Friday, 10 May 2019

অনলাইন ইনকামের A টু Z

আপনি কি অনলাইনে ইনকাম করতে চান? এই বাক্যের উত্তর ১০০% হ্যা হলেও বাংলাদেশে শতকার ০.০১% সফল ফ্রিল্যান্সার আপনি নিজে কি চোখে দেখেছেন?

বাংলাদেশে ২ প্রকার লোক পাওয়া যায়:
(১) যারা মুখে মুখে বাজিয়ে বেড়ায় তারা ইন্টারনেটে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করেন এমনকি এদের ফেসবুক হতে টেকটিউনস কিংবা বিভিন্ন টেক-সাইটে খুজে পাবেন।
এর ১০০% ফ্রড এদের কথার পিছে লুকিয়ে আছে রেফারেল/ কোচিং ব্যবসা/এফিলিয়েট মার্কেটিং কিংবা সোজা কথাতে ধান্দাবাজ!
(২) এমন মানুষ ইন্টারনেটে বহু খুজে পাবেন যারা অনলাইনে ইনকাম করতে চান কিন্তু হাজার পথ ট্রাই করেও সফল না হলে বলেন “ধুত্তরী ছাই” এই শ্রেনীর ভেতর বোধহয় আপনি আর আমিও আছি!
শুরুর কথা:

সবার আগে কিছু কথা মাথাতে ঢুকিয়ে রাখুন:
(১) আর্নিং এপ্স/সাইট খ্যাত এমন সব এপ্স/সাইটে কাজ করবেন না যেখানে দিনে ৮/৯ ঘন্টা বসে বোকার মতোন এড দেখে দিনশেষে ২/৫ টাকা ইনকাম হয়; আর এডমিন টাকা মেরে পালালে তো ষোলকলা পূর্ণ হলোই।

মনে রাখুন “আপনার সময়ের মূল্য আপনিই মূল্যায়ন করতে শিখুন কেননা টাকা গেলে টাকা আসে কিন্তু সময় গেলে আর ফিরে আসেনা”
(২) রেফারেল/ লিংক শেয়ার করে কেউ কি কখনো কোটিপতি হয়েছে? সুতরাং অন্যের ব্যবসার কলুর বলদ হওয়া হতে বিরত থাকুন।
(৩) সবার আগে সচেতন হউন; অন্যের কথাতে কান দেবার আগে গুগল সার্চ করবেন কেননা মনে রাখুন “ফ্রিতে আপনাকে টাকা দেবার মতো কোন আলাদিনের দৈত্য জগতে নেই” সুতরাং কেউ কিছু অফার করলে সেটা চেখে দেখার আগেই পেটপূর্তি করবেন না।

আপনি কি ভেতরে কি আছে?
আল্লাহ তাআলা আমাদের সৃষ্টি করার সাথে সাথেই আমাদের মাথাতে মেধা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন অথচ আমরা ৯৯% মানুষই সেটা খুজে পায়না আর বাকি ১% যারা খুজে বের করতে পারেন তারাই সেলেব্রিটি তারাই সফল।
সবার আগে নিজের ভেতর কি যোগ্যতা আছে

সেটা খুজে বের করুন:
(১) আপনি কি ওয়েবসাইট বানাতে পারেন?
(২) ওয়েবসাইট এসইও করতে জানেন?
(৩)ওয়েবসাইট ডেভলপ করতে পারেন?
(৪)ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারেন?
(৫) সফটওয়ার তৈরী করতে পারেন?
(৬) সফটওয়ার ডেভলপ করতে পারেন?
(৭) ভালো লেখালেখি করতে পারেন?
(৮) ভার্চুয়াল সার্ভে করতে পারেন?
(৯) কোডিং জানেন?
(১০) প্রোগামিং পারেন?
(১১) সোস্যাল মার্কেটিং করতে পারেন?
(১২) হ্যাকিং পারেন?

উপরের সকল প্রশ্নের উত্তর যদি “না” হয় তাহলে একটা চূড়ান্ত প্রশ্ন করি “আপনি স্বপ্ন দেখতে জানেন? ” এর উত্তর যদি “হ্যা” হয় তবে আপনি আউটসোর্সিং /অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন।



টিউটোরিয়াল এর নিচের দিকে আপনি মনোযোগ নিয়ে এগিয়ে যান….
স্বপ্ন দেখুন:
আজকের দিনে GOOGLE কিংবা Facebook অথবা Apple এর প্রতিষ্ঠাতা’রা তাদের লাইফটা কীভাবে শুরু করেছিলো?
তাদের সবার শুরু গল্পটা ঐ একই “ছোট একটা স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই না” তাহলে আপনি কেন পারবেন না? স্বপ্ন দেখতে কেন এতো ভয়??
ভাবছেন তাদের তো অনেক টাকা ছিলো আর আপনার তো পকেট শূন্য তাহলে স্বপ্ন সফল হবে কিভাবে?!

সত্যটা হলো “স্বপ্ন দেখতে জিগার লাগে আর পূরণ করতে হিম্মত লাগে” এককালে কে এফসির প্রতিষ্ঠাতে প্রতিবেশীর নিকট ধার করে ফ্রাই বানিতে সেই ফ্রাই আবার প্রতিবেশীর দুয়ারে বিক্রি করে টাকা কামাতেন তাহলে আপনি কেনা পারবেন না?

আর কেএফির লোগোতে একটা বুড়া মানুষের ছবি দেখেছেন?
তিনি জীবনের শেষদিকে কেএফসি শুরু করেছিলেন তাহলে আপনি কেন পারবেন না?
বয়স কখনো স্বপ্ন দেখার পথে কাটা নয়, হীনমন্যতা কাটিয়ে উঠুন!

ওয়েবসাইট কিভাবে বানাবেন?
আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন ওয়েবসাইট কিভাবে বানাতে হয় এবং আমি আমার পূর্বের আর্টিকেলে এই বিষয়টি ডিটেইলস সহজ ভাষায় বোঝানোর চেষ্টা করেছি তবুও এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে বললাম; সবার আগে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হবে তারপর তা বিল্টআপ করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইট ডিজাইন-ডেভলপ করতে হবে। এরপর সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট কাজটা হলো ঐ ওয়েবসাইটের এসইও করা তথা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন করা
,ব্যাস আপনার ওয়েবসাইট তৈরী।

কিন্তু যদি আপনার ডোমেইন, হোস্টিং কেনা কিংবা ডেভোলপ-ডিজাইন করার মতোন টাকা না থাকে তাহলে কি করবেন?


তথাপি এসইও বিষয়টার নলেজ গ্যাদার করাও তো খুব সহজ কাজ না, সেক্ষেত্রে কি করবেন?
আমরা ২ টা কাজ করতে পারি: (১) সাবডোমেইন চুজ করতে পারি (২)ফ্রি লো লেবেল ডোমেইন দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারি।

আর হোস্টিং না কোন ফ্রি প্লান বাছাই করলাম।
কিন্তু যেহেতু “সস্তার তিন অবস্থা” তাই আমরা একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করবো। আমরা সবার আগে একটা ব্লগসাইট খুলবো সেটার জন্য www.blogger.com সাইটে গিয়ে আপনার জিমেইল দিয়ে সাইনআপ করুন এবং আপনার ওয়েবসাইটের শিরোনাম এবং URL লিংক সিলেক্ট করে একটা মনমতো টেম্পলেট চয়েজ করুন তাহলেই আপনার ওয়েবসাইট তৈরী।
এখন আপনার ওয়েবসাইট হয়তো হতে পারে yourname.blogspot.com যেখানে blogspot লেখাটা দেখতে কেমন জানি লাগে তাইনা? এমনকি কাউকে আপনার ওয়েবসাইট এড্রেস দিতে গেলে সাবডোমেইন দেখতে খুব দৃষ্টকটু হতে পারে। কিন্তু যতোই যা বলুন ফ্রি’তে বেস্ট সার্ভিস এটাই!

আসুন এবার সাবডোমেইন এর বিহিত করা যাক। সবার আগেও আপনি dot.tk ওয়েবসাইটে যান এবং আপনার পছন্দ মতো ডোমোইন নেম লিখে সার্চ করে দেখুন তা এভিলেবল আছে কিনা? যদি এভিলেবল থাকে তবে তা ক্রাফ্ট করুন এবং ১২ মাসের জন্য ফ্রি রেজিস্টার করে নিন। এরপর সবশেষে লিংক ফরোয়ার্ড করে নিন আপনার ঐ ব্লগসাইটের সাথে; যেমন কেউ যদি yourname.tk ওয়েবসাইট লিখে এন্টার করে তাহলে সে রিডাইরেক্ট হয়ে yourname.blogspot.com ওয়েবসাইটে চলে যাবে।

এবার হয়তো মনে হতে এই tk/ml/cf এইগুলা দেখতে ভালো লাগে না এইসব তো লো-লোবেল ডোমেইন তাদের বলি “আপনি একেবারে লো লেবেল হতে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন তাই জিরো হতে হিরো হওয়ার সময় নাক সিটকোটে নেই”!
আর হ্যা, এসইও করার জন্য আপনাকে খুব বেশী চিন্তা করতে হবেনা আপনি www.google.com/addurl সাইটে গিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের url যুক্ত করার রিকুয়েস্ট সাবমিট করতে পারেন আর এপ্রুভ হলে কয়েক ঘন্টা-কয়েক দিনের মাঝে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে চলে আসবে এছাড়াও আপনার blogspot সেটিংস হতেও search অপশন হতে আপনার ব্লগসাইটটি SEO করতে পারেন।

ওয়েবসাইট হতে ইনকাম করবেন কিভাবে?
সবার আগে বলি আপনি Google এর এডসেন্স পাওয়ার চেষ্টা করুন ; গুগল এডসেন্স শর্তগুলা আগে আগে মানতে হবে তবেই গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করবে নয়তো না তাই এডসেন্স আবেদন করার আগে নিজের ওয়েবসাইট এডসেন্স উপযোগী কিনা সেটা আগে বিবেচনা করুন।
আশা করা যায় যদি আপনার ওয়েবসাইট গুগল বর্ণিত শর্তগুলার আওতায় পড়ে তাহলে নিশ্চিত আপনি গুগল এডসেন্স হতে আপনার ওয়েবসাইটে এডভারটাইজমেন্ট হতে বেশ ভালো পরিমান টাকা আর্ন করতে পারবেন।
তারপরো ধরলাম আপনি গুগল এডসেন্স পেলেন না তাহলে কি করবেন?

এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারে revenuehits যেখানে কঠিন কড়াকড়ি শর্ত ছাড়াই আপনি আপনার ওয়েব সাইটে এড বসিয়ে টাকা আর্ন করতে পারবেন।
এছাড়াও আপনারা ওয়েবসাইট যদি এই টেকটিউনস/সামু ব্লগের মতো পপুলার হয় তবে দেশীয় কোম্পনী হতেও এড বসিয়ে হাতে হাতে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

ব্যাতিক্রম কিছু করুন:
সবাই হয়তো তার ওয়েবসাইটে গল্প/কবিতা কিংবা ট্রিপ/ট্রিকস ইত্যাদি নিয়ে গড়পড়তা কনটেন্ট তৈরী করে কিন্তু আপনাকে স্পেশাল হতে হলে আপনাকে সবার থেকে আলাদা কিছু করতে হবে। যেমন আপনি নিজে এমন একটা সোস্যাল নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট খুলতে পারেন যা পুরোপুরি ফেসবুকের মতোন কিংবা ইউটিউবের মতোন।

হয়তো ভাবতে পারেন এটা কিভাবে পসিবল?!
সবার আগে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের কন্ট্রোল প্যানেল বা C panel এ যান তারপর সফ্টাকুলাস হতে সোস্যাল নেটওয়ার্ক ক্যাটাগরিতে Dolphin, Humbum ইত্যাদি বহু প্রকার সফটওয়ার আপনার চয়েজ মতো ইনস্টল করতে পারেন তাতে আপনার ওয়েবসাইট হয়ে উঠবে ফেসবুকের/টুইটারের মতোই নতুন এক সোস্যাল নেটওয়ার্ক।

তবে যেহেতু বেশীর ভাগই ডেমো ভার্সন ছাড়া টাকা দিয়ে কিনতে হয় তাই আমি সাজেস্ট করবো Oxwell যারা লাইফ টাইম ফ্রি সার্ভিস দিতে সক্ষম।

এছাড়াও ইউটিউবের মতোন বানাতে চাইলে আপনি Video ক্যাটাগরিতেও আপনি এমন সাফটওয়্যার সেখানে পাবেন।
আবার আপনি চাইলে ম্যানুয়ালি Open Source Network এর ডেমো ভার্সন ডাউনলোড করে (Zip Formation) আপনার ওয়েবসাইটের C panel এর ফাইল ম্যানেজারে Unzip করেও হয়ে যেতে পারেন বাংলাদেশের একটা নতুন মার্ক জুকারবার্গ!

হ্যাকিং শিখে হতে পারেন কোটিপতি :
কথাটা খুব একটা সত্য না হলেও একেবারে যে মিথ্যা সেটাও না বরং হ্যাকিং প্রফেশনটার পিছে আছে একটা অন্যরকমের রোমাঞ্চকর এডভেঞ্চার আর ফেইমে গাথা বিপুল টাকা!
হ্যাকার হয়েও আপনি হালাল পথে টাকা ইনকাম করতে পারেন একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট হয়ে; বর্তামান বাংলাদেশে এমন সিকিউরিটি স্পেশালিষ্টের কদর কম নয়।

এছাড়া বাগ বাউন্টি শিখে আপনি ঘরে বসেই কোটি ডলার কমাতে পারেন। আপনি হয়তো জানেন Google বা Facebook এর মতোন বড় বড় কোম্পানি তাদের ওয়েবসাইট সুরক্ষাতে এমনি বাগ বাউন্টি আয়োজন করে যেখানে তাদের ওয়েবসাইটের বাগ( দূর্বলতা) ধরিয়ে দিতে পারলে ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ তাদের পুরষ্কৃত করে থাকে।
হ্যাকারেরা যে শুধুৃমাত্র ওয়েবসাইট হ্যাক করে এমনটা নয় বরং তারা কম্পিউটারের ক্যাবল হতে ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড অবধি হ্যাকিং লীলা চালাতে সক্ষম তবে নৈতিকতা না থাকলে সফলতা কখনোই সম্ভব নয়।
হ্যাকিং জগতে আপনাকে প্রবেশ করতে সবার আগে প্রোগামিং শিখতে হবে আর তার জন্য পড়াশোনা করার বিকল্প নেই; পড়াশোনা করতে পারেন প্রোগামিং এর বই কিনে কিংবা ইন্টারনেটের বিভিন্ন হ্যাকিং ফোরামে অংশ নিয়ে।

মনে রাখবেন ফেসবুকের ল্যামারদের মতোন একটু জেনেই নিজেকে লীট হ্যাকার বলে গর্ব করবেন না কেননা জ্ঞান মানুষকে অহংকারী নয় বিনয়ী করে তোলে।
এছাড়াও এমন কারো নিকট টাকা দিয়ে হ্যাকিং কোর্স করবেন না যারা আদতে ভুয়া বরং নিজের মাথাতে নিজেই মেধা ইনস্টল করার চেষ্টা করুন।

টাকার টাঁকশাল:
আপনি হয়তো ভাবতে পারবেন না যে আপনি চাইলেই টাকার টাকশাল বানাতে পারেন আর তাও ইন্টারনেটে ঘরে বসেই।আপনি হয়তো বিটকয়েনের নাম জানেন যেখানে ১ বিটকয়েন সমান বাংলাদোশী প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ টাকার ওপর। তেমনি আপনি ব্লকচেইনে নিজের এমন ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ইলেকট্রনিক্স টোকেন বানাতে পারেন।
আপনি onhexel হতে এমনি ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরী করতে পারেন, তা মাইনিং করতে পারেন এবং কাউকে সেন্ড/রিসিভ করতে পারেন এমনকি তাকে অন চেইনেও যুক্ত করতে পারেন।
কেমন হয় যদি আপনার বানানো কয়েনেই আপনি বড়লোক হয়ে যান?!

ইন্টারনেট বিজন্যেস:
এতোক্ষন আমরা স্বাভাবিক সহজাত ইন্টারনেট হতে আউটসোর্সিং নিয়ে আলোচনা করলাম আর এখন আমরা আলোচনা করবো অনলাইন বিজন্যেস নিয়ে। আপনি হয়তো এ্যামজন এবং গো ড্যাডি কিংবা বাংলাদেশের আজকের ডিলের নাম শুনে থাকবেন তারা কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবসা করেই আজ কোটিপতি।
আপনি যদি চান তাহলে তাদের মতোন বিজন্যেস শুরু করতে পারেন আর তার জন্য কোন টাকা পয়সা ইনভেস্ট করা লাগবে না; আমি ১০০% সত্য বলছি যে তাতে কোন টাকা পয়সা ইনভেস্ট করা লাগবে না।

আইডিয়া:
আপনি যদি কাচা বাজারের দোকান দেখুন সেখানে আজকের তরকারি সবজী বিক্রি না হলে কাল তা পচে যায় ফলে দোকানদারের লস হয় আবার পণ্য পচাতে না চাইলে কম দামে বিক্রি করতে হয় তাতেও লাভ কমে আসে।
আবার পাইকারী -খুচরার হিসেবে এই হাত বিনিময় তাতেও মূল মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য বেশী থাকে( লাভের চেয়ে বেশী লাভ করে ঐ পাইকারি’রা) তাই এমন সব প্রতিবন্ধকতা এড়াতে অনলাইন ব্যবসা মহতী এবং লাভজনক হতে পারে।

এখন এখানে কোন ভার্চুয়াল ইন্ডাস্ট্রিজ/ শপিং কর্ণার তৈরী করতে আপনাকে কোন পণ্য কিনে সাজাতে হবেনা বরং আপনাকে উপযোগ লভ্য পণ্যের প্রচার গ্রাহকের নিকট পৌছে দিতে হবে মাত্র!
যেমন আমর একটা হাত ঘড়ি দরকার যার মূল্য ১০০ টাকা; আপনি আমাকে ঘড়ির গুণাগুণ এবং কোয়ালিটিতে কনভিন্স করে সেটা অর্ডার করালেন আর সেই টাকা হতেই ঘড়িটি ৮০ টাকাতে কিনে আমাকে পাঠালেন তাতে আপনার লাভ হলো ২০ টাকা।
গ্রাহকও খুশী আর বিক্রেতারও লাভ।
তবে এমন বিজন্যেসে আপনাকে সৎ এবং সততা বজায় রাখতে হবে কেননা রেপুটেশন ইজ এভরিথিং ফর বিজন্যেস!

নতুন নতুন আইডিয়া:

আপনি কি ফ্লেক্সিবেল পেনড্রাইভের নাম শুনেছেন? মূলত আমাদের একটা পেনড্রাইভ নষ্ট হলে সেটা আর রিসাইকেল করা যায় না বরং সেটা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় অথচ রিসাইকেল করা যায় এমন পেনড্রাইভ হলে কেমন হতো বলুন তো?

যেমন তাতে ইচ্ছে মতো নির্দিষ্ট মেমরী ড্রাইভ রাখা যেতে ৪ জিবি/ ৮ জিবি/ ১৬ জিবি ইত্যাদি?
আবার মেমরী ড্রাইভ নষ্ট হলেও তাতে নতুন ড্রাইভ প্রতিস্থাপন করা যেত?
বিশ্বাস করুন এমন পেন ড্রাইভ বাজারে নেই আমি মূলত আপনাকে কার্ড রিডারের গল্প শোনাচ্ছিলাম। যেখানে একটা মেমরী কার্ড ৩০০ টাকা আর ইউএসবি কর্ড ২ টাকা সেখানে মোট ৩০২ টাকা জিনিস আমরা কিনছি ১২০০ টাকা দিয়ে??!!
আপনার মাথার ভেতর নতুন নতুন আইডিয়াই আপনাকে আইডল বানাতে পারে।
এমনি কিছু কিছু আইডিয়া দিলাম:
(১) মিনি এফএম ট্রান্সমিটার তৈরী করতে পারেন তা যেমন শখ মেটাবে তেমনি বাসা বাড়ি কিংবা ছোট খাটো প্রতিষ্ঠানে খুব কাজে লাগবে।
(২) বার্নার লেজার লাইট তৈরী করতে পারেন।
(৩) লেজার সিকিউরিটি এলার্ম সিস্টেম বানাতে পারেন;যা এনড্রোয়েড এর মোশন ক্যামেরা দিয়ে পরিচালিত হবে।
(৪) আপনি ভূমিকম্প এলার্ট সিস্টেম তৈরী করতে পারেন
(৫) সহজলভ্য ডার্ক সেন্সিটিভ লাইট বানাতে পারেন যা অন্ধকারে অটোমেটিক জ্বলে উঠবে।
(৬) সেল ফোন সিগন্যাল বুস্টার বানাতে পারেন যা প্রত্যন্ত এলাকাতে কাজে লাগবে।
(৭) সেলফোন জ্যামার ডিভাইস বানাতে পারেন যা স্কুল কলেজের ক্লাসরুমে কিংবা মসজিদে কাজে লাগবে।
(৮) মিনি কম্পিউটার বানাতে পারেন যার মূল্য মাত্র ৩০০০ টাকা। অবাক হচ্ছেন? সত্যতা হলো এটা চাইলেই পসিবল আপনি কি রাসবেরি পাই এর নাম শুনেন’নি?

সামান্য একটু ইলেকট্রনিকস মেধা থাকলে আর্ডুইনো প্রজেক্ট হতেই মাত্র ৩০০০ টাকাতে একটা কম্পিউটার বা মিনি পিসি তৈরী করা সম্ভব।

শেষকথা:
সফলতা মানেই কোটি টাকার বিছানাতে শুয়ে থাকা নয় বরং ঘুমের মাঝে দেখা স্বপ্নটাকেই সত্যি করার নিরলস প্রয়াস। লেগে থাকুন সফলতা আসবেই আসবে।

No comments:

Post a Comment