিন্ন দেহাংশ গঠনে সাহায্য করে। কিন্তু যখন আপনি নিজে একই স্টিক খান, তখন আপনার ডিএনএ তা হজম করে মানবদেহের পুনর্গঠন নিশ্চিত করে।

একটি মুরগির ডিমের ডিএনএ’তে অণুর অনুক্রম মুরগির ডিমের খাদ্যবস্তুকে পরিণত করে গাঢ় ছোট্ট ছোট্ট গুটিতে। এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির ডিএনএ’র অনুক্রম ভিন্ন। এক প্রজাতির থেকে আরেক প্রজাতির ডিএনএ-ও ভিন্ন। বিষয়টি বোঝার জন্য একটি লাইব্রেরির কথা ভাবুন, যে লাইব্রেরিতে সব বই-ই একই ভাষার।



কিন্তু বিভিন্ন বই বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। সব বইয়ে আছে একই বর্ণমালা। কিন্তু অক্ষরগুলো সাজানো বিভিন্ন অনুক্রমে বিভিন্ন বইয়ে। এই অনুক্রমই একটি বইকে করেছে অন্যটি থেকে আলাদা। সে জন্য একটা উপন্যাসকে আমরা আলাদা করতে পারছি একটি বিজ্ঞানের বই থেকে।
তা সত্ত্বেও জীববিজ্ঞানের একটা মজার বিষয় হচ্ছে, প্রজনন কোষগুলো বাদে আমাদের দেহের সব কোষে রয়েছে গোটা দেহে পূর্ণ তথ্য। তার পরও আপনার কোষের সব ডিএনএ’র সব তথ্য প্রকাশ কিংবা সঞ্চালিত হতে দেয় না। উদাহরণ টেনে উল্লেখ করা যায়, আপনার চুলের একটি কোষে রয়েছে আপনার চোখের, মগজের, গুর্দার, চামড়ার ও অন্যান্য ইন্দ্রিয় অঙ্গের পূর্ণ জেনেটিক ইনফরমেশন। তা সত্ত্বেও চুলের কোষে শুধু চুলের জেনেটিক তথ্য প্রকাশ করতে দেয়া হয়। বাকি তথ্যগুলোর প্রকাশ ও সঞ্চালন বìধ রাখা হয়। অবশ্য এটি আমাদের জন্য ভালো যে, আমাদের শরীরের কোষগুলোকে সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। তা না হলে আমাদের দেহে সৃষ্টি হতো জৈবিক দ্বন্দ্ব বা বায়োলজিক্যাল ক্যাওস। আমাদের দেহকোষের অনেক কিছুই এখনো অনুদঘাটিত রয়ে গেছে। আধুনিক বিজ্ঞান এখনো তত দূর পৌঁছতে পারেনি।



কিন্তু আমরা আমাদের কোষ সম্পর্কে যতই বেশি জানছি, ততই এর কাজ ও সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে অবাক হচ্ছি। বুঝতে পারছি, ডিএনএ কী বিস্ময়কর এক সৃষ্টি! যখন বিজ্ঞানীরা জিন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান, তখন তারা ডিএনএ অণুর বিভিন্ন অংশ নিয়েই পরীক্ষা করেন।

‘হিউম্যান জেনোম প্রজেক্ট’-এর লক্ষ্য ডিএনএ’র কোথায় বিভিন্ন জিন অবস্খান করে। একমাত্র এ উপায়েই আমরা জেনিটিক সমস্যা সমাধানের বিষয়টি বুঝতে শুরু করতে পারি। ত্রুটিপূর্ণ জিন আসে মিউটেশনের মাধ্যমে। মিউটেশন হচ্ছে জেনেটিক কোডের অনুক্রমের দুর্ঘটনাজনিত পরিবর্তন। বিকিরণ কিংবা অন্যান্য পারিবেশিক শক্তির কারণে এ ধরনের পরিবর্তন ঘটে।
যেহেতু এগুলো জেনেটিক কোডের দুর্ঘটনা, সে জন্য প্রায় সব মিউটেশনই ক্ষতিকর। এমনকি যদি একটি ভালো মিউটেশনও ঘটে, তবে প্রতিটি ভালো মিউটেশনের জের ফলে থাকবে শত শত ক্ষতিকর প্রভাব­ কোনো প্রজাতির জন্য তা ভয়াবহ ক্ষতিকর না হলেও। প্রকৃতিবাদীরা মনে করেন, দীর্ঘ সময় ধরে পর্যাপ্ত মিউটেশনের মধ্যে নতুন প্রজাতির নতুন জিন সৃষ্টি হবে এবং প্রাকৃতিক নির্ধারণের মাধ্যমে আবারো নতুন ধরনের প্রাণের সৃষ্টি হবে।
এমন কোনো প্রমাণ নেই যে, জেনেটিক কোডের দুর্ঘটনাজনিত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তেমনটি ঘটবে। যেমনটি সম্ভাবনা নেই একটি উপন্যাস ভুল ছাপার কারণে অক্ষর এলোমেলো হয়ে তা রূপ নেবে বিজ্ঞানের বইয়ে। নিদেনপক্ষে এমনটি হতে বিদ্যমান জাতের প্রাণীর বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভব ঘটতে পারে। কিন্তু পুরোপুরি নতুন প্রাণী জন্ম নেবে, তা নয়। যেমন মানুষের চুলের জিন পরিবর্তন হয়ে মানুষের অন্য ধরনের চুলের জন্ম হতে পারে। তবে সম্ভাবনা এমন নেই যে এই চুলের জিন পরিবর্তন হয়ে তা রূপ নেবে পালক কিংবা অন্য কিছুতে।




প্রায় সব ধরনের জৈবিক ভিন্নতার পেছনে রয়েছে ইতোমধ্যে বিদ্যমান জিনের নতুন নতুন বিন্যাস, মিউটেশন নয়। মিউটেশনকে আমরা বরাবরই দেখে আসছি ক্ষতিকর বলে। খুব কম মিউটেশনই আছে যেগুলো ক্ষতিকর নয়। এগুলো জেনেটিক জটিলতা বাড়ায় না।

ধন্যবাদ সবাইকে......