Showing posts with label Education. Show all posts
Showing posts with label Education. Show all posts

Sunday, 11 August 2019

কিভাবে আমরা আমাদের লাইফে সফলতা অর্জন করতে পারি এবং এই সফলতার জন্য আমাদেরকে কি কি উপায় অবলম্বন করতে হবে।

আসসালামু আলাইকুম।
নাইন টেক বিডি তে সবাইকে স্বাগতম।
আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আজকে আমি আলোচনা করব কিভাবে আমরা আমাদের লাইফে সফলতা অর্জন করতে পারি এবং এই সফলতার জন্য আমাদেরকে কি কি উপায় অবলম্বন করতে হবে। 


শুরু করার আগে কিছু কথা বলতে চাই----

আমরা কেনো সফলতা অর্জন করবঃ
আপনি যখন জিতে যাবেন তখন আপনার চারপাশে
সবাই জিতে যাবে। সেই মুখগুলো আপনাকে
নিয়ে খুব গর্ব করবে একদিন যে মুখগুলো
আপনাকে দেখলে কালো হয়ে যেতো।
অনেক অপরিচিত মুখও আপনার কাছে পরিচিত হয়ে
যাবে। এমন অনেক জায়গা থেকে আপনার নাম্বারে
ফোন আসবে যাদের নামও আপনি শুনেন নাই।
আপনি হবেন সবার মধ্যমণি।
কিন্তু যদি আপনি হেরে যান, তাহলে শুধু আপনি একাই
হারলেন। কেউ আপনার সঙ্গী হবে না। একমাত্র মা
ব্যতিত। যে গার্লফ্রেন্ডের/বয়ফ্রেণ্ডের সাথে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত কথা বলে কাটিয়েছেন, যার জন্য মানি ব্যাগের চেইন পর্যন্ত ছিড়ে গেছে সেও দেখবেন আপনাকে ভুলে গেছে। হয়তো বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা
কোন এএসপিকে বিয়ে করে সুখের বাসর সাজাচ্ছে। যে আত্মীয় স্বজন এক সময় আপনাকে নিয়ে গর্ব করতো তারা আপনাকে নিয়ে টিজ করবে, তাদের কাছে হবেন আপনি তামাশার পাত্র। এই ভাবে বলবে "কিরে বাপের টাকা আর
কতদিন নিবি, অনার্স মাস্টার্স করে জীবনে কি করলি
... চাকরি বাকরি কোন কিছু কররে বাপু..... এইরকমও
আরো কত কিছু আপনাকে শুনতে হবে তার
কোন হিসাব নাই। এটাই অমানুষদের স্বভাব। আর
জেনে রাখবেন অনেক সময় অমানুষ গুলোর
ছেহেড়া দেখতে অবিকল মানুষের মতোই মনে
হয়।
প্রস্তুতিঃ
আপনি যখন দু:সময়ে থাকবেন তখন আপনার জবান
কে বন্ধ রাখুন। হতাশ হবেন না, ভেঙ্গে পড়বেন
না। নীরব নিস্তব্ধভাবে প্রস্তুতি নিন উপযুক্ত জবাব
দেয়ার জন্য। আর সেই জবাব টা কি জানেন??? শুধু
মাত্র একটা সফলতা। আপনার একটা সফলতা আপনার
সমস্ত সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেবে।
তাদের জন্য উপযুক্ত জবাব হয়ে যাবে। তাদের
মুখে সুপার গ্লুর মতো আটা লাগিয়ে দিবে। এবং এটা
আপনার দ্বারা খুবই সম্ভব। কিন্তু আমাদের সমস্যা
হচ্ছে আমরা সবাই জান্নাতে যেতে চাই কিন্তু
কেউ মরতে চাই না। কিন্তু সেটাতো অসম্ভব।

আর এই অসম্ভব কাজটাকে সম্ভব করার জন্য আপনার
জীবন থেকে চারটা "P' কে বাদ দিন আর ছয়টা টা
"P" কে জীবনের সাথে যোগ করুন। 
রব্বে কারীমের কসম করে বলছি, যদি এই গুলো
করতে পারেন তাহলে দুনিয়া আখেরাতের সফলতার
যত দরজা আছে সব আপনার জন্য খুলে যাবে।

যে চারটা P কে জীবন থেকে বাদ দিবেন:-----

প্রথম--P = Procrastination মানে হলো কাল ক্ষেপণঃ

আজ নয় কাল, কাল নয় পড়শু এভাবে শুধু নিজেকে পিছিয়ে। আপনাকে ডুবিয়ে দেয়ার জন্য
শয়তান আর প্রবৃত্তির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার এই একটা
P ই যথেষ্ট। আপনি ভাবছেন বিকাল থেকে পড়া শুরু
করবেন, কিংবা আগামীকাল থেকে পড়া শুরু
করবেন। মনে রাখবেন সেই বিকাল কিংবা
আগামীকাল আপনার জীবনে আর কখনো
আসবে না। সেটা শুধু "আগামী" বলেই থেকে
যাবে। খুব ভালো করে মনে রাখুন যে সময়টা
আপনি অনর্থক ফেইছবুক চালাচ্ছেন, কম্পিউটারে
গেইম খেলতেছেন, অনর্থকভাবে বন্ধুদের
সাথে ঘন্টার ঘন্টা টি স্টলে বইসা আড্ডা দিতেছেন,
রাতের পর রাত গার্লফ্রেন্ড কিংবা বয়ফ্রেন্ডের
সঙ্গে কথা বলে কাটাচ্ছেন ঠিক সেই সময়টাতে
আপনার অন্য একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
রাতের পর রাত, ঘন্টার পর ঘন্টা তার পড়ার পিছনে
ব্যয় করতেছে। তাহলে কিভাবে আশা করেন যে
আপনার আর তার ফলাফল এক হবে??? তাই এখনো
সময় আছে জীবন টাকে রুটিনে নিয়ে আসেন।
বাসার মধ্যে সময়টাকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগান।
অবসর সময় গুলোকেও কাজে লাগান প্যাডের
মাধ্যমে । ছোট ছোট প্যাড কিনুন। কোনটাতে
সাধারণ জ্ঞান লিখুন, কোনটাতে ভোকাবুলারি,
কোনটাতে বাংলা সাহিত্য... এভাবে লিখে আস্তে
করে নিজের প্যান্টের পকেটে ডুকিয়ে দেন।
টিউশনিতে গেলে, কিংবা কর্মক্ষেত্রে গেলে
ডেস্কের উপরে কিংবা আপনার চোখের সামনে
এটা কে রাখুন। স্টূডেন্ট পড়ানোর পাশাপাশি কিংবা
অফিসের কাজের ফাকে ফাকে যখনেই সুযোগ
পান একবার এটার দিকেন থাকান। রাস্তাঘাটে, কিংবা রিক্সায়
বাসে চড়ার সময় রাস্তায় সুন্দরী ছেলে
মেয়েদের দিকে না থাকিয়ে আপনার প্যাডের
দিকে থাকান। দেখবেন, দেখতে দেখতেই
আপনার সাধারণ জ্ঞান, ভোকাবুলারি, ইডিয়মস এন্ড
ফ্রেইজ কিংবা বাংলা সাহিত্য মুখস্থ হয়ে যাচ্ছে।
ভোকাবুলারি শেখার এর চেয়ে সহজ পন্থা আর
পাবেন না। জীবন টাকে এভাবেই মানিয়ে নিন।

দ্বিতীয়--P = Phobia মানে হলো ভয়ঃ

অনেক কিছুর ভয় হতে পারে যেমন নিজের অযোগ্যতার ভয়, নিজের অক্ষমতার ভয়, মানুষের সমালোচনার ভয়....
আরো কত কি। নিজের যোগ্যতা আর সক্ষমতার
ব্যপারে যদি আপনার ভয় হয়, তাহলে আপনার জন্য
বলছি, আপনি কি জানেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন
পবিত্র কোরআনে দুই প্রসিদ্ধ ফল আর দুইটা
পবিত্র এবং নিরাপদ নগরীর কসম খেয়ে
বলেছেন " আমি মানুষ কে অতি উত্তম গঠনে
সৃষ্টি করেছি " এই উত্তম গঠনের মধ্যে একটা
মানুষের যত ধরণের গুনাবলী দরকার যেমন তার
যোগ্যতা, সক্ষমতা, মেধা , শক্তি, সাহস, বীরত্ব সব
গুলো আল্লাহ দিয়ে দিয়ছেন। অর্থাৎ আপনার
মধ্যে অনেক যোগ্যতা আছে যা আপনি জানেন
না। কিংবা কখনো আপনি জানার চেষ্টাও করেন নাই।
তাই আপনার দায়িত্ব হলো আপনি নিজেকে নিজের
মধ্য থেকে আবিষ্কার করুন। আপনি যোগ্য বলেই
আপনি SSC, HSC, অনার্স, মাস্টার্স সব পাশ করছেন।
সুতরাং আপনি এই কথা বলবেন না যে চাকরি টা আমার
দরকার, কারণ এই কথার দ্বারা আপনার একটা অসহায়ত্ব
বুঝায় বরং আপনি বলুন এই চাকরিটা আমার জন্যই, আমি
চাকরিটা ডিজার্ভ করি। আমাকেই সেখানে যেতে
হবে। আমিই এটার উপযুক্ত ব্যক্তি। আর সমালোচনার
ভয়??? আপনি যদি V for vendetta মুভিটা দেখে
থাকেন তাহলে দেখবেন তাতে নায়কের একটা
monologue আছে যেখানে V দিয়ে অনেক
গুলো ওয়ার্ড বলা হয়। এদের মধ্যে একটা ওয়ার্ড
ছিলো Vermin যার অর্থ হলো নিচু শ্রেনীর
মানুষ বা জাত ছোটলোক। আর তারা কারা জানেন??
পশ্চাতে যারা আপনার সমালোচনা করে তারা হচ্ছে ঐ
vermin বা নিচু ও ছোটলোক শ্রেনীর মানুষ।
সুতরাং এদের সমালোচনা কানে নিয়ে এদের কে
উপরের শ্রেণীতে তুলবেন না । ছোটলোক
গুলোকে ছোটলোকের শ্রেনীতে
থাকতে দিন। এদেরকে ভালোওবাসবেন না ঘৃণাও
করবেন না। এদেরকে শুধু উপেক্ষা করুন। আপনার
আপন লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান।

তৃতীয়--P = Pessimistic বা হতাশগ্রস্থঃ 

এই P টাকেও আপনার জীবন থেকে দূর করতে হবে।
অবস্থার যতই অবনতি হোক না কেন, যেকোন
প্রতিকূল পরিস্থিতিই আসুক না কেন, কখনোই হতাশ
হবেন না। মনে রাখবেন এই দুর্যোগপূর্ন
পৃথিবীর কোন কিছুই চিরস্থায়ী নয়। এমন কি
আমাদের সমস্যা গুলোও। সব সময় নিজেকে আশা
ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আবদ্ধ রাখুন। ভাবুন আমার অবস্থা
যেমন তার চেয়েও আরো অধিক খারাপ হতে
পারতো। এখনতো অনেক ভালো আছি। খুব
শীঘ্রই আল্লাহ আমার দু:সময় দূর করে দেবেন।
আর আল্লাহ বান্দার আশা অনুযায়ী তার ব্যাপারে
ফায়সালা দেয়। নিজেকে সব সময় বলুন আমি
হেরে যাবার পাত্র নই। আমি হেরে যাবো বলে
স্বপ্ন দেখে নি। আমি ক্লান্ত কিন্তু আমি পরাজিত নই।
আমাকে আমার গন্তব্যে যেতেই হবে। আমি
থেমে যাওয়ার পাত্র নই। আমি লক্ষ্যে অবশ্যই
পৌছাবো।

চতুর্থ--P = Parasite মানে হলো পরজীবী। 

এই P টাকেও দূর করতে হবে। কারো কাছে
কোনভাবেই, না মানসিকভাবে, না আর্থসামাজিকভাবে
কখনো পরজীবী হবেন না। এক মাত্র আল্লাহ
ছাড়া কোন ব্যপারে কারো কাছে নির্ভরশীল
হবেন না । বন্ধুর নোট শীটের দিকে তাকিয়ে
থাকবেন না। নিজে নিজেই নোট করুন, নিজে
নিজেই পড়ুন। নিজের ব্যক্তি সত্ত্বার সাথে কাউকে
মিশ্রিত করবেন না। নিজের হৃদয়, মন, আবেগ
অন্যের হাতে তুলে দিবেন না। জীবনের চলার
পথটা একাই চলুন। একাকী পথ চলাটা কোন কঠিন কাজ
না, কিন্তু কঠিন হয়ে যায় তখন, যখন কেউ একজন
সঙ্গী হয়ে মাঝ পথ থেকে হারিয়ে যায়। যেটা
আপনাকে নীরবে নিভৃতে খুব ভোগাবে। যা
আপনি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবে না। হয়তো বা
আপনার ক্যারিয়ারের জন্য বিশাল একটা হুমকিও হতে
পারে। তাই এই Parasite এর P আপনার জীবন
থেকে দূর করতে হবে।

যে ছয়টা "P" আপনার জীবনের সাথে যোগ
করবেন:-

প্রথম--P = Positivity অর্থাৎ ইতিবাচক মনোভাবঃ 

এটার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি হলো " না এর সাথে না যোগ
করুন, আর হ্যা এর সাথে হ্যা "। কেউ যদি বলে
তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, সাথে সাথে
আপনিও বলে দিন "তোমার কথা ঠিক না", কেউ যদি
বলে চেষ্টা করো পারবে, আপনিও বলুন
ইনশাআল্লাহ, হ্যা আমি পারবো । সব কিছু ইতিবাচকভাবে
চিন্তা করুন। নিজেকে ও নিজের যোগ্যতাকে
রেস্পেক্ট করুন। জায়গা মতো সেগুলো কে
প্রদর্শন করুন কিন্তু অহংকার করবেন না। যোগ্যতা
প্রদর্শন এক জিনিস আর অহংকার আরেক জিনিস।
আল্লাহ আপনাকে যোগ্যতা দিয়েছে সেটা তার
পক্ষ থেকে আপনার উপর নিয়ামত। সেটাকে
ব্যবহার করার জন্যই দিয়েছে, সিন্দুকে তালা দিয়ে
রাখার জন্য নয়। এতে নেতিবাচক মানষিকতার মানুষ
গুলো আপনাকে গালি দিয়ে বলবে "শালা তো
নিজের ঢোল নিজে পিঠায় " আপনি বলে দিন আমার
ঢোল আছে দেখেই আমি পিঠাতে পারি, পারলে
আমার মতো একটা ঢোল অর্জন করে তুমিও
পিঠানো শুরু করো। নিজের আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্ন
গুলো কে সন্তানের মতো লালন পালন করুন। এই
গুলোই আপনার চুড়ান্ত অর্জনের প্রতিচ্ছবি হয়ে
উঠবে।

দ্বিতীয়--P = Passion বা অর্জন করার তীব্র আকাঙ্ক্ষাঃ 

এমন না যে পাইলে পাইলাম, না পাইলে নাই। এরকম মানসিকতা নিয়ে কখনো কোন কাজে সফল হতে পারবেন না। মানসিকতা এই রকম হওয়া চাই যে, আমার একটাই লক্ষ্য যে আমাকে ক্যাডার হতেই হবে, আমাকে জব
পেতেই হবে, আমাকে সফল বিজনেসম্যান
হতেই হবে -- দ্বিতীয় আর কোন অপশন নাই,
দেখেবেন এই দৃড় প্রতিজ্ঞাই আপনাকে
গন্তব্যে নিয়ে যাবে।

তৃতীয়--P = Plan বা পরিকল্পনাঃ

এর মানে হলো আপনার চারপাশে চড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলো এক ফ্রেমে আবদ্ধ করা। আর এর মূল উদ্দ্যেশ্য
হলো গুরুত্ব অনুযায়ী কাজকে প্রাধান্য দেয়া।
আমার কাজ তো অনেক আছে কিন্তু এই মুহুর্তে
কোন কাজটা আমার জন্য সবচেয়ে জরুরী
সেটাকে নির্ধারণ করে আগে করা। এভাবে
ক্রমায়ন্বয়ে এগিয়ে যাওয়া। প্লান ছাড়া কোন
কাজেই সফলতা আশা করা যায় না। দিন শেষে সবকিছু
পণ্ডশ্রম মনে হবে। তাই প্লান হচ্ছে সফলতার
মৌলিক ভিত্তি।

চতুর্থ--P = Perseverance মানে কঠোর অধ্যবসায়ের
সাথে অনুশীলনঃ

পরিশ্রম আর অনুশীলন
এই গুলো হচ্ছে এক ধরণের সুমিষ্ট পানীয়ের
মতো যে এটা যত বেশী পান করবে তার
জীবন ততবেশী সুমিষ্ট হবে। আপনি নিরবচ্ছিন্ন
ভাবে অনুশীলন চালিয়ে যান। একবার ব্যর্থ
হয়েছেন বলে থেমে যাবেন না , আবার শুরু
করুন। কাজের মধ্যে লেগে থাকুন। কাজ করতে
থাকুন ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ না আপনি আপনার
গন্তব্যে না পৌছিয়েছেন। অবিরামভাবে প্রচেষ্টা
চালিয়ে যান।

পঞ্চম--P = Patient বা ধৈর্যশীলঃ 

কাজ করতে করতে অনেক সময় বিরুক্তি চলে আসবে, কিংবা
হতাশা আসতে পারে কিন্তু এই মহুর্তে ধৈর্য্যের
সাথে সব কিছু মোকাবেলা করতে হবে। মনে
রাখবেন একটা রঙধনু দেখতে হলেও বৃষ্টির জন্য
অপেক্ষা করতে হয়, জোছনার আলো
উপভোগ করতে হলেও একটা রাতের জন্য
অপেক্ষা করতে হয় আর আপনি এমন কিছু অর্জন
করবেন যার মাধ্যমে আপনি সারাটা জীবন সুখে
শান্তিতে কাটাবেন, তার জন্য কিছু অপেক্ষা করবেন
না তা কি করে হয়। তাই অস্থিরও হওয়া যাবে না অলসও
হওয়া যাবে না। ধৈর্য্যের সাথে সব মোকাবেলা
করতে হবে। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে
আছেন।

ষষ্ঠ--P = Prayer বা দোয়াঃ

সফলতা হলো ৯৯% পরিশ্রম আর ১% দোয়ার যোগফল। তবে মাঝে মাঝে এই ১% যদি ঠিক না থাকে তাহলে বাকী ৯৯% ও অর্থহীন হয়ে পড়ে।
 অনেক আগে টিভিতে
একটা গাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিত এইরকম গাড়িটা ৯৯%
ভালো এর মধ্যে এ.সি, GPS সিস্টেম সেট করা
আছে, এক্সট্রা ব্যাটারি সহ আরো অনেক কিছু।
তবে ১% সমস্যা আছে আর সেটা হলো গাড়িটার
ব্রেক গুলো নষ্ট। তো এই গাড়িটার ৯৯%
যেরকমভাবে ১% এর জন্য অর্থহীন হয়ে
গিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমাদের ৯৯% পরিকল্পনা,
পরিশ্রম অর্থহীন হয়ে যাবে যদি আমাদের ১%
দোয়া ঠিক ভাবে না হয়, আল্লাহ যদি কবুল না করেন।
তাই আপনি যে ধর্মেরই হোন না কেন, হিন্দু, বৌদ্ধ,
খ্রিস্টান, ইয়াহুদি, ক্যাথলিক বা মুসলিম, আপনার পবিত্র
ধর্মীয় রীতিমতো আন্তরিকতার আপনার সৃষ্টি
কর্তার কাছে আপনার আকাঙ্ক্ষার জন্য প্রার্থনা
করুন। যারা মুসলিম আছেন তারা অবশ্যই পাঁচ ওয়াক্ত
নামায জামাতের সাথে পড়বেন। কোন অবস্থাতেই
এটা ছাড়বেন না। জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে।
পারলে শেষ রাতে তাহজ্জুদ পড়ুন। সে সময় দুয়া
কবুল হয়। আল্লাহর কাছে আকুতি মিনতি করে বলুন "
হে আল্লাহ তুমি আমাকে মানুষের কাছে
সমালোচনা বা তামাশার পাত্র বানিওনা। আমাকে যে
যোগ্যতা দিয়েছো তা কাজের লাগানোর তৌফিক
দেয়। কারো দুয়ারে লবিং এর জন্য দ্বারস্থ করিও না।
আমাকে নিরাপদে আমার সফলতার গন্তব্যে পৌছে
দেও। এইভাবে দোয়া করেন। মনে রাখবেন
একজন ভিক্ষুক যদি বার বার আমাদের দড়জায় এসে
কড়া নাড়ে তাহলে এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে
হলেও তাকে কিছু দান করে বিদায় করে দেই।
আমরা মানুষ হয়ে যদি এইরকম টা করতে পারি তাহলে
আমাদের রব আল্লাহর দড়জায় যদি আমরা বার বার কড়া
নাড়ি, তিনি অবশ্যই আমাদেরকে খালি হাতে ফিরিয়ে
দেবেন না।
At the end I will say that believe in your intuition
as well as inner wisdom and follow the
aforementioned instruction, In Sha Allah. Must
Success will come.
Best Of Luck guys.

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা ঃ
১. ফেইসবুক পেইজ
২. ফেইসবুক গ্রুপ
৩. টুইট্টার
৪. ইউটিউব 

Saturday, 3 August 2019

অনার্স এবং ডিগ্রী পাস কোর্সের মধ্যে পার্থক্য~ Difference between Honor's and Degree Pass Course

আসসালামু আলাইকুম।  বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন।
তো আজকে আমি আলোচনা করব অনার্স এবং ডিগ্রী পাস কোর্সের মধ্যে যে সকল পার্থক্য আছে সেগুলো নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক।

অনার্স এবং ডিগ্রী পাস কোর্সের মধ্যে পার্থক্যঃ ---
অনার্স এবং ডিগ্রীর মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য বিদ্যমান।
১. অনার্স হচ্ছে স্নাতক সম্মান আর ডিগ্রি হচ্ছে শুধু স্নাতক ।
২. অনার্স ৪ বছর মেয়াদি এবং ডিগ্রি ৩ বছর মেয়াদি।
৩. অনার্সে মূলত যেকোন এক বিষয়ের উপর খুঁটিনাটি পড়ানো হয় থাকে তাই তারা ওই বিষয়ের উপর দক্ষ হয়ে গড়ে উঠে ।
৪. আর ডিগ্রি আলাদাভাবে কয়েকটি বিষয়ের কিছু কিছু অংশ পড়ানো হয় । তাই ডিগ্রীর ছাত্রছাত্রীরা পঠিত কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে কিছু কিছু জ্ঞান লাভ করতে পারে ।
৫. সার্টিফিকেটের মান ডিগ্রীর চাইতে অনার্সের টার বেশি ।
৬. মাস্টার্স হচ্ছে ডিগ্রি করার পর ২ বছর মেয়াদি একটা কোর্স এবং অনার্স করার পর ১ বছর মেয়াদি একটা কোর্স যাকে স্নাতকোত্তর বলা হয় ।
৭. চাকরির ক্ষেত্রে অনার্স সম্পন্ন কারীদের সরাসরি অনেক ব্যাংক বা কোম্পানিতে চাকরিতে নিয়োগ দিয়ে থাকে
কিন্তু ডিগ্রি সম্পন্ন কারীরা মাস্টার্স সম্পন্ন না করলে নিয়োগ হয়না ।
৮. অনার্স শেষ করে সরাসরি বিসিএস দেয়া যায় কিন্তু ডিগ্রি করে মাস্টার্স না করলে বিসিএস দেয়া যায়না ।
৯. তবে ডিগ্রি করে মাস্টার্স করলে উভয়ের মান এবং
অগ্রাধিকার সমান হয়ে যায় ।
১০. এমনকি অনেক সময় বা এখনো অনেক ছাত্রছাত্রী
আছে যারা ডিগ্রি শেষ করে মাস্টার্স করে মেধা বা
রেজাল্টে অনার্স এবং মাস্টার্স কারীদের চাইতে অনেক এগিয়ে এবং ভালো প্রতিষ্ঠানে বা সরকারি জব করছে ।
যেখানে অনেক অনার্সের ছাত্র ছাত্রী চাকরির জন্য
হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ।


---------
আপনি কেন ডিগ্রী পড়বেন?
নিচে উত্তর দেওয়া হল>>>>>
১→ বর্তমানে অনার্স আর ডিগ্রীর মধ্যে ১টাই পার্থক্য তাহলো> অনার্স ৪ বছরের কোর্স আর ডিগ্রি ৩ বছরের কোর্স।
২→ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্সে আপনাকে যে সাবজেক্ট দিবে সে সাবজেক্ট দিয়ে অনার্স ও মাস্টার্স করতে হবে। কিন্তু ডিগ্রির ক্ষেত্রে পুরোপুরি স্বাধীনতা দেওয়া হয় একজন স্টুডেন্ট কে। নিজের ইচ্ছানুযায়ী ডিগ্রি তে পঠিত ৩ সাবজেক্ট থেকে ১টি নিয়ে মাস্টার্স করা যাবে।
৩→ অনার্স কমপ্লিট করে ১ বছর লাগবে মাস্টার্স করতে আর ডিগ্রি কমপ্লিট করে মাস্টার্স করতে ২ বছর লাগবে।
৪→ সরকারি স্নাতক পাসে মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদেরকে উপবৃত্তি দিচ্ছে। বছরে ৪৯০০ টাকা করে উপবৃত্তি দেয়। ৩ বছরে মোট ১৪৭০০ টাকা পাওয়া যায়। অনার্সে কিন্তু উপবৃত্তি দেওয়া হয় না।
৫→ বর্তমানে যারা ডিগ্রি তে ভর্তি হবে তাদের কোনো সেশনজটে পড়তে হবে না।
৬→ বর্তমানে ডিগ্রি সিলেবাস অনার্সের ক্যাটাগরিতে। ইনকোর্স পরীক্ষা ২০ মার্কস এবং মূল পরীক্ষা ৮০ মার্কের হয়।
৭→ ২০১৩-১৪ সেশনে ডিগ্রি তে প্রতি বছর ৭টি সাবজেক্ট পড়ানো হচ্ছে, ৩ বছরে ২১ টি সাবজেক্ট পড়তে হবে।
৮→ ২০১৩-১৪ সেশন থেকে ডিগ্রি তে সিজিপিএ সিস্টেমে রেজাল্ট পাবলিশ করা হচ্ছে।
৯→ সিজিপিএ এবং ক্রেডিট সিস্টেম চালু হওয়ায় আগের থেকে ডিগ্রি পাস কোর্সের গ্রহনযোগ্যতা অনেক গুণ বৃদ্বি পেয়েছে।
১০. ডিগ্রি কমপ্লিট করে মাস্টার্স করে অনেকে বিসিএস হচ্ছে। ★★★ ২০১২ সালে ডিগ্রি পড়ে একজন প্রশাসনে সারা বাংলাদেশে প্রথম হয়েছিলেন।
সেও কিন্তু একজন ডিগ্রীর ছাত্রই । এটি তিনি তার মনের জোরে অসাধ্য কে সাধন করেছেন।
মোট কথা আপনি যেখানেই থাকেন না কেন, যে বিষয়েই পড়েন না কেন----!
মেধা এবং যোগ্যতা দিয়ে ভালো কিছু দেখাতে পারলে প্রত্যেকটা শিক্ষা শাখাই ভালো ।
আশা করি সব কিছু বুঝতে পেরেছেন ।ডিগ্রী পড়েও অনেক ক্ষেত্রে সফলতা লাভ করা যায় যদি নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকে।
আত্মবিশ্বাস না থাকলে কিন্তু আপনি সাকসেস হতে পারবেন না। আপনি যদি নিজেই ডিগ্রী তে পড়ে ডিগ্রি কে মূল্যায়ন করেন না তাহলে অন্যরা কিভাবে মূল্যায়ন করবে?
আপনি অনার্স চান্স পেলেন না এখন ডিগ্রি পড়বেন বা ১ বছর লস করে আরেকবার অনার্সের জন্য ট্রাই করলেন তাহলে এটা হবে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।
-------
আপনি যদি মনে করেন আপনার বন্ধু অনার্স করছে আর আমি ডিগ্রি করব?! ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে! তাহলে কিন্তু আপনি আপনার অনার্স পড়ুয়া বন্ধু থেকে পিছিয়ে যাবেন। আপনার মনোবল ভেঙ্গে যাবে।

পরিশেষে বলতে চাই, ভাল রেজাল্ট করলে সবখানে কদর পাওয়া যায়। আর মনে আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে।
*পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Wednesday, 31 July 2019

সাবান তৈরি করুন ঘরে বসেই

আসসালামু আলাইকুম।
বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভাল আছেন।
আজকে আমি আলোচনা করব কিভাবে ঘরে বসেই আপনি সাবান তৈরি করবেন।

মনে হয়তো প্রশ্ন জাগতে পারে যে বাজার থেকেইতো সাবান কেনা যায় বাসায় বানানোর ঝামেলা করার দরকার কি? কেনা জিনিস আর নিজে বানানো জিনিস এর মধ্যে কিছুটা হলেও পার্থক্য আছে। আর নতুন একটা জিনিস শিখলেও মন্দ কি? তো চলুন শুরু করা যাক…
যা যা লাগবেঃ
→৫০ মিঃ লিঃ নারিকেল তেল ( প্যারাসুট নারিকেল তেলের →৫০ মিলির প্লাস্টিক বোতল পাওয়া যায় ) ,
→৫০ গ্রাম সোডিয়াম হাইড্রক্সাড NaOH ( এতো কঠিন নাম মনে রাখার দরকার নাই, দোকানে গিয়ে কস্তিক সোডা বললেই দিয়ে দিবে )
লবন।
কি করতে হবেঃ


১. ছোট একটি কড়াই বা পাতিল নিন।
২. তাতে তেল ঢেলে দিন ।
৩. একটু গরম করুন ( ১ মিনিট হলে হবে )
৪. সাবধানে তেলের সাথে কস্তিক সোডা মেশান ।
৫. কিছুক্ষন গরম করুন।
৬. যখন দেখবেন করাই এ সাদা সাদা শক্ত বস্তু ( সাবান ) দেখা যাচ্ছে তখন করাই নামিয়ে ফেলুন।
৭. এবার পাত্রে হাল্কা পরিমান লবন দিন ( গ্লিসারিন থেকে সাবান আলাদা করার জন্নে লবন দিতে হবে, লবন না দিলে ও হবে – এ লাইন টুকু না বুজলে ও চলবে )
৮. সাবান রোঁদে শুকিয়ে নিন।
৯. সাবানের নির্দিষ্ট আকার দিন।
ব্যাস , প্রস্তুত হয়ে গেল সাবান। বাসায় প্রস্তুত করা এ সাবান অধিক ক্ষার যুক্ত , তাই ব্যবহার করার সময় সাবধান থাকুন। 
সতর্কতাঃ
১. করাই এ কস্তিক সোডা ঢালার সময় সাবধান থাকতে হবে। 
২. এ সাবান অধিক ক্ষার যুক্ত, তাই বাচ্চাদের হাতে দিবেন না ।
পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। পোস্টটি কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।

Saturday, 27 July 2019

"ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়" - এমন একটি ঘটনা নিয়ে হাজির হলাম যা আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে


একদিন এক বাবা তার ছেলেকে একটি পুরোনো টি-শার্ট হাতে দিয়ে বলে এটির কত দাম হতে পারে? ছেলেটি বলে এক ডলার। তার বাবা তাকে সেটি দুই ডলারে বিক্রি করার জন্য বলে। সে অনেক চিন্তা করছিল। পুরোনো টি-শার্ট কিভাবে সে দুই ডলারে বিক্রি করবে। কিশোর ছেলেটি পুরোনো ও ময়লা টি-শার্টটিকে ধুয়ে পরিষ্কার করল। এরপর রোদে শুকিয়ে পুরোনো কাপড়ের স্তুপের নিচে রেখে সমান করল টি-শার্টটি। তারপর দীর্ঘ ছয় ঘন্টা চেষ্টার পর সে পাতাল রেলের এক যাত্রীর কাছে টি-শার্টটি দুই ডলারে বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছিল। তার বাবা তার কাজে খুশি হয়েছিল।

পরের দিন ঠিক একই রকম একটি ময়লা টি-শার্ট ছেলেটিকে দিয়ে বলে তা ২০ ডলারে বিক্রি করতে। এই ২০ ডলার তার পরিবারের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। ছেলেটি তার বাবার কথায় হেসেছিল। কারণ এত পুরোনো জামা ২০ ডলারে কোনভাবেই বিক্রি সম্ভব না। তবুও সে চেষ্টা করে দেখলো। প্রথমে তা সুন্দর করে ধুয়ে পরিষ্কার করল। সে আগের দিনের দুই ডলার দিয়ে কিছু রঙ ও তুলি কিনল। সে তার এক বন্ধুর কাছে গেল যে কিনা ভালো ছবি আঁকাতে পারতো। তার বন্ধু ঐ টি-শার্টটির উপর একটা মিকিমাউসের ছবি একে দিল। তারপর সে জামাটি বিক্রি করার জন্য অনেক জায়গায় গেল। প্রায় সারাদিন চেষ্টার পর শহরের ধনী শিশুদের কিন্ডারগার্ডেন এর এক শিশুর অনেক পছন্দ হয়ে গেল এবং সেটা কিনার জন্য বায়না ধরল। শিশুটির বাবা জামাটি ২০ ডলারে শুধু কিনলেনই না তাকে আরো পাঁচ ডলার বখশিশও দিল। আর এই ২৫ ডলার ছিল তার পরিবারের সারা সপ্তাহের উপার্যন যা সে একদিনেই আয় করেছিল।
ছেলের উদ্দীপনা দেখে বাবা অনেক আনন্দিত। 



পরেরদিন একই ভাবে আরেকটি পুরোনো জামা ছেলেটিকে দিয়ে তা ২০০ ডলারে বিক্রি করার জন্য বলে। এবারে ছেলেটি খুব চিন্তা করে আর ভাবতে থাকে কিভাবে সে এই কাজটি করতে পারে। সে সময় আমেরিকায় ‘ চার্লস এঞ্জেলস ’ চলচ্চিত্রটি ছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ছবিটির নায়িকা ফারাহ ফওলার নিউইয়র্কে আসেন চলচ্চিত্রটির প্রোমোশনের কাজে। প্রেস কনফারেন্স শেষে যখন তিনি গ্রীণরুমে যান তখন দেখেন এক ছোট কিশোর দাঁড়িয়ে আছে। সে তার টি-শার্টে অটোগ্রাফ চায়। এমন ফুটফুটে ছোট ছেলেটির আবদার তিনি ফেলতে পারেন নি। পরের দিন মাইকেল ব্রুকলিনের নিলাম ঘরে যান মিস ফারাহ ফাওলারের নিজের হাতে অটোগ্রাফ দেয়া জামাটি নিলামে বিক্রি করার জন্য। নিলামে ছেলেটি টি-শার্টটিকে ১২৫০ ডলারে বিক্রি করতে সক্ষম হন।
ছেলেটি যখন নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিল, পড়াশুনায় একদম ই ভালো লাগছিলনা তখন সে তার বস্তির পাশের টিলার উপরে প্রতিদিন বসে থাকত আর সূর্যাস্ত দেখত। ঠিক তেমন সময় ছেলেটির বাবা তাকে পাশে ডেকে নিয়ে বললেন,” তুমি টি-শার্ট বিক্রি থেকে কি শিক্ষা পেলে?” 

ছেলেটি তখন অনেক চিন্তা ভাবনা করে গম্ভীর ভাবে উত্তর দিয়েছিল, “ Where there’s a will, there’s a way.”
এই গল্পটি ছিলো American basketball player মাইকেলের জর্ডানের ।
সংগৃহীত

Tuesday, 23 July 2019

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় কত পয়েন্ট লাগবে জেনে নিন।

শিক্ষার্থী যে কোন শিক্ষা বোর্ড এর যে কোন শাখা থেকে এসএসসি/সমমান ২০১৬/২০১৭ এবং এইচএসসি/সমমান ২০১৮/২০১৯ সালের পরীক্ষায় ৪র্থ বিষয় সহ নূন্যতম ২ জিপিএ প্রাপ্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় থেকে SSC ও HSC সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রাথীরা উপরোক্ত শর্ত সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের HSC সমমান কোর্সসমূহ থেকে
i) এইচ.এস.সি.(ভোকেশনাল)
ii) এইচ.এস.সি. (বিজনেস্ ম্যানেজমেন্ট)
iii) ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এ ভর্তি কার্যক্রমে আবেদন করতে পারবে।
প্রার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় পঠিত বিষয়সমূহ থেকে ভর্তি যোগ্য (Eligible) বিষয় নির্ধারণ করা হবে। উক্ত পঠিত বিষয়ে (২০০ নম্বরের) ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৩.০ থাকতে হবে।
২০১৬/২০১৭ সালের O-Level পরীক্ষায় তিনটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত ০৪ (চার) টি বিষয়ে উত্তীর্ণ এবং ২০১৮/২০১৯ সালের A- Level পরীক্ষায় একটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত ০২ (দুই) টি বিষয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এ ভর্তি কার্যক্রমে আবেদন করতে পারবে তবে প্রার্থীদের ভর্তি নির্দেশিকার অন্যান্য সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। এ সকল প্রার্থীদের ডীন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।
তো শুরু করা যাক কোন ভার্সিটিতে পরীক্ষা দিতে কত পয়েন্ট লাগবে।
.
.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
→→SSC HSC total GPA (৪র্থ বিষয় সহ)
A – 3.50 3.50 8.00
B – 3.50 3.50 7.00
C – 3.50 3.50 7.50
D – 3.00 3.00 (স্ব স্ব বিভাগের জিপিএ)
E – 3.00 3.00 6.50
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়:
→→SSC – HSC total GPA with 4th sub:
A – 3.50 3.50 8.00
B – 3.50 3.50 7.50
C – 3.50 3.5 8.00
D—Science: 3.00 3.00 7.50
Others: 3.00 3.00 7.00
E – 3.50 3.50 6.50
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়:
SSC – HSC total GPA with 4th sub:
A (গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক)– 3.50 3.50 8.00(CSE=9.00)
B (সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ)– 3.50 3.50 7.00 (science=8.00)
C (কলা ও মানবিক)– 3.00 3.00 7.00 (science=7.50)
D (জীববিজ্ঞান)– 3.50 3.50 8.00
E (বিজনেস স্টাডিজ)– 3.50 3.50 7.50 (science=8.50)
F (আইন)– 3.50 3.50 7.50(science=8.00)
G (IBA)– 4.00 4.00 8.00(science=8.50)
H (IT)– 3.5 3.50 (only science=8.00)
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:
বিজ্ঞান- ৮.৫০
বানিজ্য- ৮.০০
মানবিক- ৭.৫


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়:

SSC HSC উভয
A – 3.00- 3.00 -7.00
B – 3.50 -3.50 -7.00
B – 3.50 -3.50 -7.00
E – 4.00 -4.00 -7.00
F – 3.00 -3.00 -7.00
L – 3.00 -3.00 -7.00
S – 3.00 -3.00 -7.00
চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালঃ
*বিজ্ঞান বিভাগের জন্য SSC&HSC তে সর্বনিম্ন ৩ পয়েন্ট থাকতে হবে এবং মোট GPA ৬.৫০
*মানবিক বিভাগের জন্য SSC& HSC তে সর্বনিম্ন ২.২৫ পয়েন্ট থাকতে হবে এবং মোট GPA ৫.৫
*ব্যবসায় বিভাগের জন্য – SSC& HSC টে সর্বনিম্ন ৩ পয়েন্ট থাকতে হবে এবং মোট GPA ৬.৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়:
SSC – ও HSC উভয়। মোট GPA
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়:
SSC – HSC total GPA with 4th sub:
A মানবকি – 3.00 3.00 6.50
A বিজ্ঞান – 3.00 3.00 6.50
A ব্যবসায় – 3.00 3.00 6.50
B মানবকি – 3.25 3.25 7.00
B বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
B ব্যবসায় – 3.50 3.50 7.50
C মানবিক – 3.00 3.00 6.50
C বিজ্ঞান – 3.50 3.00 7.00
C ব্যবসায় – 3.00 3.00 6.50
D বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
E বিজ্ঞান– 3.50 3.50 7.50
F মানবিক – 3.00 3.00 6.50
F বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
F ব্যবসায় – 3.50 3.50 7.50
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
SSC – ও HSC total GPA with 4th sub:
A – মানবিক 3. 00 3.00 6.50 বিজ্ঞান – 3.25 3.25 7.00 ব্যবসায় – 3.25 3.25 6.75
B মানবিক – 3.00 3.00 6.50 ব্যবসায় – 3.25 3.25 6.75
C বিজ্ঞান – 3.25 3.25 7.50
D+ E+ F বিজ্ঞান শাখা 3.50 3.50 7.50
G – মানবিক ও ব্যবসায় 3.25 3.25 6.75 বিজ্ঞান শাখা 3.50 3.50 7.25
H মানবিক – 3.00 3.00 6.50 ব্যবসায়- 3.25 3.25 6.75 বিজ্ঞান- 3.25 3.25 7.00
জাতীয় কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
SSC – ও HSC উভয়টিতে
A – 3.00 মানবিক – 6.00
B – 2.50 ব্যবসায় – 6.50
C – 3.00 বিজ্ঞান – 7.00
D – 3.00 অন্যান্য – 7.50
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
SSC ও HSC total with 4th sub:
Aবিজ্ঞান – 3.00 -7.00
B মানবিক– 3.00 -6.50
C ব্যবসায়– 3.50 -7.00

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
*মানবিক: ৪র্থ সহ-৬.৫০
*ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৬.৫০
*বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ ৬.৫০
হাজী মোঃ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিনাজপুরঃ
*মানবিক: ৪র্থ সহ-৬.৫০
*ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৬.৫০
*বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৬.৫০
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
(মানবিক: ৪র্থ বাদে-৬.০০),
(ব্যবসায়ে: ৪র্থ বাদে-৬.০০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থ বাদে-৬.০০)
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
(বিজ্ঞান: ৪র্থ বিষয় সহ-৭.০০)
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
(মানবিক: ৪র্থবাদে-৬.০০),
(ব্যবসায়ে:৪র্থ বাদে-৬.৫০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থ বাদে-৬.৫০)
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
(মানবিক: ৪র্থবাদে-৬.৫0),
(ব্যবসায়ে:৪র্থ বাদে-৬.৫০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থবাদে-৬.৫০)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়:
(মানবিক: ৪র্থবাদে-৬.৫০),
(ব্যবসায়ে:৪র্থ বাদে-৬.৫০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থবাদে-৭.০০)
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
এস.এস.সি ও এইচ. এস. সি পরীক্ষায় ৪র্থ বিষয় সহ নূন্যতম ৪.০০ সহ মোট নূন্যতম জিপিএ ৮.৫০ থাকতে হবে।