Showing posts with label Live News Updates. Show all posts
Showing posts with label Live News Updates. Show all posts

Thursday, 23 May 2019

যে বিড়াল ছিল মহাতারকা

লন্ডনের মাদাম তুসো জাদুঘরে নিজের মোমের মূর্তির (ডানে) পাশে গ্রাম্পি ক্যাট।

গ্রাম্পি ক্যাটের মৃত্যুসংবাদ জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে বিড়ালটির মালিকেরা লিখলেন, সাম ডেজ আর গ্রাম্পিয়ার দ্যান আদার্স...। কিছু কিছু দিন যে আলাদা, অন্যান্য দিনের চেয়ে বিষণ্ন, তা-ই বোঝাতে চেয়েছেন নিশ্চয়। মালিকদের সে সুরে সুর মিলিয়েছেন অসংখ্য ভক্ত, বিখ্যাত তারকা ব্যক্তিরাও আছেন।
মনে হতে পারে একটা বিড়াল নিয়ে এত আদিখ্যেতার কী আছে? বিড়ালটি সাত বছরের জীবনে যা করেছে, অনেক মানুষই তাদের দীর্ঘ জীবনে তা অর্জন করতে পারে না। সে একই সঙ্গে বইয়ের লেখক, চলচ্চিত্র তারকা, আবার ফ্যাশন আইকন। অসংখ্য মিম আর জিআইএফ ছবি আছে তাকে নিয়ে। মোটকথা, গ্রাম্পি ক্যাট ইন্টারনেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিড়াল।


গ্রাম্পি মানে খিটখিটে মেজাজের। গ্রাম্পি ক্যাট স্বভাবে কিন্তু মোটেও তা নয়। তবে দেখতে বদরাগী তো বটেই। মূল নাম টার্ডাস সস হলেও চেহারায় চিরস্থায়ী রাগ রাগ ভাব থাকায় গ্রাম্পি ক্যাট হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। দেখলে মনে হবে যেন কোনো কিছুতেই আগ্রহ নেই, কোনো কিছুতেই তার কিছু যায়-আসে না। হয়তো সে কারণেই তরুণেরা খারাপ দিন বোঝাতে গ্রাম্পি ক্যাটের ছবি পোস্ট করে অহরহ।
তারকাখ্যাতি
২০১২ সালের ৪ এপ্রিল গ্রাম্পি ক্যাটের জন্ম। পাঁচ মাস বয়সে মূল মালিক টাবাথা বুনদেসেনের ভাই প্রথম বিড়ালটির ছবি পোস্ট করে। সে ছবি ভাইরাল হতে সময় লাগেনি। এখন গ্রাম্পি ক্যাটের ফেসবুক পাতায় রয়েছে ৮৫ লাখ লাইক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রয়েছে যথাক্রমে ১৫ ও ২৭ লাখ অনুসারী।
তারকা বিড়ালটির একাধিক পরিচয় রয়েছে। তবে জনপ্রিয়তা আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে। টার্ডাসের মালিকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধীরে ধীরে ছবি পোস্ট করতে থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এর একটি বড় কারণ হলো, গ্রাম্পি ক্যাটের এই অভিব্যক্তি অনেকের সঙ্গেই মিলে যায় এবং সে জন্য সবাই পছন্দ করতে শুরু করে। তা ছাড়া গ্রাম্পি ক্যাটকে ঘিরে তৈরি হতে থাকে অসংখ্য মিম আর ট্রল। বিশেষ করে মিমগুলো এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে ২০১৩ সালে বর্ষসেরা মিম হিসেবে গ্রাম্পি ক্যাট ওয়েবি পুরস্কার পায়।

Tuesday, 21 May 2019

বিশ্বের শীর্ষ ১০টি "ধনী" ব্যাংক!

ব্যাংকসমূহে আমরা মুলত আমাদের অর্থ, টাকা-পয়সা সহ মূল্যবান সকল জিনিস জমা রাখি। আর ফাইনালশিয়াল ক্রাইসিসের পর বিশ্বের আর্থিক অবস্থা এখন পুরোপুরি ব্যাংকের উপর নির্ভর করে। যে দেশের ব্যাংকগুলো বেশি “ধনী“, সে দেশ ততটাই অর্থনৈতিক দিক থেকে সুরক্ষিত থাকে।
তো চলুন, আর কথা না বাড়িয়ে সরাসরি টিউনে চলে যাই, আর আসুন দেখে নেই বিশ্বের ধনী ১০টি ব্যাংকগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য:

১০) Barclays PLC:

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের স্পন্সর এবং ইউনাইটেড কিংডম মার্কেটের একটি অন্যতম লিডার হচ্ছে এই Barclays PLC Bank. এই ব্যাংকটি প্রায় ৫০টির বেশি দেশে প্রায় ৪৮ মিলিয়নের বেশি লোকজনের কাছে তাদের ব্যাকিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যাংকটি তাদের কাস্টমারদের জন্য রিটেইল অপারেশন, হোলসেল অপারেশন, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং, ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট, মর্টেজ ল্যান্ডিং, ক্রেডিট কার্ড সহ বিভিন্ন ধরনের সেবা দিয়ে আসছে। ব্যাংকটি ১৬৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৩০০ বছর পর বর্তমান যুগে বিশ্বের ১০টি শীর্ষ ধনী ব্যাংকের তালিকায় ব্যাংকটি ২ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্য ভ্যালু নিয়ে তালিকার ১০তম স্থানে রয়েছে।

৯) Credit Agricole Group:

প্রায় ২১ মিলিয়নের বেশি ক্লায়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সের অন্যতম একটি লিডিং ব্যাংক হচ্ছে Credit Agricole Group. বিশ্বের প্রায় ৬০টির বেশি দেশে ব্যাংকটির শাখা রয়েছে, আর ব্যাংকটির মূল হেডকোয়াটার প্যারিসে অবস্থিত। ব্যাংকটির কৃষি কাজের সাথে ঐতিহাসিক সম্পর্ক থাকায় অনেকেই এটিকে Green Bank নামেও আখ্যায়িত করে থাকেন। ব্যাংকটি ১৮৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার পর বর্তমানে এর ভ্যালু প্রায় ২ দশমিক ৩৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে এসে দাড়িয়েছে। ব্যাংকটি ফ্রান্সের ৩৯টি ফ্রেঞ্চ কো-অপারেটিভ রেটেইল ব্যাংকগুলোর উপর ভিক্তি করে নির্মিত হয়।

৮) Bank of China:

চীন দেশের সবথেকে পুরোনো ব্যাংক, Bank of China প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১২ সালে এবং বর্তমানে এটি চীন দেশের ৫টি বড় ব্যাংকগুলোর মধ্য থেকে একটি অন্যতম ধনী ব্যাংক হিসেবে নিজের স্থান করে নিয়েছে। ব্যাংকটি ২০১৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় ২.৩৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভ্যালূর মালিক!
ব্যাংকটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, চীনে অবস্থিত এর মূল হেডকোর্য়াটের আপনি টাকা ডিপোজিট করলে চীন দেশের বাহিরে অবস্থিত অনান্য দেশের ব্র্যাঞ্চে আপনি এই টাকায় একসেস করতে পারবেন না। আর অনান্য দেশে ব্যাংকটির শুধুমাত্র আমেরিকান ডলারের হিসেবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

৭) Agricultural Bank of China:

চীন দেশের নতুন ব্যাংকগুলোর মধ্যে এই Argicultural Bank of China হচ্ছে অন্যতম, ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার পর মাঝে কিছু বছর ব্যাংকটির উত্থান পতনের পর বর্তমানে ব্যাংকটির ভ্যালু প্রায় ২ দশমিক ৪৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। ব্যাংকটির প্রায় ২৪ হাজারের বেশি ব্রাঞ্চ রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। বিশ্বের ১০টি শীর্ষ ধনী ব্যাংকের তালিকায় থাকা এই ব্যাংকটি ব্যাংকিং ইতিহাসের সবথেকে ব্যাংক ডাকাতিরও চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে। ব্যাংকটি থেকে প্রায় ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন মাকির্ন ডলার ডাকাতি করা হয়েছিল!

৬) JPMorgan Chase & Co:

২ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ভ্যালু নিয়ে আমাদের বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ধনী ব্যাংক তালিকার প্রথম মার্কিন ব্যাংক হচ্ছে এই JpMorgan Chase & Co. এই ব্যাংকটি আমেরিকায় কয়েকটি বৃহৎ বৃহৎ ব্যাকিং কোম্পানি নিয়ে গঠিত। এগুলো মধ্যে Chase Manhattan Bank, Bank One, Bear Steans, Washigton Mutual ইত্যাদি ব্যাকিং কোম্পানিগুলো রয়েছে। ২০০০ সালে গঠিত এবং প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংকটি বর্তমানে US Open, The Major League Soccer এর মতো বড় বড় আসরের স্পন্সর হিসেবে রয়েছে।



৫) Mitsubishi UFJ Financial Group:

জাপানিজ ব্যাংকিং ইতিহাসের অন্যতম পুরোনো এবং বৃহৎ ব্যাংকিং সংস্থা Mitsubishi UFJ Financial Group টি প্রায় ২০০ বছর আগে ১৮৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। আর এদিকে ২০০৫ সালে ব্যাংকটির একচুয়াল ফর্মে আনা হয় Mitsubishi Tokyo Financial Group এবং UFJ Holdings কোম্পানিগুলোকে একত্রে করে। ব্যাংকটি আমাদের তালিকায় ৫ নম্বরে প্রায় ২ দশমিক ৫১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ভ্যালু নিয়ে রয়েছে।

৪) BNP Paribas:

ফ্রান্সের অন্যতম বড় ব্যাংকিং সংস্থা BNP Paribas তাদের প্রায় ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ভ্যালু নিয়ে আমাদের লিস্টের ৪র্থ স্থানে রয়েছে। ব্যাংকটির প্রথম হেডকোয়াটার প্যারিয়ে এবং অন্যটি লন্ডনে অবস্থিত। ব্যাংকটি ২০০০ সালে কয়েকটি ব্যাংকের একত্রকরণ চুক্তিবদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

৩) China Construction Bank Corporation:

China Construction Bank Corporation এর হেডকোয়াটার বেইজিং, চীনে অবস্থিত এবং ব্যাংকটির চীনে প্রায় ১৩, ৫০০ হাজারের বেশি ব্রাঞ্চ রয়েছে। ১৯৫৪ প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৯৬ সালে নাম পরিবর্তনের পর ব্যাংকটি বর্তমানে ২ দশমিক ৬০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়ে চীনের ২য় বৃহৎ ব্যাংক এবং আমাদের লিস্টের ৩নং স্থানে রয়েছে। Global ATM Alliance এর একজন সদস্য হিসেবে ব্যাংকটি বিশ্বের অনান্য শাখা থেকে কোনো ফি ছাড়াই টাকা উঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

২) HSBC Holdings:

১৮৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বৃটিশ ব্যাংক কোম্পানিটি ৮৫টি দেশের শাখা নিয়ে তাদের ২ দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার ভ্যালু নিয়ে আমাদের লিস্টের ২য় নাম্বারে রয়েছে! ১৮৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ব্যাংকটি ১৯৯১ সালে হংকং এবং Shanghai Banking Corporation এর দ্বারা পুনরায় চালু করা হয়। এটি বর্তমানে হংকংয়ের সব থেকে বড় এবং বৃহৎ ব্যাংকিং কোম্পানি।



১) Industrial and Commercial Bank of China:

চীন! Made in China! হ্যা! বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যাংকটিও Made in China! Industrial and Commercial Bank of China তাদের প্রায় ৩ দশমিক ১৮ ট্রিলিয়ন ভ্যালু নিয়ে আমাদের বিশ্বের ধনী ১০টি ব্যাংক তালিকার সর্বউপরে রয়েছে। ব্যাংকটির শুধুমাত্র চীনেই প্রায় ১৮০০০ এর বেশি শাখা রয়েছে এবং বিশ্বের প্রায় ১০৬টি দেশে তাদের ব্রাঞ্চ রয়েছে।
তো দেখা যাচ্ছে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ১০টি ব্যাংক তালিকার মধ্যে ৪টিই চীন দেশের ব্যাংক রয়েছে। তার মানে বৈশ্বিক অর্থনীতে চীনের ভূমিকায় কতটুকু তা নিশ্চয় এই টিউন থেকে বুঝতে পেরেছেন। Industrial and Commercial Bank of China ব্যাংকটির বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩০০ মিলিয়নের বেশি কাস্টমার রয়েছে। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই ব্যাংকটি লিমিটেড কোম্পানি থেকে ২০১০ সালের মধ্যেই বিশ্বের বৃহৎ পাবলিক ব্যাংকিং কোম্পানিতে পরিণত হয়ে যায়।
তো লিস্টের ১০টি ব্যাংক থেকে আপনিও একটিতে আপনার টাকাগুলে রেখে দিতে পারেন যদি আপনি আপনার বর্তমান ব্যাংকের নিরাপত্তা নিয়ে সংঙ্কায় থেকে থাকেন।

Monday, 20 May 2019

"পাঠাও" এর নতুন ক্যাম্পেইন "উঠাও"

দেশের বৃহত্তম অন-ডিমান্ড ডিজিটাল প্লাটফর্ম পাঠাও লিমিটেড পুনরায় নিয়ে এসেছে বহুল আলোচিত “উঠাও” ক্যাম্পেইন। উঠাও ক্যাম্পেইনের আওতায় গত বছর ঈদে তিনজন ভাগ্যবান বিজয়ী হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল।
এই বছর ঈদের আনন্দের মাত্রাকে বহুগুনে বাড়িয়ে দিতে পাঠাও ৪টি হেলিকপ্টার রাইড, নভোএয়ারের ৮টি এয়ার টিকেট এবং ৬টি স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫০ স্মার্টফোন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


ক্যাম্পেইনটিতে পাঠাও এর সকল ইউজার, রাইডার এবং ক্যাপ্টেনরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ক্যাম্পেইনটি চলবে আগামী ২৮ মে, ২০১৯ পর্যন্ত। ক্যাম্পেইনটিতে পাঠাও এর সহযোগী পার্টনার হিসেবে রয়েছে স্যামসাং এবং নভোএয়ার।
ক্যাম্পেইনটিতে অংশগ্রহনের জন্য পাঠাও এর ইউজার, রাইডার এবং ক্যাপ্টেন সবাইকে নির্দিষ্ট কিছু টার্গেট পূরণ করতে হবে। টার্গেট পূরণ করতে আগামী ২৮ মে, ২০১৯ এর মধ্যে ইউজারদের কমপক্ষে ২০টি রাইড, রাইডারদের কমপক্ষে ৬০টি ট্রিপ, ক্যাপ্টেনদের কমপক্ষে ৪০টি ট্রিপ দিতে হবে।
সেখানে সেরা চারজন বিজয়ী পাবেন ঈদে বাড়ি যাওয়ার জন্য ফ্রি হেলিকপ্টার রাইড। আরও চারজন পাবেন দুটি করে নভোএয়ারের এয়ার টিকিট এবং পরবর্তী ছয়জন বিজয়ী পাবেন স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫০ স্মার্টফোন।
এ প্রসঙ্গে পাঠাও সিইও হুসেন এম ইলিয়াস বলেন, “পাঠাও সবসময় সহজ, দ্রুত এবং সুবিধাজনক রাইড শেয়ারিং সার্ভিস প্রদানের কথা চিন্তা করে। উঠাও এর চিন্তা গতবছর আমাদের মাথায় আসে এবং গত বছর এই ক্যাম্পেইনটি সবার মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তাই এই বছরও আমরা পুনরায় উঠাও ক্যাম্পেইনটি নিয়ে এসেছি এবং আমাদের সকল ব্যবহারকারীদেরকে ধন্যবাদ জানাতে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি উপহার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

প্রসঙ্গত, পাঠাও বাংলাদেশের বৃহত্তম রাইড শেয়ারিং, ই-কমার্স ও ফুড ডেলিভারি সেবা প্রদানকারী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশব্যাপী হাজার হাজার মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধিতে পাঠাও কার্যকরী ভূমিকা রেখে চলেছে।
নিজেদেরকে দেশের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স ডেলিভারি কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর পাঠাও যাতায়াত সেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করেছে। পাঠাও মোটরবাইক, গাড়ির নানামুখী ব্যবহারের পর এবার ফুড সার্ভিসের মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
পাঠাও বাংলাদেশ সরকারের রাইড শেয়ারিং নীতিমালা ২০১৮ অনুমোদিত প্রথম রাইড-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। বর্তমানে পাঠাও দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা মেটাতে একটি ডিজিটাল লাইফ স্টাইল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

Tuesday, 12 March 2019

চালু হলো মাস্টারকার্ড থেকে বিকাশে টাকা পাঠানোর সিস্টেম


বাংলাদেশে ইস্যু করা মাস্টারকার্ডের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড থেকে সরাসরি বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানো যাবে। দ্রুত ও নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সাউথইস্ট ব্যাংকের মাস্টারকার্ড পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহৃত হবে।

রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল সোমবার মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ, মাস্টারকার্ড ও সাউথইস্ট ব্যাংক যৌথভাবে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সেবার উদ্বোধন করেছে। সেবাটির মাধ্যমে গ্রাহকেরা নিজের বিকাশ একাউন্ট অথবা অন্য বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন।

 টাকা পাঠাতে বিকাশ অ্যাপের এড মানি অপশন থেকে কার্ড টু বিকাশ সিলেক্ট করে বিকাশ একাউন্ট এর তথ্য দিতে হবে। পরবর্তী ধাপে মাস্টারকার্ডের তথ্য দেওয়া হলে গ্রাহক তার মুঠোফোনে একটি ওয়ান-টাইম-পাসওয়ার্ড (OTP) পাবেন। OTP দেওয়ার পর টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শেষ হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি-বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান সেবাটির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকাশের সিইও কামাল কাদীর, সাউথইস্ট ব্যাংকের এমডি এম কামাল হোসেন, মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল প্রমুখ।

Thursday, 7 February 2019

চীন সফলভাবে চাঁদের পৃষ্ঠে জেড রবিন-2 রোভার স্থাপন করেছে

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো, চাঁদের পৃষ্ঠে একটি মোবাইল প্রোব রোবট।
 (বৃহস্পতিবার 3 জানুয়ারী),

       জেড রব্বিট ২ রোভার চ্যাং'এ 4 ল্যান্ডার থেকে ধীরে ধীরে চলাচলকারী ট্র্যাকটি হ্রাস করার পরে চাঁদের নরম, তুষারের মতো পৃষ্ঠকে স্পর্শ করে এবং অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস করে। চাঁদের 4 মহাকাশযান চাঁদে অবতরণ করার প্রায় 10 ঘন্টা পর রোভারটি স্থাপন করা হয়েছিল। 

ইতিহাসে এটি প্রথমবারের মতো চাঁদের পৃষ্ঠে একটি মোবাইল প্রোব সক্রিয় হয় । এটি চীন ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএনএসএ) এবং দেশের ক্রমবর্ধমান স্থান কর্মসূচির বিশাল সাফল্য। "এটি রোভারের জন্য একটি ছোট পদক্ষেপ, কিন্তু চীনা জাতির জন্য এক বিশাল অর্জন", লুনার এক্সপ্লোরেশন প্রজেক্টের প্রধান ডিজাইনার উউ ওয়েইন সিসিটিভিকে বলেন। "এই বিশাল স্পেস এবং আমাদের মহাবিশ্বের জয় করার জন্য একটি নিষ্পত্তিমূলক পদক্ষেপ।" বোমাবাজি শব্দগুলি, নিশ্চিত হতে, কিন্তু এই বিবৃতিটির প্রকৃত অর্থ সম্ভবত অনুবাদে হারিয়ে যেতে পারে; মহাবিশ্বের "জয়লাভ" করে, সম্ভবত প্রকৃতির উপর মানবতার ক্রমবর্ধমান দক্ষতার কথা বলা হয় এবং গ্যালাক্টিক-স্কেল সাম্রাজ্যকে জড়িত করার কোনও পরিকল্পনা নেই। অন্তত আমরা আশা করি। 

চ্যাং 4 ল্যান্ডার দ্বারা নেওয়া একটি ছবিটি ছয়টি চাকাযুক্ত রোভারটি চার্চের পৃষ্ঠায় বসা দেখায় যা পিছনে পিছনে রয়েছে। সামনে সামনে সরাসরি একটি অশুভ গর্ত, প্রায় অবশ্যই একটি crater মিথ্যা। ল্যান্ডিংয়ের পরপরই এই ছবিটি পাশাপাশি নেওয়া হয়, এটি চাঁদের তথাকথিত দূরত্বে নেওয়া প্রথম ঘনিষ্ঠ চিত্র। আমরা এটি যে কল কারণ এটি যে পৃথিবী সম্মুখীন না। আমাদের চাঁদ তীক্ষ্ণভাবে লক করা হয়, যার অর্থ এক দিক চিরতরে আমাদের গ্রহ সম্মুখীন। এটি একটি ভুল নামক চাঁদকে "অন্ধকার দিক" বলে অভিহিত করে, কারণ সূর্যের রশ্মিগুলিও চাঁদের বাহিরের দিকে মুখোমুখি হয়।


অবতরণের পর খুব শীঘ্রই চন্দ্র পৃষ্ঠের একটি শট নেওয়া হয়। চিত্র: China National Space.

প্রতিটি রোভারের ছয়টি চাকার স্বাধীনভাবে চালিত হয়, তাই এক বা একাধিক চাকার হঠাৎ ভেঙ্গে গেলে জেড রব্বিট 2 এখনও চলতে পারে, এপি রিপোর্ট। রোভার 8 ইঞ্চি উচ্চতা (20 সেন্টিমিটার) এর চেয়েও কম বাধা অতিক্রম করতে পারে এবং ২0 ডিগ্রির চেয়ে উচ্চতর পাহাড়ে আরোহণ করতে পারে। তার সর্বোচ্চ গতি প্রায় ২00 মিটার প্রতি ঘন্টায় বা প্রতি ঘন্টায় মাত্র এক মাইলেরও বেশি, ২013 সালে চীন চ্যাং'এর 3 মিশনের অংশ হিসাবে চাঁদের নিকটবর্তী স্থানে তার ইউটু রোভার বা জেড রবিন 1 স্থাপন করেছিল। । 1973 সালের সোভিয়েত লুন্নোহড ২ মিশন থেকে চাঁদের উপর প্রথম তদন্তের নরম অবতরণ ছিল, কিন্তু ইউটু রুভার কেবলমাত্র দুটি চন্দ্র রাত্রি পরে যাওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। চ্যাং 4 ল্যান্ডারের সাথে, জেড রব্বিট 2 বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করবে বিজ্ঞানীরা সৌরজগতের প্রাথমিক অবস্থা সম্পর্কে আরও জানতে, জল বরফের সম্ভাব্য উপস্থিতি সঙ্কুচিত করতে, সৌর বায়ু এবং চাঁদের পৃষ্ঠের সম্পর্ক সম্পর্কে গবেষণা করতে সহায়তা করবে। , সিএনএন অনুযায়ী, অন্যান্য বৈজ্ঞানিক লক্ষ্যগুলির মধ্যে, নিম্ন-মাধ্যাকর্ষণ উদ্ভিদ বৃদ্ধি গবেষণা।

এই মিশন সম্পর্কে আরেকটি বিষয়, যেমনটি এপি দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে, সিএনএসএ একটি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে যার মধ্যে চ্যাংয়ের 4 মহাকাশযান অবতরণের আগে চাঁদের পৃষ্ঠপোষকতার সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্ক্যান করেছে, স্থল থেকে নিরাপদ স্থানটিকে নির্বাচন করে। যে আগে করা হয় না। বহুমূল্য বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি চীন চাঁদের জন্য ক্রুয়েড মিশনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগুলি পুনর্বিবেচনা ও উন্নয়ন করছে। বেইজিং জানায় যে অবশেষে চন্দ্র পৃষ্ঠের উপর ভিত্তি করে এটি নির্মাণ করতে চান। প্রকৃতপক্ষে, চীন অবশেষে একটি স্পেস-সক্ষম জাতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে শুরু করেছে এবং এটি দ্রুত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে আসছে। ব্যক্তিগতভাবে, আমি মনে করি অন্য দেশগুলি আন্তরিকভাবে মহাকাশযানটি প্রবেশ করেছে এবং এটি যদি অন্যান্য দেশগুলিকে গতিশীল করে এবং নতুন প্রযুক্তির বিকাশের জন্য অনুপ্রাণিত করে তবে এটি আরও ভাল। কখনও কখনও প্রতিযোগিতার একটি বিট একটি ভাল জিনিস, যতক্ষণ এটি সঠিক দিক চ্যানেল চ্যানেল।
#Tech_and_Live_News

পৃথিবীর চৌম্বকীয় উত্তর মেরু স্থানান্তরিত হয়েছে ।

২015 সাল থেকে, যে স্থানটিতে কম্পাস পয়েন্ট 30 মাইল (48 কিলোমিটার) বেশি গতিতে সাইবেরিয়ার দিকে প্রসারিত হয়।

 সোমবার বিজ্ঞানীরা বিশ্বব্যাপী চৌম্বকীয় মডেলের জরুরী আপডেট প্রকাশ করেছেন, যা সেলফোন জিপিএস সিস্টেম এবং সামরিক ন্যাভিগেটররা নিজ নিজ দিকে লক্ষ্য করার জন্য ব্যবহার করে। এটি আমাদের মধ্যে বেশিরভাগের জন্য একটি ক্ষুদ্র পরিবর্তন - কেবলমাত্র সেই ব্যক্তিদের জন্যই যথেষ্ট যারা প্রত্নতাত্ত্বিক খুব নিবিড়ভাবে নেভিগেট করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু উত্তর চৌম্বকীয় মেরুটির অযৌক্তিক ড্রিফটটি অদ্ভুত কিছু বলে - এবং সম্ভাব্য শক্তিশালী - পৃথিবীর গভীরে গভীরভাবে অবস্থান করছে। লিডসের জিওফিজিস্ট ফিল লিভারমোর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় এটি কেবল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা কী ঘটছে তা বুঝতে পারে। গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্রটি পৃথিবীর মূল গঠনকারী গলিত ধাতুগুলির কাঁপানো বলের ভেতরে, আমাদের পায়ের নীচে প্রায় ২,000 মাইল (3,200 কিলোমিটার) তৈরি করে। ভূগর্ভস্থ প্রবাহে পরিবর্তনগুলি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের লাইনগুলিকে পরিবর্তন করতে পারে - এবং যেখানে তারা একত্রিত হয়। 
ফলস্বরূপ, চৌম্বক উত্তর মেরু ভৌগোলিক উত্তর মেরুর (পৃথিবীর ঘূর্ণমান অক্ষের শেষ বিন্দু) সাথে সারিবদ্ধ হয় না এবং এটি ক্রমাগত চলতে থাকে। অত্যন্ত পুরানো পাথরের প্রাচীন চৌম্বক ক্ষেত্রের রেকর্ডগুলি দেখায় যে পোলগুলিও ফ্লিপ করতে পারে - এমন একটি ঘটনা যা প্রতি মিলিয়ন বছরে গড়ে তিন বার ঘটেছে। 1831 সালে চুম্বকীয় উত্তরের প্রথম অভিযান কানাডিয়ান আর্কটিকে স্থাপন করেছিল। 1940 এর দশকের শেষ দিকে মার্কিন সেনাবাহিনী মেরুটির সন্ধানে গিয়েছিল, এটি উত্তরপশ্চিমে ২50 মাইল (400 কিলোমিটার) স্থানান্তরিত হয়েছিল। 1990 সাল থেকে এটি একটি বিশাল 600 মাইল (970 কিলোমিটার) সরানো হয়েছে এবং এটি আর্কটিক মহাসাগরের মাঝখানে পাওয়া যাবে, ভৌগোলিক উত্তরের 4 ডিগ্রি দক্ষিণে - মুহূর্তের জন্য। অদ্ভুতভাবে, দক্ষিণ চৌম্বকীয় মেরু তার উত্তরের সমান্তরাল সমৃদ্ধির প্রতিফলন করেনি। 1990 সাল থেকে, তার অবস্থান পূর্ব এন্টার্কটিকা উপকূলে অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীল রয়ে গেছে। 
লিভারমোরের গবেষণায় বলা হয়েছে যে উত্তর মেরুটির অবস্থান কানাডা এবং সাইবেরিয়ার নীচে চৌম্বক ক্ষেত্রের দুটি প্যাচ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ২017 সালে তিনি জানালেন যে কানাডিয়ান প্যাচটি দুর্বল বলে মনে হচ্ছে, যার ফলে পৃথিবীর ঝড়ের মধ্য দিয়ে তরল লোহা হ্রাস পায়। ডিসেম্বরে আমেরিকান জিওফিজিকাল ইউনিয়নের একটি সভায় ভাষণ দেন, তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে আর্কটিকের নিকটে অবস্থিত টামলটি উপরে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের লাইনগুলির গতিবিধি ব্যাখ্যা করতে পারে। ন্যাশনাল মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন এবং ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক জরিপের বিজ্ঞানীরা একটি নতুন বিশ্ব চুম্বকীয় মডেল - ক্ষেত্রের একটি গাণিতিক উপস্থাপনা - প্রতি পাঁচ বছরে তৈরি করতে সহযোগিতা করে। পরবর্তী আপডেট 2020 পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল না। কিন্তু পৃথিবীর অন্যান্য পরিকল্পনা ছিল। আর্কটিক মধ্যে উল্লম্বতা পূর্বাভাস চেয়ে দ্রুত ঘটছে। গ্রীষ্মের মাধ্যমে, বিশ্ব চুম্বকীয় মডেল এবং উত্তর চৌম্বকীয় মেরুটির রিয়েল-টাইম অবস্থানের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সঠিক বিনিময়ের জন্য প্রয়োজনীয় থ্রেশহোল্ড অতিক্রম করেছিল, বিজিএসের জিওোম্যাগনেটিক ফিল্ড মডেল্ডার উইলিয়াম ব্রাউন বলেছিলেন। তিনি ও তার মার্কিন প্রতিপক্ষরা একটি নতুন মডেলের উপর কাজ করেছিল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ সংস্থা তহবিল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। যদিও ব্রিটিশ সংস্থা তার সাইটে নতুন মডেলের উপাদানগুলি প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছিল, এনওএএএ মডেলটিকে হোস্ট করার জন্য এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য এটি তৈরি করার জন্য দায়ী ছিল। সর্বাধিক এনওএএ কর্মীদের কাজ ফিরে যেতে সক্ষম ছিল এক সপ্তাহ পরে, মডেলের এই অংশ সোমবার পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। কেউ কেউ ধারণা করেছেন যে পৃথিবীটি আরেকটি চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বিপরীতমুখী - 780,000 বছর যা ঘটেছে তা নয় - এবং উত্তর মেরুটির সাম্প্রতিক অস্থিরতাটি একটি বিপর্যয়ের একটি চিহ্ন হতে পারে। লিভারমোর সন্দেহভাজন ছিল। তিনি বলেন, "কোন প্রমাণ নেই" যে আর্কটিকের স্থানীয় পরিবর্তনের কিছু বড় একটি চিহ্ন, তিনি বলেন। যাইহোক, চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের বিপরীতগুলি সাধারণত 1,000 বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রকাশিত হয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারকে সামঞ্জস্য করার জন্য প্রচুর সময় দেয়।
#Tech_and_Live_News

Wednesday, 6 February 2019

রেলে যুক্ত হচ্ছে প্রতিবন্ধীদের জন্য অত্যাধুনিক কোচ

রেলে বইছে সুবাতাস। যাত্রীদের সুবিধার্তে এবার রেলে যুক্ত হচ্ছে নতুন 50টি ব্রডগেজ কোচ। ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা অত্যাধুনিক এই কোচ হবে দেশে প্রথমবারের মত প্রতিবন্ধীবান্ধব। তাদের জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষিত থাকবে।

বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন এসব কোচে থাকছে বায়োটয়লেট, যা দেশে এই প্রথম । এসব টয়লেটে থাকবে চওড়া দরজা। এর মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরা হুইলচেয়ার নিয়ে সহজে প্রবেশ করতে পারবেন। ট্রেনে সহজে ওঠানামা ও করতে পারবেন তারা।

থাকছে আধুনিক প্রযুক্তির দীর্ঘস্থায়ী স্টেইনলেস স্টীলের বডি। পুরো কামরায় থাকবে উন্নতমানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। কোনো প্রয়োজনে ট্রেন দ্রুত থামানোর জন্য থাকছে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা।
নতুন এসব কোচে বাড়তি প্রায় পাঁচ হাজার যাত্রী পাবেন যাতায়াতের সুযোগ।

213 কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি ধাপে এসব কোচ আনা হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া থেকে। এর মধ্য দিয়ে রেলে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রথম চালানে 15টি কোচ নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি জাহাজ গত 20 জানুয়ারি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। প্রায় 10 দিনের মাথায় 29 জানুয়ারি কোচগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়। বর্তমানে এগুলো খালাসের কাজ চলছে। দ্বিতীয় চালানে 18টি এবং তৃতীয় চালানে 17টি ব্রডগেজ কোচ চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে রেলে যুক্ত হবে।

 ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ব রেল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান পিটিইনকা থেকে এসব কোচ কেনা হচ্ছে। নতুন কোচ নিয়ে গত 23 শে জানুয়ারী রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সদর দপ্তর চট্টগ্রামের পিআরবিতে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হারুন অর রশীদসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন কেনা এসব কোচের প্রথম শ্রেণী বার্থ (কেবিন) বগির ভেতরে থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দোতলায় ওঠার জন্য উন্নতমানের সিঁড়ি এবং পানির গ্লাস বা কাপ-পিরিচ রাখার ব্যবস্থা থাকবে। কোচে রাতে জ্বালানো থাকবে উন্নত প্রযুক্তির এলইডি লাইট। এছাড়া গভীর রাতে প্রতিটি বগিতে বিশেষ প্রযুক্তির তিনটি করে ডিমলাইটও জ্বলবে।

 এ প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, "সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম রেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে দেশের অভ্যন্তরীন রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হচ্ছে। রেলকে প্রতি জেলায় নিয়ে জেতেও প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা আছে। এর অংশ হিসেবেই ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রথমবারের মত বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন 50টি যাত্রীবাহী কোচ আনা হচ্ছে। এসব কোচের মাধ্যমে প্রথমবারের মত প্রতিবন্ধীরা বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পাবেন। নতুন কোচের মাধ্যমে রেলে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন কয়েক হাজার যাত্রী।"

Monday, 28 January 2019

#সতর্কতামূলক_পোস্ট: কানাডা ভিসা ২০ লাখ !! আমেরিকা ভিসা ২০ লাখ !! ইউরোপ ভিসা ১৫ লাখ !! ভিসার আগে বা পরে ১ টাকাও নয়, সমস্ত পেমেন্ট পৌঁছানোর পরে।।

এরকম রংচং মাখা বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দিয়ে, আমার পরিচিত এক ভাই এই ফাঁদে পা দিয়ে তার সর্বশেষ খুয়িয়েছেন।। তার করুন কাহিনী হুবহু তুলে ধরা হল , যদি কারো কোনও উপকার এ আসে।। 

সে এমনই কোনও এক বিজ্ঞাপন দেখে ঢাকায় আভিজাত্য এলাকায় একটা অফিসে গিয়েছিলেন, সেখানে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চায়। এবং তারা বলে যে, আমরা গ্যারান্টি দিয়ে আপনাকে বিদেশ নিয়ে যাবো, ২ বছর এর জন্যে জব ভিসা, মাসিক ২০০০-২৫০০ ডলার বেতন, ৫ বছর পরে নাগরিকত্ত্ব পেতে আমরাই সাহায্য করবো।। এমনকি ভিসার আগে ও পরে কোনও অর্থ প্রদান করতে হবে না, সমস্ত খরচ আপনি বিদেশ পৌঁছানোর পরে আপনি যখন বিদেশ থেকে আপনার পরিবার কে ফোন দিয়ে বলবেন যে আপনি ভালোভাবে পৌঁছে গেছেন, তার পর আপনার পরিবার আমাদের টাকা দিবে।। আমাদের আমেরিকা কানাডা তে সরাসরি প্রতিনিধি আছে, তারাই সরসরি আমেরিকা কানাডা থেকে আপনার নামে ভিসা ইসু করে পাঠাবে, তাই এখানে এম্বাসি ফেস করার কোনও ঝামেলা নেই।।
এক সঙ্গে এতো অফার পেয়ে বেচারা কনফিউসড হয়ে গেলো !! সে নিজেকে প্রশ্ন করতে লাগলো বিদেশ যাওয়া এতো সোজা ?? নিজে নিজে উত্তর ও খুজে নিলো, আরে কি আর, এক বার চেষ্টা করে দেখি, আমার তো ২৫ পয়সাও আগে দিতে হবে না, সমস্ত খরচ যেখানে আমেরিকা/কানাডা পৌঁছানোর পরে, সেখানে আমার আবার টেনশন কি !! যেই কথা সেই কাজ, বাড়িতে গিয়ে বাবা-মা এর সাথে আলোচনা করলো।। যেখানে সমস্ত খরচ পৌঁছানোর পরে সেহেতু বাবা-মা আর দ্বিধা না করে রাজী হয়ে গেলো, শুরু হয়ে গেলো সুদের টাকা গুছানো ও অবশিষ্ট জমিজমা বিক্রি করার প্রস্তুতি।। ১৮-২০ দিনের মাথায় টাকা গুছানোর প্রস্তুতি শেষ করে পাসপোর্ট নিয়ে আবার অফিসে গিয়ে নিজের নামটা বুকিং দিয়ে আশা, বুকিং এর সময় অরিজিনাল পাসপোর্ট সহ ২ কপি ফটো ও ন্যাশনাল আইডি এর ফটোকপি রাখলো সঙ্গে মোবাইল নাম্বার।।
৭ দিন পরে, তাকে ফোন করে অফিসে ডাকা হলো।। যথারীতি, অফিসে যাবার পরে দেখলো সেখানে তার মতো আরও ১১ জন অপেক্ষা করছে কানাডা বা আমেরিকা যেতে চায়।। এর পরে অফিস থেকে তাদের বলা হলও, টোটাল ১২ জন এর একটা গ্রুপ এদের প্রত্যেকের (৯ জন কানাডা, ৩ জন আমেরিকা) ভিসা রেডি, এনাদের ফ্লাইট আগামী ৪ দিন পরে।। ফ্লাইট ভারতের নিউ দিল্লী থেকে সরাসরি, তাই প্রত্যেকের পাসপোর্ট এ ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানো আছে, ২ দিন এর ভীতর ১২ জন এর গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে নিউ দিল্লী এর উদ্দেশে রওনা দিতে হবে, সঙ্গে তাদের প্রতিনিধি থাকবে।। তাদের প্রত্যেকের ভিসা অনলাইন এ ইস্যু হয়ে গেছে, অনলাইন ভিসা কপি ও বিমান টিকিট নিউ দিল্লী থেকেই উনাদের প্রতিনিধি প্রত্যেক ক্যান্ডিডেট এর হাতে দিয়ে দেবে।।
এই ১২ জন এর ভীতর ২/১ জন এর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিলো যে, পাসপোর্ট এর স্টাম্প ছাড়া কি আসলেই তারা কানাডা যেতে পারবে তো, আবার নির্ভয়ে ২/১ জন এই প্রশ্ন করেও ফেলে, কিন্তু তারা রিতিমত ধমক খেয়ে যায়।। আরে মিয়া, আপ্নারা কি আমাদের থেকে বেশি বোঝেন, আমরা ২৫ বছর ধরে এই লাইন এ, আমাদের অভিজ্ঞতা আছে, আপনাদের আগে আমাদের যে সব ক্যান্ডিডেট বিদেশ গেছে, এই নেন ফোন নাম্বার, এদের সাথে কথা বলেন।।
আপনাদের কি টেনশন ?? আপনার কি ২৫ পয়সা পেমেন্ট করেছেন??? আপনাদের পিছনে আমাদের কত করে ইনভেস্ট করতে হয়েছে জানেন?? একটা কানাডা এর ভিসা রেডি করতে কতো টাকা লাগে জানেন?? এর পরে প্লেন এর টিকিট নেটে সার্চ দিয়ে দেখেন কত খরচ ।। কথাগুলি (ঝারি) শোনার পরে সবাই চুপ হয়ে গেলো ও নির্ধারিত তারিখ সবাই নিউ দিল্লী এর উদ্দেশ্যে রউনা দিলো।।
ঢাকা থেকে ট্রেনে কলকাতা, এর পর কলকাতা থেকে নিউ দিল্লী ট্রেনে সবমিলিয়ে ২/৩ দিন পরে তারা নিউ দিল্লী পৌঁছালো !! নিউ দিল্লী স্টেশন থেকে প্রায় ৩/৪ ঘন্টা প্রাইভেটকারে করে কোথায় নিয়ে গিয়ে রাতে এই ১২ জন এর গ্রুপ কে রাখা হলো কেউ সঠিক বলতে পারলো না।।
((একটা নিরিবিলি এপার্টমেন্ট, আশেপাশে ফাঁকা সর্বশান্ত পরিবেশ))
প্রত্যেকে ২/৩ ঘন্টা করে পিটালো আলাদা ভাবে, এবং সারারাত রাতে কোনও ফাঁকা রুমে আটকিয়ে রাখলো (খাবার পানি ছাড়াই সারারাত)।। পরেরদিন সকাল এ এক একজন করে অন্য ফাঁকা রুমে নিয়ে গেলো এবং মাথায় পিস্টল ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাদ্ধ করলো যে " মা/বাবা আমার আজ রাতে কানাডা এর ফ্লাইট আমার জন্যে দোয়া করবে সবাই" !!
প্রত্যেকে আলাদাভাবে তাদের পরিবার এর সাথে একই কথা বলালো এবং এর পরে ২ দিন তাদের একসাথে সেই বদ্ধ ঘরে আটকিয়ে রাখলো (দিনে ১ বার খাবার সহ)।।
২ দিন পরে একই স্টাইল এ মাথায় পিস্টল ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাধ্য করলো যে " মা/বাবা আমি ভালো ভাবে কানাডা পৌঁছে গেছি, কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি, এমন কি আগামিকাল থেকে আমি কাজে জয়েন্ট করবো, তোমরা এনাদের প্রাপ্য টাকা দিয়ে দাও "!!
নিরিহ বাবা মা দ্বিধা না করে সবাই সবার চুক্তি সরূপ টাকা দিয়ে দিলো !!! টাকা হাতে পাবার গ্রিন সিগ্নাল পাবার পরে, প্রত্যেক কে একই স্টাইল এ নিউ দিল্লী স্টেশন এ পৌঁছে দেয় কোনও এক রাতের বেলায়,
সঙ্গে কলকাতা ফেরার ট্রেন এর টিকিট সহ।
আমাদের অনেক পরিচিত আত্মীয়স্বজন যাতে এইরূপ প্রতারণায় না পড়ে তাই পোস্ট করা....