Thursday, 23 May 2019

পায়ের গোড়ালি ব্যথায় কী করবেন?

পায়ের গোড়ালি ব্যথা নানা কারণে হতে পারে। এর মধ্যে গোড়ালির হাড় বৃদ্ধি বা ক্যালকেনিয়াল স্পোর বা অস্টিওফাইটিক স্পোর অন্যতম। এতে গোড়ালির হাড়ে ক্যালসিয়াম জমে একটা তীক্ষ্ণ সূচালো স্পোর বা বাড়তি অংশ তৈরি হয়, যা আশপাশের পেশি, লিগামেন্ট ইত্যাদিতে চাপ দেয়। ফলে ব্যথা অনুভুত হয়।
কারা ঝুঁকিতে?
■ অ্যাথলেট, যারা দৌড়ান বা জগিং করেন
■ ওজনাধিক্য, স্থূল, কায়িক শ্রমহীন ব্যক্তি
■ ডায়াবেটিসের রোগী
■ ট্রাফিক পুলিশ, বিক্রয়কর্মী, যাঁরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করেন
■ জুতার মাপে সমস্যা থাকলে
■ যাদের পায়ের পাতা বেশি সমতল
কী করবেন?
আইসথেরাপি: পায়ের গোড়ালির নিচে কাপড় জড়ানো বরফ দিয়ে সেঁক দিন। বরফ সরাসরি দেওয়া ঠিক নয়। ডিপে রাখা পানির বোতল গোড়ালির নিচে গড়িয়ে নিতে পারেন। প্রতিবার বরফ সেঁক দেওয়ার মধ্যে অন্তত এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিরতি নিতে হবে।


স্ট্রেচিং:
১.
একটা টাওয়েল রোল করে পায়ের নিচ থেকে দুই হাতে ধরে পায়ের পাতা ওপর দিকে টানুন। ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। ১০ বার।
২.
একটা দেয়ালের পাশে দাঁড়িয়ে গোড়ালি উঁচু করে শুধু আঙুলগুলোর ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ান। পায়ের পেছনের মাংসপেশিতে টান লাগবে। প্রতিবার ৩০ সেকেন্ড ধরে রেখে মোট ১০ বার করুন।
৩.
চেয়ারে বসে এক পায়ের ওপর আরেক পা রাখুন। হাত দিয়ে পায়ের আঙুল ওপরের দিকে টেনে ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এবার অন্য পা দিয়ে করুন। মোট ১০ বার।
সঠিক মাপের জুতা ব্যবহার করুন। সোলের নিচে হিল কুশন ব্যবহার করা যায়। সাধারণত জুতার নিচে এক ইঞ্চিমতো উঁচু হলে গোড়ালি ব্যথা কমে যায়। ব্যথা অতিরিক্ত হলে ফিজিওথেরাপি নিন। সার্জারিও প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষজ্ঞের মতামত নিন।

No comments:

Post a Comment

পোস্ট পড়ার পর অবশ্যই মন্তব্য করবেন। কারণ আপনার একটি মন্তব্য পোস্ট লেখককে ভাল কিছু লিখতে অনুপ্রাণিত করে। তবে এমন মন্তব্য করবেন না, যা লেখকের মনে আঘাত হানতে পারে।