Featured

এবার হাতের ইশারায় যেকোনো স্মার্ট ডিভাইসকে নিয়ন্ত্রণ করুন

বর্তমানে প্রায় সকল স্মার্ট ডিভাইসগুলো একে একে টাচস্ক্রিণ ফিচারে চলে এসেছে। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে এখন টিভি, ল্যাপটপের ডিসপ্লেগুলোতেও টা...

Showing posts with label Science Fiction. Show all posts
Showing posts with label Science Fiction. Show all posts

Friday, 17 May 2019

এবার হাতের ইশারায় যেকোনো স্মার্ট ডিভাইসকে নিয়ন্ত্রণ করুন

বর্তমানে প্রায় সকল স্মার্ট ডিভাইসগুলো একে একে টাচস্ক্রিণ ফিচারে চলে এসেছে। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে এখন টিভি, ল্যাপটপের ডিসপ্লেগুলোতেও টাচ ফিচারটি আমরা দেখতে পাচ্ছি। আর এই টচ স্ক্রিণ ফিচারের সাহায্যে আমরা এখন যেকোনো স্মার্ট ডিভাইসকে সহজেই হাতের স্পর্শেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি। এটা হলো বর্তমান যুগের ফিচার। কিন্তু আজ আমি নিয়ে এলাম এমন একটি নতুন গ্যাজেট এর খবর নিয়ে যেটির ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি যেকোনো স্মার্ট ডিভাইসকে হাতের ইশারায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন কোনো প্রকার ছোঁয়া ছাড়াই! ৯৯ মার্কিন ডলারের এই গ্যাজেট এর নাম Bixi Touch-Free Smart Controller।
এটির মাধ্যমে আপনি যেকোনো স্মার্ট ডিভাইসকে আপনার হাতের ইশারায় In-air gestures এর মাধ্যমে কমান্ড সেন্ড করতে পারবেন। এটি গাড়ি চলানোর সময়, অফিসের কাজের ব্যস্ততার মাঝে কিংবা ঘরের কাজের মাঝে আপনার স্মার্ট ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণকে আরো সহজ করে দেবে। এটি সকল প্রকার অন-দ্যা-লাইন ডিভাইস এবং অ্যাপস যেমন LifX, Hue bulbs, Bluetooth speakers, GoPro সহ অনান্য সকল loT ডিভাইসগুলোকে সার্পোট করবে।

Bixi এর সাহায্যে আপনি সর্বোচ্চ দুটি অ্যাপস কিংবা ডিভাইসকে একই সাথে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। সাইজে ছোট হওয়ায় ডিভাইসটিকে পকেটে নিয়েই আপনি সহজেই বহন করতে পারবেন।


এছাড়াও আপনি আপনার মোবাইলে এই ডিভাইসটিকে লাগিয়ে নিয়ে কল করা, কল কেটে দেওয়া, মেসেজ সেন্ড করা, জিপিএস এ কমান্ড দেওয়া, মিউজিক কন্ট্রোল, ভলিউম কনট্রোল, নোটিফিকেশন মিউট সহ বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন মোবাইলে টাচ না করেই। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হলো এটি চালানোর জন্য ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন নেই।

কারণ ডিভাইসটি Bluetooh 4.1 দিয়ে অনান্য স্মার্ট ডিভাইসে কানেক্টটেড থাকে আর আপনি সর্বোচ্চ ২০ মিটার পর্যন্ত রেঞ্জ পাবেন। ডিভাইসের নিজস্ব Bixi Remote App রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি ডিভাইসটি সহজেই সেটআপ করে নিতে পারবেন। এছাড়াও ডিভাইসটিতে রিচার্জেবল ব্যাটারি যা ফুর্ল চার্জে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। Bixi দিয়ে আপনি একই সাথে সবোর্চ্চ ৭টি Gestures সার্পোট পাবেন, আর বর্তমানে ৫ টি ভিন্ন রংয়ে আপনি Bixi কে কিনতে পারবেন। 

তো সেদিন আর বেশি দূরে নেই যেদিন আমরা আমাদের স্মার্ট ডিভাইসগুলোকে আমাদের ব্রেইনের মাধ্যমে চিন্তাভাবনার মাধ্যমে কমান্ড দিতে পারবো! অপেক্ষায় রয়েছি আরো তথ্য প্রযুক্তির চমকের জন্য।

Friday, 10 May 2019

চলুন জানি মানব সৃষ্টির রহস্য সম্পর্কে…………!!!!

এই মহাবিশ্বে যে আমাদের অজানা কত কিছু আছে আমরা তাও জানিনা। মহান আল্লাহ্‌ যে আমাদের কত কিছু দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তা ভাবলে অবাক লাগে। চলুন আজ একটু জানার চেষ্টা করি মানব সৃষ্টির রহস্য সম্পর্কে।
মহাবিশ্বের একটি বস্তু মলিকিউল বা পার্টিকেল হচ্ছে ডিএনএ। আমরা প্রায়ই সংবাদপত্রে ডিএনএ নিয়ে নানা সংবাদ শিরোনাম দেখি। কিন্তু খুব বেশি মানুষই ডিএনএ কী তা জানার জন্য মাথা ঘামাই না। অথচ মাথা থেকে পা পর্যন্ত আমাদের শরীরের সর্বত্র রয়েছে ডিএনএ’র সদর্প কারসাজি।



কখনো কি নিজেকে প্রশ্ন করে দেখেছি কী করে আমরা পেলাম আমাদের নাক, চোখ, কান, আঙুল ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ? কিভাবে ডিএনএ এসব এনে দিলো? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের আগে জানা দরকার ডিএনএ সম্পর্কে কিছু সরল তথ্য।
ডিএনএ হচ্ছে জেনেটিক কোডের সংক্ষিপ্ত নাম।এটি রাসায়নিক তথ্যের অনুবর্তী ফিতার মতো বস্তু। আমাদের দেহকোষ বা সেলের নিউক্লিয়াসে এর অবস্খান। নিউক্লিক অ্যাসিড নামে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণু বা মলিকিউল দিয়ে ডিএনএ তৈরি। আমাদের ডিএনএ’র এসব ক্ষুদ্রতর অণু একটি সুনির্দিষ্ট ধারাক্রমে সাজানো থাকে, ঠিক যেমনটি সাজানো থাকে একটি বাক্যে একের পর এক অক্ষর।
নিউক্লিক অ্যাসিডগুলোর এই অনুবর্তী রজ্জু বা ফিতা আমাদের দেহকোষগুলোকে বলে দেয় কিভাবে তৈরি হবে আমাদের নাক, চোখ, হাত, পা ইত্যাদি সব কিছু।



আমাদের ডিএনএ’তে যদি এই অনুবর্তী ফিতা না থাকত, তবে এসব কিছুই হতো না। বিজ্ঞান বা রসায়নশাস্ত্রে এমন কোনো নিয়ম নেই যে নিউক্লিক অ্যাসিড কোনো সুনির্দিষ্ট অনুবর্তী বা সিকোয়েন্স মেনে পাশাপাশি থাকবে। যেকোনো একধরনের নিউক্লিক অ্যাসিড অন্য আরেক ধরনের নিউক্লিক অ্যাসিডের সাথে বìধন গড়ে তুলতে পারে।
ডিএনএ’তে কোনো অনুবর্তিতায় নিওনিউক্লিক অ্যাসিডগুলোর অবস্খান করার একমাত্র পূর্ববর্তী নিউক্লিক অ্যাসিড এমনটি করতে নির্দেশ দিয়েছে।
যখন আমাদের শরীরে নতুন কোষের জন্ম হয়, পুরনো কোষের ডিএনএ নতুন কোষের ডিএনএ গঠন নির্দেশ করে। এমনকি একটি সরলতম প্রাণীতেও ডিএনএ’র নিউক্লিক অ্যাসিডগুলো এলোমেলো অনুক্রমে থাকে। একটি বানরকে কম্পিউটারের কি-বোর্ডে বসিয়ে দিলে যেমন এলোমেলোভাবে কী চেপে অক্ষর বসাবে ঠিক তেমনি।



কেউই এমনটি দেখাতে পারেননি যে হঠাৎ করেই ডিএনএ অস্তিত্ব পেয়েছে। ডিএনএ পেতে প্রয়োজন ডিএনএ। অন্য কথায়, আরো ডিএনএ তৈরির জন্য অবশ্য আগে থেকেই ডিএনএ’র উপস্খিতি থাকতে হবে। হ্যাঁ, এ কথা সত্যি, ডিএনএ যে বিশেষ কোনো অণুর জন্ম দেয় তা হঠাৎ করেই জন্ম হতে পারে।
কিন্তু কখনোই এটা দেখানো সম্ভব হয়নি এই অণুবিশেষ যে ডিএনএ তৈরি করে তা হঠাৎ করে অস্তিত্ব পায়নি অণুগুলো পাশাপাশি এসে। এই ডিএনএ-ই হচ্ছে জেনেটিক কোড। মানুষ যদি অর্থপূর্ণভাবে জেনেটিক কোডকে কাজে লাগাতে পারত জিন প্রকৌশলের বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে, তখন তারা জেনেটিক কোডের উৎপত্তি সম্পর্কে আমাদের জানাতে পারত।
আমাদের শরীরের অন্তর্ভুক্ত বস্তু দিয়েই তৈরি আমাদের নাক, চোখ, কান, মগজ, অন্য সব টিস্যু, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কাঠামো। আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত পুরনো কোষ মরে নতুন কোষ জন্ম নিচ্ছে। নতুন কোষ জন্ম দিতে শরীরে যে বস্তু আমরা ব্যবহার করি তা আসে আমাদের খাবার থেকে। খাবার শক্তি বা এনার্জি উৎপাদন করে না। শরীরে নতুন কোষ তৈরিতে খাবার হচ্ছে মূল শক্তি। একটি কোষ একই আকারের বেশ কিছু নতুন কোষ তৈরি করে। আর তা করার একমাত্র উপায় হচ্ছে, খাবার থেকে পাওয়া উপাদান কাজে লাগিয়ে তা করা।



আমরা যখন মায়ের পেটে বেড়ে উঠতে শুরু করি, তার শুরু এক আউন্সেরও কম ওজনের একটি কোষ থেকে। পরে ক্রমান্বয়ে গঠিত হয় আমাদের বাহু, হাত, পা, পায়ের পাতা, মগজ, গুর্দা, ফুসফুস, যকৃৎ, পাকস্খলী­ যতক্ষণ না আমরা পরিপূর্ণ দেহরূপ পাই। একটি একক কোষ থেকে বেড়ে বহু কোষ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে এ কাজ সম্পন্ন হয়।
কিন্তু একটি কোষ থেকে কোটি কোটি কোষ তৈরির মালমসলা আসে কোথেকে, যেখানে নতুন কোষের আকার শুরুর কোষটির মতোই। শুরুতে যেখানে দেহের ওজন ছিল এক আউন্সেরও কম, সেখানে পূর্ণদেহী মানুষ হয় এর চেয়ে বহু গুণ বেশি ওজনের। নতুন কোষের মালমসলা আসে গর্ভবতী মা যা খান তা থেকে।



খাবার হজম হওয়ার পর তা ভেঙে জন্ম নেয় মৌলিক কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড। বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড তখন নতুন করে একটি অনুক্রমে পাশাপাশি বসে তৈরি করে বিভিন্ন টিস্যু [ঝিল্লি] বা অর্গান [ইন্দ্রিয় অঙ্গ]। এই অ্যামাইনো অ্যাসিডের অনুক্রম কী হবে তা নির্ধারণ করে ডিএনএ’র অনুক্রমের মাধ্যমে।

আমাদের সব ইন্দ্রিয় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পুরোপুরি গঠিত হওয়ার পরও দেহকোষ মরে যায়। এই মৃত দেহকোষ প্রতিস্খাপিত হয় নতুন জন্ম নেয়া কোষ দিয়ে। আর খাবারই অনুঘটকের কাজ করে এই নতুন কোষ গঠনে। অতএব আপনি যখন আপনার কুকুরকে একটি মাংস খাওয়ান, আপনার কুকুরের ডিএনএ এটুকু নিশ্চিত করে যে, এই মাছের অথবা গোশতের ফালিকে হজম করে তা ভেঙে কুকুরের বিভিন্ন দেহাংশ গঠনে সাহায্য করে। কিন্তু যখন আপনি নিজে একই স্টিক খান, তখন আপনার ডিএনএ তা হজম করে মানবদেহের পুনর্গঠন নিশ্চিত করে।

একটি মুরগির ডিমের ডিএনএ’তে অণুর অনুক্রম মুরগির ডিমের খাদ্যবস্তুকে পরিণত করে গাঢ় ছোট্ট ছোট্ট গুটিতে। এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির ডিএনএ’র অনুক্রম ভিন্ন। এক প্রজাতির থেকে আরেক প্রজাতির ডিএনএ-ও ভিন্ন। বিষয়টি বোঝার জন্য একটি লাইব্রেরির কথা ভাবুন, যে লাইব্রেরিতে সব বই-ই একই ভাষার।



কিন্তু বিভিন্ন বই বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। সব বইয়ে আছে একই বর্ণমালা। কিন্তু অক্ষরগুলো সাজানো বিভিন্ন অনুক্রমে বিভিন্ন বইয়ে। এই অনুক্রমই একটি বইকে করেছে অন্যটি থেকে আলাদা। সে জন্য একটা উপন্যাসকে আমরা আলাদা করতে পারছি একটি বিজ্ঞানের বই থেকে।
তা সত্ত্বেও জীববিজ্ঞানের একটা মজার বিষয় হচ্ছে, প্রজনন কোষগুলো বাদে আমাদের দেহের সব কোষে রয়েছে গোটা দেহে পূর্ণ তথ্য। তার পরও আপনার কোষের সব ডিএনএ’র সব তথ্য প্রকাশ কিংবা সঞ্চালিত হতে দেয় না। উদাহরণ টেনে উল্লেখ করা যায়, আপনার চুলের একটি কোষে রয়েছে আপনার চোখের, মগজের, গুর্দার, চামড়ার ও অন্যান্য ইন্দ্রিয় অঙ্গের পূর্ণ জেনেটিক ইনফরমেশন। তা সত্ত্বেও চুলের কোষে শুধু চুলের জেনেটিক তথ্য প্রকাশ করতে দেয়া হয়। বাকি তথ্যগুলোর প্রকাশ ও সঞ্চালন বìধ রাখা হয়। অবশ্য এটি আমাদের জন্য ভালো যে, আমাদের শরীরের কোষগুলোকে সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। তা না হলে আমাদের দেহে সৃষ্টি হতো জৈবিক দ্বন্দ্ব বা বায়োলজিক্যাল ক্যাওস। আমাদের দেহকোষের অনেক কিছুই এখনো অনুদঘাটিত রয়ে গেছে। আধুনিক বিজ্ঞান এখনো তত দূর পৌঁছতে পারেনি।



কিন্তু আমরা আমাদের কোষ সম্পর্কে যতই বেশি জানছি, ততই এর কাজ ও সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে অবাক হচ্ছি। বুঝতে পারছি, ডিএনএ কী বিস্ময়কর এক সৃষ্টি! যখন বিজ্ঞানীরা জিন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান, তখন তারা ডিএনএ অণুর বিভিন্ন অংশ নিয়েই পরীক্ষা করেন।

‘হিউম্যান জেনোম প্রজেক্ট’-এর লক্ষ্য ডিএনএ’র কোথায় বিভিন্ন জিন অবস্খান করে। একমাত্র এ উপায়েই আমরা জেনিটিক সমস্যা সমাধানের বিষয়টি বুঝতে শুরু করতে পারি। ত্রুটিপূর্ণ জিন আসে মিউটেশনের মাধ্যমে। মিউটেশন হচ্ছে জেনেটিক কোডের অনুক্রমের দুর্ঘটনাজনিত পরিবর্তন। বিকিরণ কিংবা অন্যান্য পারিবেশিক শক্তির কারণে এ ধরনের পরিবর্তন ঘটে।
যেহেতু এগুলো জেনেটিক কোডের দুর্ঘটনা, সে জন্য প্রায় সব মিউটেশনই ক্ষতিকর। এমনকি যদি একটি ভালো মিউটেশনও ঘটে, তবে প্রতিটি ভালো মিউটেশনের জের ফলে থাকবে শত শত ক্ষতিকর প্রভাব­ কোনো প্রজাতির জন্য তা ভয়াবহ ক্ষতিকর না হলেও। প্রকৃতিবাদীরা মনে করেন, দীর্ঘ সময় ধরে পর্যাপ্ত মিউটেশনের মধ্যে নতুন প্রজাতির নতুন জিন সৃষ্টি হবে এবং প্রাকৃতিক নির্ধারণের মাধ্যমে আবারো নতুন ধরনের প্রাণের সৃষ্টি হবে।
এমন কোনো প্রমাণ নেই যে, জেনেটিক কোডের দুর্ঘটনাজনিত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তেমনটি ঘটবে। যেমনটি সম্ভাবনা নেই একটি উপন্যাস ভুল ছাপার কারণে অক্ষর এলোমেলো হয়ে তা রূপ নেবে বিজ্ঞানের বইয়ে। নিদেনপক্ষে এমনটি হতে বিদ্যমান জাতের প্রাণীর বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভব ঘটতে পারে। কিন্তু পুরোপুরি নতুন প্রাণী জন্ম নেবে, তা নয়। যেমন মানুষের চুলের জিন পরিবর্তন হয়ে মানুষের অন্য ধরনের চুলের জন্ম হতে পারে। তবে সম্ভাবনা এমন নেই যে এই চুলের জিন পরিবর্তন হয়ে তা রূপ নেবে পালক কিংবা অন্য কিছুতে।




প্রায় সব ধরনের জৈবিক ভিন্নতার পেছনে রয়েছে ইতোমধ্যে বিদ্যমান জিনের নতুন নতুন বিন্যাস, মিউটেশন নয়। মিউটেশনকে আমরা বরাবরই দেখে আসছি ক্ষতিকর বলে। খুব কম মিউটেশনই আছে যেগুলো ক্ষতিকর নয়। এগুলো জেনেটিক জটিলতা বাড়ায় না।

ধন্যবাদ সবাইকে......

Thursday, 9 May 2019

বিদ্যুৎ অতিপরিবাহী পদার্থ উদ্ভাবন



তারের মধ্য দিয়ে চলাচলের সময় বিদ্যুৎকে পদে পদে বাধা পেতে হয়। যাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে "রেজিস্ট্যান্স"।  এর ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুতের অপচয় হয়। বিজ্ঞানীরা বিদ্যুৎ চলাচলের সময় এ অপচয় রোধ করতে সম্প্রতি এক বিশেষ পদার্থ উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়। এ গবেষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় এর ভূ-পদার্থবিজ্ঞানী রাসেল হেমলে।
ল্যান্থানাম মৌলের সাথে হাইড্রোজেন মৌলকে যুক্ত করে নতুন উদ্ভাবিত অতিপরিবাহী পদার্থের নাম "ল্যান্থানাম হাইড্রাইড"।  এটা এমন এক পদার্থ, যা- কিনা সুপার কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করবে।  তবে সুপার কন্ডাক্টর সাধারণত বিশেষ তাপমাত্রাতেই অতিপরিবাহী ধাতুর ন্যায় কাজ করতে পারে।
আর সুপার কন্ডাক্টরকে বিশেষ তাপমাত্রায়য় রাখাটা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু নতুন উদ্ভাবিত "ল্যান্থানাম হাইড্রাইড" যেকোনো তাপমাত্রাতেই সমান কার্যকর।  ফলে এর জন্য বাড়তি খরচের প্রয়োজন পড়বে না।