Showing posts with label Technology Updates. Show all posts
Showing posts with label Technology Updates. Show all posts

Monday, 19 August 2019

স্যাটেলাইট কি? কিভাবে কাজ করে? এর ভিতরে কি থাকে? সম্পূর্ণ তথ্যবহুল পোস্ট। What is satellite? How does it work? What is inside it? Full Info about Satellite.

2 Comments so far
আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন।

Monday, 27 May 2019

মঙ্গল গ্রহে যেতে চান? চাইলে আপনার নামটি পাঠিয়ে দিতে পারেন মঙ্গল গ্রহে!

Be the first to comment!
মঙ্গল গ্রহে যেতে চান? ফেইক না, সত্যি ভাই..
হ্যা চাইলে আপনার নামটি পাঠিয়ে দিতে পারেন মঙ্গল গ্রহে!
মার্স ২০২০ রোভারে করে পাঠানো হবে রেজিষ্ট্রেশন করা ব্যক্তিদের নাম।
এর আগেও নাসা দুবার এধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলো, এর আগে মার্স ইনসাইট নামক নভোজানে করে প্রায় ২৪ লাখ ২৯ হাজার ৮০৭ জন পৃথিবীবাসীর নাম পাঠানো হয়েছিলো, এর মাঝে ১৫ জন বাংলাদেশীর নামও রয়েছে।
এতে আপনি আর্থিকভাবে লাভবান হবেন না, তবে ২২৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরের একটি গ্রহে আপনার নাম আছে এটা ভেবে একটু হলেও পুলকিত বোধ করবেন।
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া একদম সহজ।

"নাসার ওয়েবসাইট" এ গিয়ে আপনার নাম, দেশের নাম, ইমেইল এড্রেস, আর পোষ্টাল কোড দিয়ে Send My Name to Mars এ ক্লিক করলেই কাজ শেষ।


 মার্স ২০২০ রোভারের ভার্চুয়াল যাত্রী হিসেবে আপনাকে একটি ভার্চুয়াল টিকিট দেয়া হবে। আমার টিকেটটি ☆
নাসা সবসময় এমন সুযোগ দেয় না, সুযোগ থাকতে মঙ্গল গ্রহের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করুন, হয়ে যান মার্সিয়ান।
শুভকামনা রইল সবার প্রতি।


Tuesday, 21 May 2019

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য কেমন কনফিগারেশন এর ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ নিবেন দেখুন

1 Comment so far

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ভাল কম্পিউটার কনফিগারেশন কি? ল্যাপটপ নাকি ডেক্সটপ কিনবো? কত দামি কম্পিউটার লাগবে গ্রাফিক ডিজাইন করতে? গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্যে কেমন ধরনের কম্পিউটার কিনলে ভালো হবে? যা দিয়ে গ্রাফিক্সের সকল কাজ করা যাবে। বাজেট কত হলে ভালো হবে? কোন ব্রান্ডের ল্যাপটপ নিলে ভালো হবে মুটামটি কম দামের ভিতরে? ডেস্কটপ হলে ভাল হবে নাকি ল্যাপটপ? আর কি কি কনফিগারেশন বা স্পেসিফিকেশন থাকলে ভাল হয়?
বর্তমানে যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ফ্রিল্যান্সিং করছেন বা করতে চান তাদের কয়েকটি কমন প্রশ্ন এগুলো।
গ্রাফিক ডিজাইন যারা শিখছেন, অথবা শিখার পর কাজ করার চেষ্টা করছেন, তারা অনেকেই দ্বিধার মধ্যে থাকে যে কি ধরনের কম্পিউটার দিয়ে কাজ করলে ভাল হয়, যাদের কম্পিউটার নেই যারা কম্পিউটার কিনবে তারাও হয়ত বুঝতে পারে না, কি রকম কম্পিউটার কিনলে আসলে ভাল হয়। কত দামের কম্পিউটার কিনলে প্রোফেসনাল গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজ করা যাবে। অনেকেই পুরাতন কম্পিউটার আপগ্রেড করতে চান। আশা করছি এই লেখাটা তাদের উপকারে আসবে। নিচে গ্রাফিক ডিজাইন কাজের জন্য উপযুক্ত কম্পিউটার এর বিভিন্ন পার্টস এর মান এবং মূল্য এর একটি ধারনা দেয়া হল:

মাদারবোর্ডঃ

অনেক কোম্পানির মাদারবোর্ড রয়েছে তবে এর মধ্যে গিগাবাইট এর মাদারবোর্ড অপেক্ষাকৃত ভাল। গিগাবাইটের ২৫০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকার মাদারবোর্ড রয়েছে। আপনি যেহেতু 2D গ্রাফিক্স এর কাজ করবেন, তাই সাধারণত ৭০০০ থেকে ১৫০০০ এর মধে ভাল মানের মাদার বোর্ড পেয়ে যাবেন। আর 3D গ্রাফিক্স এনিমেশনের কাজ করলে আরো দামী মাদারবোর্ড নিতে পারেন। মাদার বোর্ড আপনাকে প্রসেসর এর সাথে মিল রেখে কিনতে হবে, আপনি যদি ইন্টেল এর প্রসেসর ব্যবহার করেন তাহলে ইন্টেল এর মাদার বোর্ড ব্যবহার করবেন।



প্রসেসরঃ

গ্রাফিক্সের কাজের জন্য প্রসেসর ও হতে হবে ভাল মানের। সাধারনত বাংলাদেশে মানুষজন Intel অথবা AMD প্রসেসর ব্যবহার করে। এর মধ্যে Intel ভাল, আপনি Intel core i5 / Intel core i7 প্রসেসর কিনতে পারেন। প্রসেসর কেনার ক্ষেত্রে Processor Generation & GHz দেখে কিনবেন। যখন পিসি কিনবেন তখনকার সময়ের Generation বা তার কাছাকাছি জেনারেশন এর প্রসেসর কিনবেন। যেমন বর্তমানে 7th Generation এর প্রসেসর পাওয়া যায়। গ্রাফিক ডিজাইন করার জন্য প্রসেসর খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। প্রসেসর কম্পিউটার এর বেশির ভাগ কাজ পরিচালনা করে। আপনার কম্পিউটারের প্রসেসর যদি কম হয় তাহলে আপনি যখন অনেকগুলি ফাইল বা প্রোগ্রাম একসাথে ওপেন করে কাজ করতে চান তাহলে কম্পিউটার এর গতি কমে আসবে, এবং কম্পিউটার হ্যাং ও করতে পারে তবে মনে রাখবেন অনেক ভাল প্রসেসর অনেক দাম পড়ে যাবে তাই প্রথমে র‍্যাম এর ব্যাপারটি নিশ্চিত করে প্রসেসর এর ব্যাপার এ সিদ্ধান্ত নিন।

র‌্যামঃ

র‍্যামকে গুরুত্ব দিন প্রসেসর এর থেকেও বেশি। তবে ভাল মানের প্রসেসর এর কার্যক্ষমতা বাড়াতে তার প্রধান মেমরী বা র‌্যাম যত বেশি হবে তত কম সময়ে প্রসেসিং হবে। গ্রাফিক ডিজাইন এ ফটোশপ অনেক জনপ্রিয় একটা সফটওয়্যার আর ফটোশপ চালাতে মেমরি বেশি প্রয়োজন হয়। তাই আপনি যদি বেশি করে র‍্যাম নিয়ে লাগান তাহলে খরচ কম পড়বে। ফটোশপ সব সময় অনেক ডাটা নিয়ে কাজ করে আর এই ডাটাগুলো কম্পিউটার র‍্যাম এ জমা থাকে তাই র‍্যাম এর স্পেস বেশি থাকা প্রয়োজন। আপনি যখন অনেক বড় বড় ফাইল নিয়ে কাজ করবেন যেমন আপনার বায়ার আপনাকে এমন ও ছবি দিবে যেগুলির এক একটার সাইজ ৫০ মেগা থেকে শুরু করে ১৫০ মেগাবাইট পর্যন্ত অথবা তার ও বেশি হতে পারে, তারপর আপনি যখন সেই ছবি এডিটিং করা শুরু করবেন সেখানে আরও কিছু উপাদান যোগ হলে আপনার মেগা বাইট এর পরিমান আরও বেড়ে যাবে আর আপনার র‍্যাম যদি কম হয় তাহলে প্রোগ্রাম হয়ে যাবে স্লো, সেটা আপনার এবং বায়ার কারো জন্য ভাল হবে না। তাই আমি বলবো কাজের উপর নির্ভর করে আপনার র‍্যাম ৮-১৬ গিগাবাইট এর মধ্যে নেয়ার চেষ্টা করেন।
আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আপনি যদি উইন্ডোজ এর ৬৪ বিট ব্যবহার করেন আর ফটোশপ ও ৬৪ বিট এ ইন্সটল না করেন তাহলে বেশি র‍্যাম আপনার কম্পিউটারে কোন কাজে আসবে না। ৮ GB র‍্যাম 4000-4500 মধ্যে ভাল ব্রান্ড এর র‍্যাম পাবেন আপনি যদি মনে করেন আপনি ১৬ গিগাবাইট ব্যবহার করবেন সে ক্ষেত্রে আপনি ৮ গিগাবাইট এর দুইটি র‍্যাম একসাথে ব্যবহার করতে পারেন। কোর সিরিজের প্রসেসর আর ৪ জিবির উপর র‍্যাম থাকলে কাজে দারুন গতি আসে।
একটা বেশী আরেকটা কম হলে কাজ ঠিকমত হবে না, কাজের জন্য দুটোর মিলবন্ধন দরকার। আর গ্রাফিক্স কার্ড(জিপিইউ) খুব গুরুত্বপুর্ণ যদি থ্রিডি বা অন্য কোন চাপের কাজ করতে চান। মনে রাখবেন CORE i3 +8GB RAM is surely better than CORE i7+4 GB RAM। সবসময় RAM বেশি নেওয়ার চেষ্টা করবেন সম্পূর্ণ configuration অনুযায়ী।
বাজারে অনেক কোম্পানির র‌্যাম পাওয়া যায় আপনি Twinmos / Apacer / A Data কোম্পানির DDR3/DDR4 ভার্সনের ৮ জিবি র‌্যাম নিতে পারেন।

হার্ডডিস্কঃ

1TB Harddisk নিতে পারেন। আপনি হার্ডডিস্ক যতই নেন না কেন C ড্রাইভের জন্য ১২০/১২৮ GB SSD হার্ডডিস্ক নিবেন, কম্পিউটার কয়েক গুন বেশী ফাস্টার/দ্রতগতী হবে।

মনিটরঃ

মনিটর 22″ হলে ভাল হবে। Dell/HP/Asus ব্রান্ড মনিটর নিলে ভাল হবে। বর্তমানের বেশিরভাগ গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা Dell S2218H 21.5 Inch Full HD LED Borderless ব্যবহার করে। এটি ১০, ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

গ্রাফিক্স কার্ডঃ

আপনার বাজেট ভাল হলে আপনি আলাদা ভাবে গ্রাফিক কার্ড লাগাতে পারেন কিন্তু গ্রাফিক্স কার্ড বেশ দামি তাই আমি বলবো আপনি থ্রিডি এনিমেশন অথবা ভিডিও এডিটিং এর দিকে না গেলে মাদার বোর্ড এর সাথে যে গ্রাফিক কার্ড থাকে সেটাই যথেষ্ট। তবে আপনি যদি আলাদা গ্রাফিক কার্ড লাগাতে চান তাহলে বলবো আপনি OpenCL capable GPU, CUDA cores দরকারি নয়। অ্যাডোব CS6 Mercury ইঞ্জিন নিয়ে এসছে যেটা OpenGL and OpenCL এর কাজ করে। তাই nVidia কার্ড সাথে CUDA cores দরকার নেই।

কম্পিউটর মনিটর:

আপনি বেশি স্পেস এর র‍্যাম নিলেন, ভাল মানের প্রসেসর নিলেন, ভাল মানের গ্রাফিক কার্ড নিলেন কিন্তু দেখা গেল আপনার মনিটর এর মান ভাল না তাহলে আসলে কোন লাভ নেই। তাই ভাল কালার সিস্টেম এর মনিটর মিনিমাম ১৯২০x১২০০ পিক্সেল ডাইমেনশন। ২১-২৪ ইঞ্চি সাইজ। কালার কেলিব্রাটর সেট আপ করে নিন যদি আপনি প্রিন্ট ডিজাইন এর কাজ করেন, কারন অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় আপনি মনিটর এ যে কালার দেখছেন প্রিন্ট করার পর সে রকম কালার পাওয়া যায় না। আপনি মার্কেট এ অনেক ব্রান্ড ই মনিটর পাবেন, ভাল হয় ২১-২৪ ইঞ্চি এর মধ্যে মনিটর ব্যবহার করলে কিন্তু সাইজ এর থেকে ও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল কালার এর ব্যাপারটি। আপনি Samsang অথবা Dell এর মধ্যে ১০-১২ হাজার টাকায় চমৎকার HD monitor পেয়ে যাবেন।

কিবোর্ড/মাউস:

লংটাইম ব্যবহারের জন্য A4 Tech কিবোর্ড ও মাউস ভাল হবে।
সব মিলিয়ে বলা যায় আপনি যদি ৩০-৩৫ হাজার টাকার মধ্যে গ্রাফিক ডিজাইন এর জন্য পারফেক্ট একটা পরিপূর্ণ কম্পিউটার পেতে পারেন। আর আপনি যদি আপগ্রেড করতে চান তাহলে ১৫-২০ হাজার টাকার মধ্যে আপনি আপগ্রেড করাতে পারবেন।
কম্পিউটার কেনার আগে ঠিক করে নিন আপনার কাজের ক্ষেত্র আপনি যখন নতুন কম্পিউটার কিনবেন অথবা কম্পিউটার আপগ্রেড করবেন আমার মতে আপনি আগে বের করুন আপনি গ্রাফিক ডিজাইন কোন কাজ এর জন্য করবেন। আপনি যদি মাত্র গ্রাফিক ডিজাইন শুরু করে থাকেন অথবা শুরু করবেন ভাবছেন তাহলে আপনার যদি কম্পিউটার থাকে তাহলে যেটা আছে সেটা দিয়ে এই শুরু করতে পারবেন সেটা একদম সাধারন কম্পিউটার হলে ও সম্ভব। আপনি যখন সম্পূর্ণভাবে প্রফেশনালি শুরু করবেন তখন আপনাকে কম্পিউটার আপগ্রেড করতে হবে। আর সে ক্ষেত্রে এমন ও না আপনার খুব উচ্চমানের কম্পিউটার লাগবে। আপনি ঠিক করেন আপনি কোন কাজটি করবেন আপনি যদি ফটোশপ এর কাজ করেন তাহলে আপনাকে ফটো এডিটিং এর কাজগুলি বেশি করতে হবে আর সে ক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটার এর মান অনেক ভাল হতে হবে আর আপনি যদি লোগো ডিজাইন, প্রিন্ট ডিজাইন এর কাজের কথা চিন্তা করেন তাহলে আপনাকে Adobe Illustrator অথবা Corel draw এর কাজ বেশি করতে হবে যার জন্য খুব উচ্চমানের কম্পিউটার প্রয়োজনীয় নয়।

ল্যাপটপ না ডেক্সটপ কিনবেন?

অনেকেই বলেন গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ডেক্সটপ ভাল, আসলে এমন কোন কথা নেই যে ডেক্সটপ গ্রাফিক্স ডিজাইনের ল্যাপটপ ভাল না। আমার আসলে কম বাজেটের মধ্যে অনেক ভাল ডেক্সটপ কনফিগারেশন পেয়ে যাই তাই বলে থাকি ডেক্সটপ ভাল। যেমন একটি ভাল মানের ডেক্সটপ ৪০-৫০ হাজার দিয়ে নেয়া সম্ভব কিন্তু আমি যদি সেমই কনফিগারেশন ল্যাপটপ কিনতে চাই তাহলে ১ লাখের কাছাকাছি খরচ হবে, তাই আমরা এই মানের ল্যাপটপ না কিনে ডেস্কটপ কিনি তাই বলে থাকি গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ডেক্সটপ ভাল।

আসলে দুটোরই অনেক ভালো-মন্দ বিষয় আছে। তবে আমার মতে গ্রাফিক্স ডিজাইনে স্পিডে কাজ করতে চাইলে ৬০ হাজার ৮০ হাজার বা এক লাখের মধ্যে ল্যাপটপ কেনেন বাজেট ৫০ হাজারের নিচে হলে ডেক্সটপ কেনেন। আপনি এই ডেস্কটপ দিয়ে ১ লাখ টাকার ল্যাপটপ এর স্পিড পাবেন। অনেক ফ্রিল্যান্স গ্রফিক্স ডিজাইনাররা MacBook Pro ব্যবহার করেন, আপনার বাজেট ভালো থাকলে অ্যাপল এর MacBook Pro কিনতে পারেন। এটা জেনারেল ডেস্কটপ থেকে বেশি ভাল পারফরম্যান্স দেয়। তার মানে আসল বিষয় হচ্ছে কনফিগারেশন।

Thursday, 16 May 2019

ফ্রিল্যান্সিং হবে সহজ যদি থাকে স্বাধীন কার্ড

Be the first to comment!

ফ্রিল্যান্সিং হবে সহজ, যদি থাকে "স্বাধীন" কার্ড

আপনার কষ্টার্জিত টাকা বৈধ উপায়ে দেশে আনতে পারবেন কারন BASIS এবং Bank Asia LTD মিলে এই Card বাংলাদেশ এ চালু করেছেন।







এই Card ব্যবহার করে Freelancer রা তাদের টাকা $ লেনদেন করতে পারবেন।
“স্বাধীন” কার্ডের সুবিধা :
ব্যাংক এশিয়া “স্বাধীন” মাস্টারকার্ড একটি ডুয়েল কারেন্সি কার্ড। আপনি বাংলাদেশি “টাকা” এবং ইন্টারন্যাশনাল “USD” কারেন্সী তে লেনদেন করতে পারবেন।
ব্যক্তি এবং কোম্পানি উভয় নামে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।
অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ৭০% পর্যন্ত “স্বাধীন” কার্ডে রেখে দেয়ার সুবিধা যার মাধ্যমে অনলাইন বা ই-কমার্স লেনদেন করার সুযোগ থাকছে।
কার্ড হোল্ডারদের জন্য বীমা সুবিধা থাকছে।
শতভাগ দেশিয় মুদ্রায় রূপান্তরের সুযোগ যার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ফ্রিল্যান্সারদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পূর্ণ ব্যবহার ও বিনিয়োগ নিশ্চিত হবে।
দেশে এবং দেশের বাইরে ATM এবং POS মেশিনের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন এবং পেমেন্ট সুবিধা
ই-কর্মার্স এবং অনলাইনে সব ধরনের কেনাকাটা (বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক)
কার্ডে মাইক্রোচিপ সংযুক্ত থাকবে যা, ডাটা সিকিউরিটি এনশিওর করবে
টাকা জমা, পেমেন্ট আসা এবং টাকা উত্তোলন সহ প্রতিবার ট্রানজেকশনে ফ্রি SMS এলার্ট
২৪ ঘন্টা কল সেন্টার সার্ভিস


স্বাধীন কার্ড নেওার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র:
পূরণকৃত কার্ড আবেদন পত্র
জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স
TIN সার্টিফিকেট/ ট্যাক্স রিটার্ন কপি
দুই কপি রঙিন ছবি
কাজের আদেশ/ মার্কেট প্লেস ID নম্বর/ পেমেন্ট রিসিভ কপি/ ফ্রিলান্সিং নিশ্চিত করা কাগজ পত্র
স্বাধীন কার্ড এর Application Form Click Here

তৈরি করুন নিজস্ব ওয়েবসাইট বিনামূল্যে

2 Comments so far
ওয়েবসাইট বর্তমান প্রজন্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ওয়েবসাইটের কোনো বিকল্প নেই। একটি ওয়েবসাইট আপনার প্রতিষ্ঠানকে পরিচিত করাতে পারে সমগ্র বিশ্বের সাথে অন্য যে কোনো উপায়ের চেয়ে দ্রুত ও সহজে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এই প্রজন্মে ওয়েবসাইটই পারে আপনার প্রতিষ্ঠানের তথ্যাদি সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য ওয়েবসাইট। এসব সাইটের একেকটি একেক ধরনের উদ্দেশ্যে তৈরি। এগুলোর কোনোটা ব্যক্তিগত, কোনোটা প্রাতিষ্ঠানিক।

ইচ্ছা করলে আপনিও আপনার প্রতিষ্ঠানের কিংবা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। তবে আমরা জানি ওয়েবসাইট তৈরি করা একটি ব্যয়সাপেক্ষ ব্যাপার। প্রথমে আপনার সাইটের জন্য প্রয়োজন হবে নিজস্ব নাম যাকে ডোমেইন বলা হয়ে থাকে। এই ডোমেইনটি আপনাকে কিনতে হবে। এখানেই শেষ নয়। ডোমেইন ক্রয়ের পর আপনাকে হোস্টিংয়ের জন্যও দ্বারস্থ হতে হবে বিভিন্ন কোম্পানির।
হোস্টিং হচ্ছে একটি জায়গা বা স্থান যেখানে আপনার সাইটের কন্টেন্ট যেমন ছবি, অডিও-ভিডিও ইত্যাদি সংরক্ষিত থাকে। এই হোস্টিংয়েও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্ল্যান। সর্বনিম্ন ২০ মেগাবাইট থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাইজের হোস্টিং কিনতে পারবেন আপনি। ডোমেইন ও হোস্টিং পেলে তারপরই আপনি আপনার সাইট প্রকাশ করতে পারবেন।


কিন্তু ইন্টারনেটে এমন কিছু সেবাদাতা ওয়েবসাইট আছে যারা আপনাকে সহজেই ওয়েবসাইট তৈরির সুযোগ দেবে। ওয়েবসাইট তৈরিতে সাধারণত কোডিংয়ের প্রয়োজন হয় কিন্তু এসব সেবার মাধ্যমে আপনি কোনোপ্রকার কোডিং ছাড়াই আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। শুধু এতটুকুই নয়, এইসব সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আপনাকে বিনামূল্যে সাইট তৈরি করার সুযোগও দেবে।
তবে সেসব সেবায় অবশ্য কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। যেমন, আপনাকে সাবডোমেইন দেয়া হবে, আপনার সাইটে বিজ্ঞাপণ দেয়া হতে পারে ইত্যাদি। তো, আসুন জেনে নিই তেমন কিছু জনপ্রিয় ও বিখ্যাত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কথা।

ফিফটি ওয়েবস (http://www.50webs.com/)

প্লেইন এইচটিএমএল দিয়ে তৈরি ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম হচ্ছে ফিফটি ওয়েবস। ফিফটি ওয়েবসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে নো অ্যাডস বা কোনো বিজ্ঞাপণ না দেয়া। সাধারণ কোডিংয়ে তৈরি (যেমন ফ্রন্টপেজ ব্যবহার করে তৈরি ওয়েবসাইট) সাইট হোস্টিংয়ের জন্য অনন্য একটি সার্ভিস হচ্ছে ফিফটি ওয়েবস। ফিফটি ওয়েবসের প্রিমিয়াম ও ফ্রি উভয় ধরনের সেবাই আছে। যেহেতু আমরা বিনামূল্যে ওয়েবসাইট তৈরি করতে যাচ্ছি, তাই আসুন জেনে নিই ফিফটি ওয়েবসের ফ্রি ওয়েব হোস্টিং পরিকল্পনায় কী কী আছে।
ফিফটি ওয়েবস ব্যবহার করলে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ৬০ মেগাবাইট পর্যন্ত জায়গা। বিজ্ঞাপণমুক্ত পরিবেশে সাইট নির্মাণের সুবিধা প্রদানকারী এই সার্ভিসে আপনি আপনার ফাইল আপলোড করার জন্য পাবেন একটি এফটিপি অ্যাকাউন্ট যাতে এক্সেস নেয়া যাবে যে কোনো কম্পিউটার থেকে। আনলিমিটেড ব্যান্ডওয়াইডথ ও পপ-থ্রি সার্ভার ছাড়াও ফিফটি ওয়েবস ব্যবহারকারীরা পাবেন সহজ কন্ট্রোল প্যানেল ও ওয়েবভিত্তিক ফাইল ম্যানেজার।
এছাড়াও ছোটখাট সম্পাদনার জন্য রয়েছে বিখ্যাত এডিটর। এছাড়াও প্রতিটি অ্যাকাউন্টের সাথে পাবেন একটি করে ইমেইল অ্যাকাউন্ট। ফিফটি ওয়েবসে অ্যাকাউন্টের জন্য তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফ্রি প্ল্যানে সাইন আপ বাটনে ক্লিক করুন। তারপর ইউজ এ সাবডোমেইন এ টিক দিয়ে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন এবং প্রদর্শিত ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করুন। লক্ষ্য করুন, ফিফটি ওয়েবসে সাইট তৈরি করার পর আপনাকে একটি সাবডোমেইন দেয়া হবে। যেমন : http://yoursitename.50webs.com/
ফ্রি হোস্টিয়া (http://www.freehostia.com)
ফ্রি হোস্টিয়া হচ্ছে ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য অনন্য একটি সেবা। যারা ওয়েবসাইট তৈরিতে একটু অ্যাডভান্সড, যারা পিএইচপি দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান কিংবা যারা সিএমএস জুমলা, দ্রুপাল কিংবা ব্লগ ইঞ্জিন ওয়ার্ডপ্রেস, মুভেবল টাইপ ইত্যাদি ইন্সটল করে ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য ফ্রি হোস্টিয়া হচ্ছে পারফেক্ট একটি সার্ভিস। প্রায় সবধরণের সুবিধাসম্পন্ন এই সার্ভিসের আওতায় আপনি পাবেন একটি সাবডোমেইন ও ২৫০ মেগাবাইট জায়গা। কোনো সেটাপ ফি নেই এবং মাসিক ব্যান্ডওয়াইডথ হচ্ছে ৫ গিগাবাইট। সর্বোচ্চ দশটি সাবডোমেইন রেজিস্টার করতে পারবেন আপনি ফ্রি হোস্টিয়া ব্যবহার করে এবং একটি মাইএস.কিউ.এল ডাটাবেস পাবেন যার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা হবে ১০ মেগাবাইট। পপ-থ্রি অ্যাকাউন্ট পাবেন তিনটি এবং এফটিপি অ্যাকাউন্ট পাবেন একটি।
এছাড়াও আপনি ফ্রি হোস্টিয়ার ব্যবহারবান্ধব ওয়েববেসড ফাইল ম্যানেজারও ব্যবহার করতে পারবেন সহজেই। ৯৯.৯% আপটাইমের গ্যারান্টিসহ ফ্রি হোস্টিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় সেবা হচ্ছে ফ্রি স্ক্রিপ্ট ইন্সটলেশন। সাধারণত জুমলা বা ওয়ার্ডপ্রেস জাতীয় ইঞ্জিন ইন্সটল করতে হলে আপনাকে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে মূল ফাইলটি ডাউনলোড করতে হবে এবং ডিকম্প্রেস করার পর এফটিপি ক্লায়েন্স ব্যবহার করে আবার তা আপলোড করতে হবে আপনার এফটিপিতে। কিন্তু ফ্রি হোস্টিয়া ব্যবহারকারীদের এই ঝামেলা নেই। একটি ক্লিকের বিনিময়েই আপনি বিখ্যাত ব্লগ ইঞ্জিন ওয়ার্ডপ্রেস, টেক্সটপ্যাটার্ন, মুভেবল টাইপ, বি২ইভ্যুলেশন ইত্যাদি, সিএমএস জুমলা, দ্রুপাল, ওপেন রিয়েলটি, নিউক্লিয়াস ইত্যাদিসহ প্রায় ৩৪টি বিভিন্ন ধরনের ইঞ্জিন ইন্সটল করতে পারবেন।


ফ্রিহোস্টিয়ায় ওয়েব হোস্ট করলে আপনার সাইটে কোনো বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করা হবে না। ফ্রিহোস্টিয়ায় আপনি ফিফটি ওয়েবসের মতই সাবডোমেইন পাবেন। আপনার সাবডোমেইন হবে এরকম: http://aisajib.freehostia.com।
তবে ফ্রিহোস্টিয়ায় যদি আপনি সাইট তৈরি করেন, তাহলে আপনাকে প্রতি বছর আপনার অ্যাকাউন্টকে নবায়ন তথা রিনিউ করে নিতে হবে।

জাইমিক ফ্রি হোস্টিং (http://www.zymic.com/)

ফ্রি হোস্টিয়ার মত জাইমিক ফ্রি হোস্টিংও একটি জনপ্রিয় ওয়েব ডেভেলপিং সেবা যেখানে আপনি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন। জাইমিক প্রিমিয়াম সার্ভিসের পাশাপাশি বিনামূল্যের সেবায় আপনাকে দিবে ৫০০০ মে.বা. এর এক বিশাল স্পেস। পিএইচপি মাইএডমিন ও ৫টি মাইএসকিউএল ডাটাবেসের সুবিধা সম্বলিত জাইমিক ফ্রি হোস্টিংয়ে সাবডোমেইনে যত ইচ্ছে ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন।
এটি ফ্রি হোস্টিয়ার মত কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বা এই জাতীয় ইঞ্জিন সাপোর্ট করে তবে এক্ষেত্রে আপনাকে অন্য একটি এফটিপি ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও ছোটখাট সম্পাদনা, ফাইল আপলোড বা ডিলিটের জন্য জাইমিকের আছে ওয়েববেসড ফাইল ম্যানেজার।
মাইএসকিউএল ডাটাবেস সেটিংসের জন্যও আছে ওয়েববেসড মাইএসকিউএল ম্যানেজমেন্ট সুবিধা। আপনার সাইটের স্ট্যাটিস্টিকস সম্বন্ধে আপনাকে আপডেটেড রাখার জন্য জাইমিকের আছে নিজস্ব ওয়েবকাউন্টার, ওয়েবএলাইজার যা আপনার সাইট কতজন ব্যবহারকারী ভিজিট করেছেন তা সম্বন্ধে তথ্য প্রদর্শন করবে। যারা প্রফেশনাল ওয়েব হোস্টিং করতে চান তাদের জন্য জাইমিক হতে পারে সঠিক সেবা।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এতকিছুর বিনিময়েও জাইমিক আপনার সাইটে কোনো বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করবে না। অর্থাৎ, আপনার সাইট হবে ঠিক তেমনই, যেমনটা আপনি চান। কোনো বাড়তি বিজ্ঞাপণ আপনার সাইটকে দৃষ্টিকটু করবে না। যদিও জাইমিকে সিএমএস বা এজাতীয় ইঞ্জিন ইন্সটল করার সহজ কোন সুবিধা নেই, তবুও ৫০০০ মেগাবাইটের ওয়েবস্পেস ও মাসিক ৫০, ০০০ মেগাবাইট ডাটা ট্রান্সফারের সুবিধা সম্বলিত জাইমিক ফ্রি হোস্টিং সত্যিই অসাধারণ একটি সেবা।
জাইমিক ফ্রি হোস্টিংয়ে হোস্ট করা সাইটের ঠিকানা হবে এমন: http://yoursitename.vndv.com/

ইয়াহু জিওসিটিস (http://geocities.yahoo.com)

বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ইয়াহুতে অ্যাকাউন্ট নেই এমন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ইমেইল সুবিধার জন্যই হোক, কিংবা ইয়াহু মেসেঞ্জারে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করার জন্যই হোক, ইয়াহুতে অ্যাকাউন্ট মোটামুটি সবারই আছে। ইয়াহুকে অনেকেই একটি ইমেইল সেবদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জানলেও মূলত ইয়াহুর আছে অনেক অনেক সেবা। ওয়েবসাইট ডেভেলপিংয়ের জন্যও আছে ইয়াহুর সার্ভিস।
এমনকি আপনি চাইলে বিনামূল্যেও সাইট তৈরি করতে পারেন ইয়াহুর ফ্রি ওয়েব ক্রিয়েটিং সেবা, জিওসিটিস এর মাধ্যমে। যারা মোটামুটি একটি সাইট তৈরি করতে চান কোনো প্রকার কোডিং ছাড়াই, তাদের জন্য জিওসিটিস একটি ভালো সেবা হতে পারে।
যদিও জিওসিটিস মাত্র ১৫ মেগাবাইট জায়গা দেয়, তবুও প্রাথমিকভাবে আপনি ইয়াহু জিওসিটিস ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ইয়াহু জিওসিটিসে সাইট নির্মাণ করলে আপনার সাইটের ঠিকানা হবে http://www.geocities.com/youryahooid

গুগল সাইটস (http://sites.google.com)

ইয়াহুর মত গুগলেরও আছে সহজে কোডিংয়ের অভিজ্ঞতা ছাড়া সাইট নির্মাণের সেবা। বলা বাহুল্য, ইয়াহু জিওসিটিসের চেয়ে গুগলের ওয়েব ডেভেলপিং সেবা বেশি জনপ্রিয়। গুগলের এই সেবার নাম ছিল গুগল পেজ ক্রিয়েটর। জিমেইল আইডি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা আকর্ষণীয় ওয়েবসাইট নির্মাণ করতে পারতেন। কিন্তু সম্প্রতি গুগল গুগল সাইটস নামে নতুন একটি সেবা চালু করেছে।
গুগল সাইটসে আপনি আপনার জিমেইল আইডি ব্যবহার করে প্রবেশ করতে পারবেন। এখানে আপনি পাবেন ১০০মেগাবাইট জায়গা, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। গুগল সাইটসে আপনি শুধু প্রাথমিকভাবে শেখার জন্যই নয়, প্রয়োজনীয় সাইটও নির্মাণ করতে পারেন খুব সহজে। এর সহজ ও সুন্দর ইন্টারফেসে আপনি গুগল নির্ধারিত টেমপ্লেটের উপর সাইট নির্মাণ করতে পারবেন। গুগল সাইটসের রয়েছে ২৩টি আকর্ষণীয় থিম যা আপনার সাইটের সৌন্দর্য্য বহুগুণে বৃদ্ধি করে দিবে। গুগল সাইটসে আপনি একাধিক সাইট নির্মাণ করতে পারবেন।
আপনার সাইটের ঠিকানা হবে : http://sites.google.com/site/yoursitename। প্রতিটি সাইটে আপনি একাধিক পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারবেন। সাব-পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারবেন। এছাড়াও সাইটের সাইডবারে ওয়েবসাইটের সাম্প্রতিক কার্যক্রম, কোনো নির্দিষ্ট দিনের জন্য কাউন্টডাউন, নেভিগেশন কিংবা কিছু টেক্সট লিখে উইজেট আকারে রাখা যাবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনি চাইলে এই সাইট কারা কারা সম্পাদনা করতে পারবে বা কে কে দেখতে পারবে সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারেন। এছাড়াও আপনি আপনার নিজের অন্য কোনো ঠিকানাতেও এই সাইটটি
প্রদর্শন করতে পারেন।
সব মিলিয়ে গুগল সাইটস নতুন সাইট নির্মাতাদের জন্য অসাধারণ একটি সেবা। আপনি ইচ্ছে করলে গুগল সাইটস ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আকর্ষণীয় সাইট নির্মাণ করতে পারেন। উল্লেখ্য, গুগল সাইটস সম্পূর্ণ নতুন একটি সেবা বলে এখনো অনেক সুবিধা এতে এখনো যুক্ত হয়নি যা আগের গুগল পেজ ক্রিয়েটরে ছিল। গুগলের মতে, অতি শীঘ্রই গুগল সাইটসের জন্য যুক্ত করা হবে কার্যকরী ও প্রয়োজনীয় সব সুবিধা।

ফ্রিসার্ভারস (www.freeservers.com)



কোডিংয়ের অভিজ্ঞতা বা সাইট নির্মাণের দক্ষতা ছাড়াই ওয়েবসাইট তৈরি করার আরেকটি জনপ্রিয় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম হচ্ছে ফ্রিসার্ভারস। ফ্রিসার্ভারসের ফ্রি প্ল্যানের আওতায় আপনি পঞ্চাশ মেগাবাইট জায়গার উপর দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। মাসিক ১ গিগাবাইট ব্যান্ডওয়াইডথের এই সেবায় আপনি পাবেন ফাইল ম্যানেজার, কাউন্টার, সাইট ভিজিটরের মন্তব্য গ্রহণের জন্য গেস্টবুক, সহজে সাইট তৈরি করার জন্য সাইট বিল্ডার, সাইট কপিয়ার, ওয়েবরিং ইত্যাদি।
তবে ফ্রিসার্ভারসে সাইট তৈরি করলে আপনার সাইটে বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করবে ফ্রিসার্ভারস। এছাড়া যে ইমেইল ঠিকানা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করবেন, সে ইমেইলে নিয়মিত বিজ্ঞাপণ আসার ঝামেলা তো রয়েছেই। তবে সব মিলিয়ে মোটামুটি একটি সাইট নির্মাণের জন্য ফ্রিসার্ভারস ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
ওয়েবসাইট প্রযুক্তির এক অনন্য আবিষ্কার। আপনি সম্পূর্ণ একটি অফিসের কাজ সেরে নিতে পারেন সাধারণ একটি ওয়েবসাইট দিয়ে। এছাড়াও ওয়েবসাইটের রয়েছে অসংখ্য ব্যবহার ও উপকারিতা। তাই উপরের পাঁচটি সাইট থেকে পছন্দমতো সেবা বেছে নিয়ে আপনিও তৈরি করুন আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট, বিনামূল্যে। আর প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে সবসময় রাখুন এক ধাপ আগে।

Tuesday, 14 May 2019

পিডিএফ তৈরির পাঁচটি জোসস্ টুল

Be the first to comment!
পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট বা সংক্ষেপে পিডিএফ আমার সবার কাছেই ভালোভাবে পরিচিত। এটি সবার পছন্দের একটি স্ট্যান্ডার্ডে পরিনত হয়েছে এর ইজি শেয়ারিং, পাসওয়ার্ড প্রটেকশান এবং এনক্রিপশন অপশনের কারনে। এই অপশনগুলো যদিও ওয়ার্ডে আছে তারপরেও এর ইজি শেয়ারিং অপশনের কারনে এটিকে ই ইউজাররা বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আরেকটি কারন হল পিডিএফ রিডারগুলো খুবই সহজে পাওয়া যায়। এই সমস্ত কারনেই হয়ত আমাদের অনলাইনের বেশিরভাগ ইবুক গুলো পিডিএফ ফরম্যাট এ পাওয়া যায়।



আপনি হয়ত আপনার তৈরী কোন ডকুমেন্ট পিডিএফ এ কনভার্ট করতে চাইছেন অথবা কোন পিডিএফ ফাইল বানাতে চাইছেন। এখন আপনাদের কাছে এইরকমই কয়েকটা টুল তুলে ধরা হল  -

  • ১. প্রিমো পিডিএফ

    পিডিএফ বানানো এবং কনভার্সনের জন্য ব্যবহৃত টুলগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হচ্ছে এই টুল। এটি একটি সম্পূর্ণ ফ্রিওয়্যার যা আপনাকে পিডিএফ বানাতে দিবে এবং কমপক্ষে ৩০০'র চেয়ে বেশি ফরম্যাটের ফাইলকে পিডিএফ এ কনভার্ট করার অপশন দিবে। প্রিন্ট অপশন আছে এরকম যে কোন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন থেকে পিডিএফ এ কনভার্ট করার অপশন দেয় এই টুল


  • ২. বুলজিপ

    বুলজিপ সাধারনত বুলজিপ পিডিএফ প্রিন্টার হিসেবেই পরিচিত। এটি মাউক্রোসফট উইন্ডোজ প্রিন্টার হিসেবে কাজ করে এবং যে কোন উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশান এর মাধ্যমে ভার্চুয়ালি পিডিএফ ক্রিয়েট করার সূযোগ দিয়ে থাকে। এটি একটি ফ্রিওয়্যার এবং কমার্শিয়াল ব্যবহার এর ক্ষত্রে সর্বোচ্চ ১জন ব্যবহার করতে পারে।
    ডাউনলোড বুলজিপ


  • ৩. পিডিএফ ক্রিয়েটর

    পিডিএফ ক্রিয়েটর আপনাকে ওয়ার্ড, এক্সেল, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশান, ইমেইল, ওয়েবসাইট সহ ভার্চুয়াল যে কোন ফাইল যাতে প্রিন্ট করার অপশন রয়েছে সেই সবগুলো কে পিডিএফ এ কনভার্ট করতে পারে। এটি একটি ভার্চুয়াল প্রিন্টার হিসেবেও কাজ করে এবং যে কোন উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশান এর সাথে সহজেই ইন্টিগ্রেট হয়ে আপনাকে ব্যবহার করার বাড়তি সুবিধা এনে দিবে।


  • ৪. ডুপিডিএফ

    ডুপিডিএফ ইন্সটলের সময় নিজেকে ভার্চুয়াল প্রিন্টার হিসেবে অটোমেটিক্যালি ইন্সটল করে নেয়। ফরে ইন্সটল হওয়ার সাথে সাথে আপনি আপনার প্রিন্টার এবং ফ্যাক্স লিস্টে ও এটিকে দেখেত পারবেন। পিডিএফ এ রুপান্তরের জন্য আপনাকে নির্দষ্ট ফাইলকে প্রিন্ট টু পিডিএফ এ ক্লিক করলেই কাজ হয়ে যাবে। very simple to use.
    • ডাউনলোড ডুপিডিএফ


    • ৫. পিডিএফ 995

      এটি সাধারনত প্রফেশনাল কোয়ালিটির ডকুমেন্টকে পিডিএফ এ পরিনত করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং এর কোয়ালিটি ও প্রফেশনাল লেভেলের। এর সিম্পল এবং সুন্দর ইন্টারফেস কনভার্সন কে আরো সহজ ও সুন্দর করে তুলেছে। এর মাধ্যমে আপনি যে কোন অ্যাপ্লিকেশান থেকে শুধুমাত্র প্রিন্ট কমান্ডে ওয়ান ক্লিক এ ই কনভার্ট করে ফেলতে পারবেন। এবং
      • আপনির তৈরী করা পিডিএফ যে কোন অপারেটিং সিস্টেমে রিডেবল হয়ে যাবে।
        ডাইনলোড পিডিএফ995
      আপনার পছন্দের কনভার্টার কোনটি? আপনি আপনার কনভার্টার ডাউনলোড করেছেন তো?

Sunday, 12 May 2019

কিভাবে আপনার Payonner একাউন্ট টি PayPal এ লিংক বা এড করবেন। এবং PayPal Account 100% Verify করবেন। শেষ [পার্ট-৩]

Be the first to comment!
আশা করি সবাই ভালো আছেন আল্লাহর রহমতে। ______________________________________ 

❐ আজ আমি দেখাবো আপনারা নিজের পেপাল একাউন্ট কে Bank Account এর সাথে এড করে ১০০% verify কমপ্লিট করবেন। . 
✓আপনারা আগে যায়া আমার পোস্ট দুটি দেখে PayPal & Payonner Account খুলেছিলেন। তাদের একাউন্ট দুটো login করেন।
★এবার আপনার পেপাল একাউন্টটি login করে Money option এ জান।

★দেখুন আমার Bank. Account Add করা আছে। এটা আমার Payonner Account টা add করা।
★ আপনারা প্রথমে Link a New bank এ ক্লিক করুন। 
★এরপর I Have a different bank account এ ক্লিক করুন। একটা Captcha আসবে পূরণ করেন।

এখন এমন আসবে যে আপনাকে Routing Number Account Number দিতে বলবে। আপনি এখন আপনার Payonner Account টি login করুন। তারপর Receive থেকে Global Payment Service এ জান। এখন


এখান থেকে Routing & Account Number টি কপি করে পেপাল এ পেস্ট করে দিন তারপর তীর চিহ্ন দেখানো জায়গায় ক্লিক করুন। না হলে হবে না। 
এবার Agree And Link এ ক্লিক করুন। 
✓✓হয়ে গেলো।


না ভাই হই নি আর একটু কাজ আছে। আপনি আবার পেপাল একাউন্ট এ এসে আবার Money তে ক্লিক করুন।

এখন আপনি Add bank link এর উপরে লেখা থাকবে Confirmed link. ক্লিক করুন। দেখবেন লিখা আছে ( যে ওরা বলতাছে যে PayPal থেকে আপনার Payonner Account এ দুটো Payment পাঠাবে 1$ এর নিচে। ওই টা আপনি ২-৭ দিন সময় নিতে পারে। আমার ৪ দিন পড়ে আসছে। আপনি মাঝে মধ্যে আপনার Payonner Account এর GMail টা চেক করুন। তারপর আসলে এখন আপনার পেপাল একাউন্ট থেকে ওই link bank account এর confirmed ক্লিক করুন এবং নিম্ন দুটি payment এর এমাউন্ট গুলো লিখে Confirm করুন। ব্যাস আপনার একাউন্ট টি এড করা হয়ে গেছে। দেখুন এড হয়ে গেছে।





⭐আশা করি পোস্ট টি আপনাদের ভালো লেগেছে।⭐

কিভাবে Payoneer Account খুলবেন খুব সহজেই । PayPal Account 100% Verify করার জন্য। [পার্ট-২]

Be the first to comment!
আশা করি সবাই ভালো আছেন আল্লাহর রহমতে ______________________________________ 

❐❐ হ্যাঁ আমি আজ দেখাবো কিভাবে আপনারা PayPal Account 100% Verify করার জন্য Payonner Account খুলবেন। 
✓✓Payonner একাউন্ট খুলার জন্য যা যা দরকার। .
 ১. আপনার National ID বা Passport ID যে কোন একটা হলেই হবে। না থাকলে আপনাদের বাবা, মা এর টা দিয়েই হবে। আর আমি বলি আপনারা National ID Card টা ব্যাবহার করেন। ২. আপনার একটি ব্যাংক একাউন্ট লাগবে, এক্ষেত্রে আপনারা Dutch Bangla Roket বা যেটা মোবাইল ব্যাংককিং ওই Account এর Full name, phone number হলেই হবে। 
৩. ১টি Gmail Account.
এখন কাজে লেগে যায়☞☞ 


✓✓ প্রথমে Chrome Browser এ গিয়ে সার্চ করুন Payonner.com এবার ______ 

Step-1:  Account type individual select করুন 1. Fast name (National ID Card অনুযারী) . 
2. last name (National ID Card অনুযারী) . 
3. GMail Address . 
4. Re-type GMail Address . 
5. Date of Birth (National ID Card অনুযারী) . Next ক্লিক করুন।
Step-2:
1. Country Bangladesh . 
2. Address দিন National ID card অনুযায়ী . 3. প্রথমে ঘরে Address না আটলে এখানে দিন। 4. City দিন . 
5. Zip Code . 
6. আপনার মোবাইল নাম্বার দিন। যেটা সব সময় খুলা+আপনার কাছে থাকবে। . তারপর Next ক্লিক করুন।



Step-3:
1. পাসওয়ার্ড দিন একটি শক্তি শালি।
2. আবার ওই পাসওয়ার্ডই দিন।
3. Security question এখানে একটি সিলেক্ট করুন।
4. Security question Answer (দিন এটা যাই দেন মনে রেখে দিয়েন পড়ে কাজে লাগবে)।
5. issuing country of ID (Bangladesh).
6. National ID Card Number টা দিন। . 
7. Next ক্লিক করুন।


Step-4:

Personal Account select করুন। 
1. Bank Country (Bangladesh) . 
2. Currency (BDT) . 
3. Bank Name দিন। যেটা আপনার আছে। . 
4. আপনার যে Bank একাউন্ট আছে ওইটার নিকটর্তী ঠিকানা দিন। . 
5. Account Name দেন . 
6. Phone Number দেন I 
Agree তে (✓) ক্লিক করে Submit করুন। . 


★এবার GMail Check করুন। 

★GMail Verify করুন। 
★বি:দ্র: মেইল আসতে একটু দেরি মানে ১ দিন ও লাগতে পারে। কিন্তু আসবে। আমার টা সাথে সাথেই আসছে। 
★GMail confirmed করুন একটি Browser এ নিয়ে যাবে ওই খানে আপনার মনের মতো দুইটি Security question 2&3 Select করে Answer দিন। এগুলো অব্যশই মনে রাখবেন পড়ে কাজে দিবে। 
★Submit করুন তো আপনার Payonner account টি খুলা হয়ে গেছে।
পরবর্তী পোস্ট মানে শেষ বা (পার্ট ৩) দেখাবো এই Payonner account কিভাবে PayPal Account এ Add করে আপনার PayPal account কে 100% verify এ রুপান্তর করবেন। . সে সময় পযর্ন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

Saturday, 11 May 2019

Make 100% Verified PayPal account with USA number (Part-1)

Be the first to comment!
আশা করি সবাই ভালো আছেন আল্লাহর রহমতে ______________________________________
❐❐ উপরে টাইটেল দেখে বুঝে গেছেন হইতো। ❐ আমি দেখাবো যে কিভাবে ১০০% Verify PayPal Account খুলবেন। এবং একটি Payonner Account খুলে PayPal Account এর সাথে এড করে ১০০% Verify করবেন। 
❐❐আর আমি দেখাবো কিভাবে PayPal Business Account খুলবেন এবং ১০০% Verify করবেন। ※※※※※※※※※※※※※※※※※※※※ ✓✓নোট যা যা লাগবেঃ
 ১. সর্বপ্রথম আপনার একটি USA Phone Number লাগবে যেটা সব সময় Active থাকে। এখন প্রশ্ন হলো যে এমন নাম্বার কোথায় পাবে?? আমি বলবো আপনারা Textnow, textplus,nextplus, এগুলো App থেকে নাম্বার গুলো ব্যাবহার করবেন না। কারণ এগুলো App এ দেখা যায় অনেক সময় নিয়মিতো না ডুকার Login এর সম্যসা হলে। সেই নাম্বার টা আর পাবেন না। আমি বলবো Dington App টি ব্যাবহার করেন। ওই খানে আপনি একটু সময় নিয়ে 100credit earn করে একটি USA NUMBER কিনতে পারেন যা ১ বছর সময় পাবেন। আমি ও ব্যাবহার করি অনেক ভালো App. এর সর্ম্পকে আরও জানতে google, Youtube এ দেখতে পারেন।



২. আপনার Bank বা Credit Card ছাড়া PayPal Account 100% verify করতে পারবেন না। তার জন্য আমি আপনাদের দেখাবো যে কিভাবে আপনারা Payonner Account খুলবেন। এবং ওই একাউন্ট দিয়ে PayPal এ Add করে আপনি 100% verify করবেন আপনার PayPal Account. 
৩. আপনার একটি GMail Account যেটা দিয়ে আগে কোন PayPal একাউন্ট খুলা হয়নি। আমি বলবো নতুন একটি GMail Account খুললেই ভালো হবে। 
৪. USA Fake Address Stress Address,City,State,&zip code 
♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻♻ . উপরের এগুলো হলেই বাস হয়ে গেলো। 
❐এখন একাউন্ট খুলার পালা। তার আগে আমি বলে নেই আমি এই পুরো কাজ কি ভাবে কি করতে হয় A-Z দেখাবো ৩টি পার্ট এ বিভক্ত করে। . ✓✓ আজকে দেখাবো কিভাবে আপনারা PayPal Account খুলবেন?? আর আমি দেখাবো Business Account খুলা। ভয় পাবেন না Personal Account এর থেকে Business Account সব দিক দিয়ে ভালো। তো কাজে লেগে পড়ি। 








প্রথমে Chrome Browser Open করুন সার্চ করুন PayPal.com এরপর Desktop Mod করে নিন। এবার সার্চ বারে গিয়ে লিখুন paypal.com/usa তারপর Enter করুন। 


এবার login এ ক্লিক করুন।

 তারপর Business Account Select করুন। এবার আপনার GMail Account টি দিয়ে Continue করুন। 
তারপর পাসওয়ার্ড দিন শুধু সংখ্যা ব্যাবহার করুন এমন (23467428) ৮ টি বা তার বেশি। এখানে আপনার legal সত্যি নাম টা দিন 
1. Fast Name .
 2. last Name . 
3. Business Legal Name এ Last name টা দিলেও হবে। . 
4.Phone Number এর জায়গায় ওই Dington থেকে কিনা নাম্বার টা দিন। যেটা সব সময় Active বা খুলা থাকবে। . 
5. street address টা USA Fake Address থেকে দিন। বা আমি যেটা ব্যাবহার করছি ওইটা ও ব্যাবহার করতে পারেন। . 
6. City এটা Street Address এর ওপর নির্ভর করে দিবেন। . 
7. State দিন এটাও ৬ এর অনুসারে . 
8. ওই State অনুসারে Zip code দিন। তারপর Term Condition এ (✓) দিয়ে Create an Account এ ক্লিক করুন। এখান থেকে USA Fake address ব্যাবহার করুন ›’››››› এবার 
1. Business Type (Individual Select করুন) . 2. Business Category ( আপনার পছন্দ অনুসারে দিন। . 
3.Business subcategory এটা উপরের টার সাথে মিল রেখে দিন। . 


4. আপনার মাসিক ইনকাম টা দিন। . 

5.এটা না দিলেও হবে (optional) _______ তারপর 
1. একটি ৪ সংখ্যার পিন দিন(এটা অব্যশই মনে রাখবেন পরে কাজে দিবে)। . 
2. Date of Birth দিন অব্যশই ১৮ এর উপরে বয়স দিবেন হিসেব করে। . 
3. Home address দিন ওই Street address টা। . 
4. City দেন আগে যা দিয়েছেন ওইটায়। . 
5. State দেন আগে যা দিয়েছেন ওইটায়। . 
6. Zip code. কাজ শেষ এখন Submit এ ক্লিক করুন। এবং আপনার GMail টি চেক করুন একটি Mail যাবে। ব্যাস আপনার GMail verify হয়ে গেলো। এখন বলতে পারেন ভাই ফোন নাম্বার টা কিভাবে Verify করবো। এটা ভাই ওরা একসময় আপনার কাছে চেয়ে verify করে নিবে। তার জন্যই বলছি আমি যে আপনারা একটা Active USA Number ব্যাবহার করবেন।


٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪٪ . 


আজ এই পযর্ন্ত (পার্ট ২) দেখাবো কিভাবে আপনারা Payonner Account খুলবেন। খুব সহজেই। . আর (পার্ট ৩) দেখাবো কিভাবে Payonner Account এর সাথে PayPal এর লিংক এড করে 100% verify PayPal Account খুলবেন বা সর্ম্পূণ করবেন। . . 
চিন্তার কোন কারণ নেই অন্য পার্ট গুলো আমি তারাতারি দিবো। . আজ এই পযর্ন্ত ভালো থাকবেন সবাই ••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••• ⭐আশা করি পোস্ট টি আপনাদের ভালো লেগেছে।⭐