Featured

এবার হাতের ইশারায় যেকোনো স্মার্ট ডিভাইসকে নিয়ন্ত্রণ করুন

বর্তমানে প্রায় সকল স্মার্ট ডিভাইসগুলো একে একে টাচস্ক্রিণ ফিচারে চলে এসেছে। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে এখন টিভি, ল্যাপটপের ডিসপ্লেগুলোতেও টা...

Wednesday, 17 July 2019

ফেইসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করুন খুব সহজে

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই?
আশা করি ভাল আছেন।
আজকে আমি আলোচনা করব কিভাবে আপনি ফেইসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করবেন।।।
তাহলে চলুন শুরু করা যাক,,,,
 ১. প্রথমে ক্রোম ব্রাউজারে প্রবেশ করে ব্রাউজারকে ডেস্কটপ সাইট এ ঠিক চিহ্ন দিন

২. তারপর যে ভিডিও ডাউনলোড দিবেন সেই ভিডিও লিংক এডিট করে "m" কেটে "web" লিখুন। স্ক্রিনশট দেখে কাজ করুন।

৩. তারপর এইরকম ভিডিও শো করবে। ভিডিওতে টাচ করে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখুন।
৪. তারপর এমন লেখা আসবে
৫. তারপর "Copy video URL at current time" এ ক্লিক করুন
৬. এখন এই লিংকে প্রবেশ করুন। এইরকম পেইজ আসবে।
৭. তারপর বক্সে ফেইসবুক থেকে কপি করা লিংক পেস্ট করে দিন। তারপর ডাউনলোড এ ক্লিক করুন।

৮. তারপর স্ক্রিনশট অনুযায়ী কাজ করুন


শুরু হয়ে গেল ডাউনলোড।
পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Tuesday, 16 July 2019

নিজের ফেইসকে বৃদ্ধদের ফেইসের মত বানিয়ে মজা নিন!! Face App

আজকে আমি আপনার নিজের বর্তমান ফেইসকে বা মুখমন্ডলকে বৃদ্ধদের চেহারার মত বানাবেন কিভাবে সেটা দেখাব।

# তো এজন্য আপনাকে একটা App ডাউনলোড করতে হবে…!!!
# এপটির সাইজ মাএ ১০ এমবি
# তবে এপটি ব্যাবহার করার জন্য অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে।
চলুন প্রথমে App টি প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিন



তারপর এপটি ওপেন করুন
# ওপেন করার পর এরকম একটা পেইজ আসবে,,,, তারপর কিছু পারমিশন চাইবে সেগুলা Allow করে দিন
# এরপর Gallery তে ক্লিক করে ছবি সিলেক্ট করুন।
ছবি সিলেক্ট করার পর একটু লোডিং নিবে এরকম,,,
তারপর আর কিছু বিস্তারিত বললাম না বাকিটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন….
# তবে আবারো বলছি নেট কানেকশন অন থাকা লাগবে এপটি ব্যবহার করার জন্য…..

# একটা ছবির নমুনা দেখালাম,,
বুড়ো হওয়ার পর সাকিব খান 😂😁
এপটিতে আরো অনেক ফিচার আছে আপনি নিজেই দেখতে পারবেন।
নাইন টেক বিডির সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।


Saturday, 13 July 2019

একজন কালো মেয়ের চাকরির গল্প! জীবন পাল্টে যেতে পারে আপনারও

কৃষ্ণাঙ্গ একটি মেয়ে ছোট একটি চাকরির খোঁজে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে ঘুরে বেড়াচ্ছে"!!!"
সব রেস্টুরেন্টের মালিকই একই কথা বলেছিলো, আমাদের এখানে কোনো লোকের প্রয়োজন নেই, অন্য কোথাও খুঁজে দেখো"!!!"
কৃষ্ণাঙ্গ মেয়েটা হতাশ হয়ে অন্য রেস্টুরেন্টে যায় এভাবে সে একদিন চাকরি পেয়ে গেলো একটি রেস্টুরেন্টে"!!!"
মালিক প্রথম দিনই তাকে বলে দিলো কখনো দেরি করে আসা যাবে না, তাহলে চাকরি বাতিল"!!!"
সবকিছু মাথায় রেখেই মেয়েটা কাজ করে যাচ্ছে রেস্টুরেন্টে"!!!"
খাবারের অর্ডার নিচ্ছে, তারপর খাবার পৌঁছে দিচ্ছে টেবিলে টেবিলে"!!!"

খাওয়া শেষ হওয়ার পর টেবিলে পরিস্কার করছে, কাজের কিছু অদক্ষতায় বকাও খাচ্ছে প্রায় প্রতিদিন"!!!"
কখনও হয়তো কোনো কাস্টোমারের সামনে থেকে কফির মগ নিতে গিয়ে গায়ে একটু কফি ফেলে দিয়েছে"!!!"
কাস্টোমার প্রচন্ড রেগে নালিশ করেছে মালিকের কাছে "!!!"
মেয়েটি হয়তো কাঁদো কাঁদো গলায় মালিককে সরি বলে কোনোভাবে পার পেয়ে গেছে"!!!"
গায়ের রঙ কালো বলে সম্ভবত রেস্টুরেন্টের অন্য ছেলেরা তাকে খুব একটা পাত্তাও দেয়নি"!!!"
একদিন সহকর্মীর জন্মদিনে মেয়েটি তার বাড়িতে গেলো, কেক কাটার পর যে খাবার দেয়া হলো, সহকর্মী লক্ষ্য করে দেখলো কৃষ্ণাঙ্গ মেয়েটি সেটা একদমই খেতে পারছে না"!!!"
অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো খাবারে সমস্যা কিনা.?"


মেয়েটি জবাব দিলো, না পেট ভরা তাই খেতে পারছি না"!!!"
কোনোদিন হয়তো রেস্টুরেন্টের অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে কম দামি গাড়িতে করে কোথাও ঘুরতেও গিয়েছিলো মেয়েটি"!!!"
কম দামি গাড়িতে বেশ কষ্টও হয়েছে তার মুখ খুলে কিছু বলেনি কাউকে"!!!"
সবকিছু চেপে গেছে আর ভেবে নিয়েছে, আমি দেশের অন্য মানুষের মতোই মানুষ"!!!"
তারা পারলে আমি পারবো না কেনো.?"
দিন হয়তো এভাবেই যাচ্ছিলো একদিন তার সহকর্মীর কেউ একজন দেখলো যে, মেয়েটি রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার পর আড়াল থেকে ছয়জন দীর্ঘদেহি মানুষ তাকে ঘিরে রাখে"!!!"
রেস্টুরেন্টে শুরু হলো গুঞ্জন, কানাকানি এভাবে ঘটনা চলে যায় সাংবাদিকদের কাছে"!!!"
বেরিয়ে আসে মেয়েটির পরিচয়! মেয়েটি আসলে আরকেউ নয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামার মেয়ে"!!!"
তারপর সংবাদ মাধ্যমগুলোতে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এই খবরটি"!!!"
বিশ্ব জেনে যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ছোট মেয়ে সাশা ওবামা নিজের পরিচয় লুকিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে কাজ করছেন"!!!"
গ্রীষ্মকালীন ছুটির ফাঁকে ম্যাসাচুসেটসের মার্থাস ভাইইয়ার্ড নামের একটি দ্বীপে অবস্থিত ওই রেস্টুরেন্টে কাজ নিয়েছেন তিনি"!!!"

অনেকদিন পর্যন্ত সাশার সহকর্মীরাও তাকে চিনতে পারেনি"!!!"
পরে রেস্টুরেন্ট ঘিরে সার্বক্ষণিক ছয়জন গোয়েন্দার অবস্থান বিষয়টিকে স্পষ্ট করে তোলে"!!!"
এ বিষয়ে বারাক ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা বলেছিলেন, সন্তানদেরকে একটা বয়সের পরে রাজকীয় বিলাসিতা ছাড়তে বাধ্য করেছি কারণ তাদের সাধারণ মানুষের সাথে মিশতে হবে, অন্য দশটা সাধারণ মানুষের মতোই তাদের বাঁচতে শিখতে হবে"!!!"
একজন প্রেসিডেন্টের কন্যা হওয়া সত্ত্বেও সাশা ওবামা নিতান্ত একটা রেস্তোরাঁয় পরিসেবিকার কাজ করতে লজ্জাবোধ করে নি! অথচ আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নিয়েও যেমন তেমন কাজ করতে লজ্জাবোধ করি! আত্মমর্যাদা কাজ করলে কমে না বরং বাড়ে"!!!"
কোন কাজ কখনো ছোট হয়না, সত্য বলতে গেলে ছোট আমাদের চিন্তাভাবনা.....
আমাদের নিজেদের চিন্তা ভাবনা ও দৃষ্টভঙ্গি বদলানো উচিত, বদলাবে সমাজ, বদলাবে দেশ.......!!!"

Monday, 1 July 2019

এয়ারটেলের সবচেয়ে কম মূল্যের দারুণ কয়েকটি ইন্টারনেট প্যাকেজ দেখে নিন।

এয়ারটেল: ৩০GB ৩০দিন + ২৬Tk ক্যাশব্যাক রিচার্জ ২৯৭Tk (প্রতি ৭দিন ৭GB)।

২৭৮টাকা রিচার্জে ৪৮০মি + ১জিবি ৩০দিন; সাথে ৩জিবি ফ্রি (৩দিন).

৩১৭ টাকায় ৩০ দিনের জন্য ৫৫০মি ও ৫জিবি পেতে ডায়াল *২১২৯১*৩১৭#

৳৯৯ - ৩জিবি, ৩০দিন পেতে  *২১২৯১*০৯৯#!


৳১৮৯ - ৮জিবি, ৩০দিন, পেতে ডায়াল - *২১২৯১*১৮৯#!

৳৩০৯ - ৯জিবি, ৬ মাস- *২১২৯১*৩০৯#
৳৬১৫ - ১৫জিবি, ১ বছর- *২১২৯১*৬১৫#

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ভাল ইন্টারনেট প্যাকেজ একমাত্র এয়ারটেল ই দিয়ে আসছে।
এমন আরো অফার জানতে ডায়াল করুন *4#


Wednesday, 19 June 2019

প্রযুক্তি আর ইন্টারনেট এর কারণে যে জিনিস গুলো আজ বিলুপ্তির পথে

আসসালামু আলাইকুম। 
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। প্রযুক্তি বিষয়ক আলোচনা নিয়ে আজকের লেখালেখি। তার আগে কিছু গল্প করে নেই।
পদ্মার রুপালি ইলিশ আর মাশকলাইয়ের ডাল। দুটি খাবার নিয়ে একটু ভাবুনতো। .................ভেবেছেন নিশ্চয়ই। ১৫-২০ বছর আগের সময় আর এখনকার সময়ে এই দুটি খাবারের ব্যবধান নিয়ে আরেকটু ভাবুন।..............ভেবেছেন নিশ্চয়ই। ব্যবধান কি পেলেন? ‍উত্তরটা এরকম ১৫-২০ বছর আগে এই দুটি খাবার চুলায় বসানো হলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এই দুটি খাবারের ঘ্রান এ বাড়ি সে বাড়ি করে সারা গ্রাম ছড়িয়ে পড়ত, আর আজ এই দুটি খাবার তৈরি হলে আমার ঘরে আমিই টের পাইনা। কেন খাবারের ঘ্রান নষ্ট হয়ে গেল ও খাবারের গুনাগুন নষ্ট হয় এর ব্যাখ্যা কমবেশ আমরা সবাই জানি।এসবের ব্যাখ্যা আজকের আলোচনার বিষয় নয়। প্রেক্ষাপট বলার জন্যই এই আলোচনাটা করলাম।
আজ থেকে ১৫-২০ আগে আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক কিছুই ব্যবহার করতাম আমাদের জীবনযাত্রায় যেগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে আর অনেকগুলো বিলুপ্ত হওয়ার পথে।
জ্বি হ্যাঁ, এমন কিছু জিনিস যা প্রযুক্তি আর ইন্টারনেট এর কারণে আজ বিলুপ্তের পথে এটাই আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু।
এবার আমরা একে একে দেখে নেই কোন কোন জিনিষগুলোর বেহাল অবস্থা প্রযুক্তি আর ইন্টারনেটের ক্রমবর্ধমান দাপটের কারনে।

১) পাবলিক ফোন:

আমরা সবাই জানি 1876 সালে আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল টেলিফোন আবিস্কার করেন। কিন্তু যদি না জানেন জেনে নিন সর্বপ্রথম পাবলিক ফোন স্থাপিত হয় 1878 সালে। 1878 সালে একজন সহায়তাকারীর উপস্থিতিতে পাবলিক ফোনগুলো স্থাপন করা হতো হোটেলে লবিতে, রেলওয়ে স্টেশন, কোন জনবহুল মার্কেটের নিকট। প্রথম চলত কাস্টমার কল শেষ করার পর সহায়তাকারীর নিকট টাকা দিয়ে দিত। কিন্তু একসময় দেখা গেল এইভাবে ফোনকল করা সম্ভব নয় এবং সেটা বিরক্তিকরও। এ ধারনা থেকেই কয়েন চালিত পাবলিক ফোন স্থাপন হয় সর্বপ্রথম 1889 সালে। প্রথমে পোষ্ট পে এবং পরে ফ্রি পে পাবলিক ফোন চালু হয় 1898 সালে যার নাম ছিল No. 5 Coin collector. 1905 সালে সর্বপ্রথম স্ট্রিট পাবলিক ফোন স্থাপিত হয়। 1950 সালে চালু হয় 3-স্লট ডায়াল পাবলিক ফোন যেটিতে ফোন কলার 10 পয়সার মুদ্রা, নিকেল ধাতুর মুদ্রা ও সিকি মুদ্রা দিয়ে কল করার সুবিধা পেলেন। আস্তে আস্তে েএটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে এবং মিলিয়ন মিলিয়ন পাবলিক ফোন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। নিচের চিত্রটি দেখে একটু পরিচিত হয়ে নেই পাবলিক ফোনের সাথে-
কিন্তু এত জনপ্রিয় পাবলিক ফোন আজ বিলুপ্ত প্রায়। এর অন্যতম কারন হলো ইন্টারনেটের আগমন এবং প্রসার। ইন্টারনেটের প্রসারের ফলে ই-মেইল, সোস্যাল মিডিয়া, ভয়েস চ্যাট করার বিভিন্ন এ্যাপলিকেশন, এর পর মোবাইল ফোনের কারনে যোগাযোগ চলে এসেছে  ঘড়ির কাটায়। একটি সেল ফোন হাতে থাকলে কেন আমরা রাস্তার ধারে পাবলিক ফোনে কথা বলব। ইন্টারনেটের দাপটে আর প্রযুক্তির নিত্যনতুন আবিষ্কারের ফলে পাবলিক ফোন বিলুপ্তির পথে।
তবে পাবলিক ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শেষ ব্যবহারকারী পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজী আছে। তাই হয়ত আমরা অল্প হলেও আরও কিছুদিন দেখতে পাব এই পাবলিক ফোন।

2) ক্যাসেট ও সিডি:

বেশ কিছুদিন আগেও ক্যাসেট ছিল আমাদের গান শোনার একমাত্র ভরসা।অথচ দেখুন আজ ক্যাসেট নেই বললেই চলে। সিডি, ডিভিডি দখল করে নিয়েছে ক্যাসেটের স্থান।তবে অনেক জনপ্রিয় এই সিডি ও ডিভিডিও নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারছেনা। প্রযুক্তির নিত্যনতুন আবিষ্কারের কারনে এগুলোও আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।
এখন আমরা একটু পেছন ফিরে তাকাই।১৯৫৮ সালে RCA Victor প্রথম স্টেরিও ক্যাসেট আবিস্কার করেন যার সাইজ ছিল ৫”x৭” এবং এটি ছিল প্রি রেকর্ড করা তাই এটি ব্যার্থ হয়। ১৯৬২ সালে নেদারল্যান্ড ভিত্তিক কোম্পানি ফিলিপস সর্বপ্রথম কমপেক্ট অডিও ক্যাসেট আবিস্কার করেন এবং বাজারজাত করেন।উন্নত মানের ১/৮ ইঞ্চি পলিষ্টার টেপ দিয়েই এটি তৈরি হয়। রেকর্ড ও প্লেব্যাক স্পিড ছিল প্রতি সেকেন্ডে ১.৭/৮ ইঞ্চি ।যখন ক্যাসেট পূর্নতা পায় তখন এর দুটি সাইডে ৩০/৪৫ মিনিট সময় প্লেব্যাক করা যেত।
এরপর ফিলিপস ও সনির যৌথ প্রচেষ্টা শুরু হয় ১৯৭০ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ১৯৮২ সালে এই দুই কোম্পানির যৌথ প্রচেষ্টায় সিডি আসে বাজারে। এর পর আমরা সিডির জনপ্রিয়তা দেখলাম। ক্যাসেট হারিয়ে গেল। সিডি বাজারের দখল নিল। এই সিডিও আজ প্রায় বিলুপ্ত প্রায়।সিডির ক্যাপাসিটি হচ্ছে ৭০০ MB এবং সময়ের হিসেবে প্রায় ৮০ মিনিট।
এবারে একটু দেখে নেই কেন এগুলো বিলুপ্ত হচ্ছে।এক সময়কার তুমুল জনপ্রিয় ক্যাসেট স্থান হারালো সিডি ও ডিভিডি আবিস্কার হওয়ার পর। আর প্রযুক্তির কল্যানে ও ইন্টারনেটের প্রসারে আমরা এখন অনলাইনে গান শুনি, মূভি দেখি। মোবাইলে গান শুনি, কেন সিডি কিনব? আর প্রযুক্তির সর্বশেষ সংযোগ এফ.এম রেডিও। বিশ্বব্যাপি এখন এফ.এম. রেডিওর জয়জয়কার। এক একটা মিউজিক ষ্টেশান এখন মানুষের পকেটেই থাকে। এসব কারনেই সিডি, ক্যাসেট বিলুপ্তির পথে।

৩) রোলোডেক্স (Rolodex):

ইংরেজী দুটি শব্দ Rolling ও Index মিলেই Rolodex শব্দটি তৈরি। এটি হচ্ছে কোন তথ্যকে সংরক্ষন করার একটি মেশিন যেখানে কাগজে অথবা কার্ড এ তথ্য লিখে এই মেশিনে েগেঁথে রাখা হত। রোলোডেক্স এর চিত্রটি দেখুন-






১৯৭০ সালে ব্যবহৃত একটি রোলোডেক্স

Arnold Neustadter এবং Hildaur Neilsen ১৯৫৬ সালে এটি আবিষ্কার করেন আর ১৯৫৮ সালে প্রথম বাজারজাত করেন।একসময় ছিলনা কোন ভার্সুয়্যাল সোস্যাল নেটওয়ার্ক, ছিলনা কোন এড্রেস বুক, ছিলনা স্মার্ট ফোন, ছিলনা অনলাইন স্টোরেজ। কিন্তু তখনও মানুষের ছিল ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত তথ্য, ছিল ঠিকানা লিখে রাখার প্রয়োজনীয়তা, ছিল পাবলিক ফোন নাম্বারসহ আরও মনে রাখতে হবে এ ধরনের অনেক তথ্য। আর এ তথ্যগুলোই মানুষ কাগজে লিখে রোলোডেক্সে সংরক্ষন করত।
এই ডিভাইসটি আজ বিলুপ্ত শুধুই প্রযুক্তি আর ইন্টারনেটের কারনে।আজ আমাদের রয়েছে মোবাইল ফোন, স্মার্ট ফোন, নোটবুক, ট্যাব, কার্ড হোল্ডার, অনলাইন স্টোরেজ সহ তথ্য সংরক্ষন করার অনেক ব্যবস্থা। এগুলোই ইতিহাস করেছে এই Rolodex নামক ডিভাইসটিকে।

৪) বিশ্বকোষ (Encyclopedia):

Encyclopedia শব্দটির বাংলা অর্থ বিশ্বকোষ/বিদ্যাকোষ/জ্ঞানকোষ। আমরা এটিকে বুঝব জ্ঞানজগতের সকল তথ্য সম্বলিত পুর্নাঙ্গ একটি রেফারেন্স বুক হিসেবে।Encyclopedia ’র অস্তিত্ব প্রায় ২০০০ বছর ধরে। আধুনিক বিশ্বকোষ ১৭ শতকে অভিধান থেকে আধুনিকায়ন করা হয়।বিশ্বকোষ সাধারনত এক বা একাধি ভলিউমে সংরক্ষিত ছিল। Encyclopedia Britannica  এবং Enciclopedia universal ilustrada europeo-americana  একাধিক ভলি ‍উমে সংরক্ষিত  Encyclopedia. ১৭৫১ সালে Encyclopedia আবিস্কার করেন জার্মান নাগরিক Denis Diderot and Jon Le Rond D'Alembert.
ভলিউমভিত্তিক এই Encyclopedia এখন প্রায় যাদুঘরে। এখন Wikipedia নামে আমরা কম্পিউটারের বসেই এই বিশ্বকোষ পড়তে পারি। আরও মজার বিষয় হলো যে কেউ এতে নতুন তথ্য সংযুক্ত করতে পারে।২০০১ সালে Wikipedia যাত্রা শুরু করে। ২০০৯ সাল নাগাদ ৩ মিলিয়ন ইংরেজি আর্টকেল সহ মোট ২৫০ ভাষায় ১০ মিলিয়ন আর্টকেল সমৃদ্ধ আজকের Wikipedia. ইতোমধ্যে সিডি ও ডিভিডি ধারক হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে েএই বিশ্বকোষের। অনলাইনের মাধ্যমে আমরাতো হাতের কাছেই পাচ্ছি। তো কেন ভলিউম কিনব? এভাবেই এনসাইক্লোপেডিয়া আজ বিলুপ্ত প্রায়।

৫) পত্রিকায় শ্রেনীভিত্তিক বিজ্ঞাপন (Classified Ads):

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যেমনঃ চাকুরী, টিউশনি, বাড়ী ভাড়া, ক্রয়-বিক্রয় প্রভৃতি শিরোনামে খবরের কাগজে আমরা প্রচুর বিজ্ঞাপন দেখেছি। এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রতিটি খবরের কাগজেই দেখা যেত। পত্রিকা অফিস অনেক মুনাফাও অর্জন করত এ ধরনের বিজ্ঞাপন থেকে। ছবিটি দেখুন-
আর এখন এই ক্লাসিফাইড এডস প্রায় নেই বললেই চলে। কারন ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির প্রসার। আজ অধিকাংশ বিজ্ঞাপন চলে গেছে করপোরেট ওয়েবসাইট এ। ব্যানার এড এর নতুন সংস্করন। এফ.এম. রেডিওতে, ওয়েবসাইটে, সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পন্যের প্রচার ও প্রসার করাকেই অনেক সুবিধার মনে হয়। এছাড়া ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য তৈরি হয়েছে ই-কমার্স ওয়েবসাইট। আর এসবের কারনের ক্লাসিফাইড এডস বিলুপ্ত প্রায়।

৬) ডিসপোজেবল ক্যামেরা (Disposable Camera):

১৯৪৯ সালে A. D. Weir ‍ডিসপোজেবল ক্যামেরা আবিস্কার করেন।প্রথমে এটি ফটো-প্যাক হিসেবে বিক্রি করা হত।অর্থ্যাত ফিল্ম ইন্স্টল করা থাকত। পরে ৩৫ মিমি ফিল্ম বাজারে আসে যা দিয়ে এটিতে ছবি তোলা হত।ছবি তোলার পর ফিল্মটিকে প্রসেস করে ছবি আউটপুট হত। এরপর Fujifilm, Konica, Canon, Nikon এরকম আরো অনেক কোম্পানিই ডিসপোসেজল ক্যামেরা বাজারজাত করে।১৯৯০ সালের দিকে এ ক্যামেরা অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে।সিঙ্গেল ফটো ইউজার, বিয়ে বাড়িতে এটি অধিক হারে ব্যবহার হত। চিত্রটি দেখুন-
কিন্তু একসময়ের জনপ্রিয় এই ক্যামেরা আজ ডিজিটাল ক্যামেরা, এসএলআর সহ আরও উন্নত মানের ক্যামেরা কাছে তাদের বাজার হারিয়েছে। আর সর্বশেষ বিভিন্ন কোম্পানির স্মার্ট ফোনগুলো আসার পর ডিসপোজেবল ক্যামেরার সমাধি রচিত হয়েছে।

৭) ইয়ার্ড সেল (Yard sale):

Yard sale আরও বেশ কিছু নামে ডাকা হত যেমনঃ patio salerummage saletag salelawn saleattic salemoving salegarbage salethrift sale, or junk sale বাংলায় আমরা এর অর্থ বুঝি কারো ব্যবহার করা জিনিষপত্র যা পুরাতন ও মোটামোটি ব্যবহার উপযোগী সেগুলো একত্রে বিক্রয় করার ব্যবস্থা।এধনের বিক্রয় ব্যবস্থায় বিক্রেতাকে কোন লাইসেন্স করা লাগেনা। বিক্রেতা এ পন্যগুলো সাধারনত পথচারীদেরকে বা যারা এ ধরনের জিনিস কিনতে চায় তাদেরকেই দেখাত। বিক্রয় স্থান হিসেবে তারা বেছে নিত গ্যারেজ, কার পার্ক করার স্থান, রাস্তাঘাট, বাড়ীর উঠোন। বিক্রিত পন্যগুলোর তালিকায় থাকত কাপড়, খেলনা, বই, আসবাবপত্র, ঘরগৃহস্থলির বিভিন্ন জিনিস, খেলার সামগ্রী ইত্যাদি। চিত্রটি দেখুন-
বিশ্বের অনেক দেশেই এই বিক্রয় ব্যবস্থার এই পদ্ধতি খুব জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু আজ সময় পরিবর্তন হয়েছে। এই রীতি প্রায় বিলুপ্ত। এর মুল কারন ইন্টারনেট। ই-কমার্স ওয়েবসাইট, সোস্যাল মিডিয়া মারকেটিং িএর ফলে এই ধরনের বিক্রয় ব্যবস্থার আর আয়োজন হয়না। তাই এই পদ্ধতি একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যেতে খুব বেশি সময় বাকী নেই।

৮) লাইনে দাড়িয়ে বিল প্রদান:

নগরায়নের ফলে একসময় বিদ্যুত, গ্যাস, ওয়াসা, টেলিফোন বিল সহ আরও অনেক বিল দেওয়ার রীতি প্রচলিত হলো। এক্ষেত্রগুলোতে কয়েক বছর আগেও আমরা দেখতাম লাইনের পর লাইনে দাড়িয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিল দেওয়ার অসহায় দৃশ্য।এসকল বিল দিতে গিয়ে কষ্ট পাননি অথবা ভোগান্তির শিকার হননি এমন লোক পাওয়া কঠিন।
তবে বিশ্ববাসীর জন্য আশির্বাদ হয়ে প্রযুক্তি মানুষকে আরাম এনে দিয়েছে। আজ আর লাইনে দাড়িয়ে বিল দিতে হয়না। অনলাইনেই বিল দেওয়ার সকল প্রযুক্তি বিশ্বে চালু হয়েছে। কিছু দেশ যেগুলো প্রযুক্তিতে কিছুটা পিছিয়ে আছে সেখানে হয়ত এখনও পদ্ধতিটি পুরোপুরি চালু হয়নি। তবে একথা একবাক্যে বলা যায়যে লাইনে দাড়িয়ে বিল দেওয়ার আগের এই নিয়ম একসময় পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

৯) ম্যাপ (Map) হাতে নিয়ে ভ্রমনে বের হওয়া:

কর্মব্যাস্ত জীবনে কোলাহল আর হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের শেষে মানবদেহ যদি একটু অবসর পায় তাহলে অনেকের মনপাখি ঘুরে বেড়াতে চায় নিজের পছন্দসই স্থানে। এক্ষেত্রে অপরিচিত কোন স্থানে যাওয়ার প্ল্যান হলে আমাদের যে কাজটি প্রথমেই করতে হয় তা হলো গন্তব্যে যাওয়ার রাস্তা চিনে নিরাপদে সেখানে যাওয়া।


এক্ষেত্রে একমাত্র গাইড ছিল রুট ম্যাপ যা দেখে দেখে গন্তব্যে যাওয়া যায়। সময় পরিবর্তন হয়েছে অনেক। ম্যাপ হাতে নেওয়ার এই কাজটাকে একবারেই বাতিল করে দিয়েছে আমাদের গুগল ম্যাপ। ইন্টারনেট কানেকশান সহ ডিভাইস যা ইন্টারনেট উপযোগী সেগুলো ব্যাবহারেই সারাবিশ্ব ঘুরে বেড়ানো সম্ভব। কাগজের ম্যাপ হাতে নেওয়ার প্রয়োজন নেই বললেই চলে।

১০) ইয়েলো পেইজ (Yellow Pages) এর বই সংস্করন:

Yellow page হলো ব্যবসা সংক্রান্ত টেলিফোন ডিরেক্টরি। ইংরেজি অক্ষর বিন্যাসে নয় ব্যবসায়ের ধরন অনুসারে সাজানো হয় এই ইয়েলো পেজ।১৮৮৩ সালে এর নামকরন করা হয়।১৮৮৬ সালে Reuben H Donnelley প্রথম অফিসিয়াল Yellow page প্রস্তুত করেন।
প্রযুক্তি আর ইন্টারনেটের কল্যানে এই বইটি আজ ব্যবহার হচ্ছেনা বললেই চলে। কার ইন্টারনেট আমাদের দিয়েছে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করার সুযোগ। তাই বিশাল সাইজের এই বইটি অধিকারে রেখে নিজের বোঝা বাড়ানোর কাজটি কেউ করেনা। একদিন একসময়ের এই দরকারী বইটিও যাদুঘরে চলে যাবে নিশ্চিত।

১১) উত্তর দেওয়ার যন্ত্র (Answering Machine):

Answering machine কে কয়েকটি নামে ডাকা যায় যেমনঃ answerphone, message machine, telephone answering machine ( TAM). এমন একটি ডিভাইস যা কোন ফোন কলার কল করলে কয়েকটি রিং বেজে ওঠার পর কলারকে একটি মেসেজ পাঠায় অতঃপর কলার তার বক্তব্য বলা শুরু করলে সে বক্তব্য ডিভাইসে রেকর্ড হয় এবং পরে শোনা যায়।এটি টেপ এনসারিং মেশিন যা ভয়েস রেকর্ড করে এবং প্লে করে। ১৮৯৮ সালে এটি আবিস্কার করেন Valdemar Poulsen. টেলিফোন কনভারসেশান রেকর্ড করার এ ডিভাইসটি Poulsen device নামে পরিচিত ছিল।এ ডিভাইস ২ ধরনের ছিল একটি হলো টু ক্যাসেট এনসার মেশিন অপরটি সিঙ্গেল ক্যাসেট এনসার মেশিন।চিত্রটি দেখুন- 
প্রযুক্তির এ যুগে এ মেশিন পুরোপুরি বিলুপ্ত। ভয়েস শোনার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ফোন, অনলাইনে কথা বলার জন্যও আছে অনেক পদ্ধতি যেগুলো নিয়ে আলোচনা নাইবা করলাম। তো এনসারিং েমেশিন থাকে কিভাবে?

১২) ফ্যাক্স মেশিন (Fax Machine):

telecopying, telefax, fax যেভাবেই আমরা বলি এই মেশিনটির সাথে আমরা কমবেশি পরিচিত। স্কটিশ মেকানিক Alexandar Bain ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। সম্পুর্ন ডেভেলপ করার পর আমরা েইমেজ ও টেক্সট সম্বলিত কাগজ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় প্রিন্ট করা অবস্থায় খুব সহজেই পেয়ে যেতাম এ মেশিনের সাহায্যে। এই মেশিন তার কাজের সাহায্যে টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে ব্যবহার করত। নিচের ছবিটি দেখুন-
পুরোপুরি না হলেও এ যন্ত্রটিও এখন হারিয়ে যাওয়ার পথে। শুধুমাত্র শহরভিত্তিক প্রয়োজন ছাড়া এটি আর এখন ব্যবহার হয়না বললেই চলে। এর একমাত্র কার ই-মেইল। ফ্যাক্স এর চাইতে কম খরছ, ঝামেলামুক্ত এবং অতি দ্রুততার সহিত তথ্য আদানপ্রদানের কারনে ই-মেইল দখল করে নিয়েছে ফ্যাক্স এর স্থান। একসময় এই ফ্যাক্স মেশিন হয়ে যাবে ইতিহাস।

১৩) টেলিটেক্সট (Teletext):

Teletext or broadcasting teletext হচ্ছে টেলিভিশনে তথ্য আহরন সেবা। ১৯৭০ সালের শুরুতে যুক্তরাজ্যে John Adams নামক একজন ডিজাইনার এটি প্রথম তৈরি করেন।সঠিকভাবে সজ্জিত টেলিভিশনের পর্দায় টেক্সট ও ছবি পাঠিয়ে প্রদর্শন করাটাই টেলিটেক্সট এর কাজ।প্রথম প্রথম সংবাদ, টিভি প্র্রোগ্রাম সিডিউল ও আবহাওয়ার সংবাদ প্রচার হত।বিবিসি কর্তৃক ১৯৭৩ সালে প্রথম টেলিট্রান্সমিশন করা হয়।নিচের চিত্রটি দেখুন-
তবে যখন ডিজিটাল টেলিভিশন পুরোপুরি আবিস্কার হয় তখন থেকে এই মেশিনটির বিলুপ্তি ঘটে। আর কখনই দেখা যায়নি এই যন্ত্রটিকে।

১৪) ক্রয় করে সংবাদপত্র (Newspaper) পড়া:

উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে ৮ম শতকে চীনের একজন নাগরিক Kaiyuan Za Bao সংবাদপত্র আবিস্কার করেন। সংবাদপত্রের প্রয়োজনীয়তা আমরা স্কুল পর্যায়েই পড়েছি। তাই এর প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করলামনা। সংবাদপত্র কাগজেই ছাপানো হত।চিত্রটি দেখুন-
কিন্তু কাগজে ছাপানো খবরের কাগজের চাহিদা দিন দিন কমে যাচ্ছে। কারন সমুহের মধ্যে আছে কাগজের অপ্রতুলতা আর ইন্টারনেটের প্রসার। এখন প্রায় প্রতিটি সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্করন রয়েছে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে একটু বলি হকারের কাছ থেকে ২৫০ টাকার বিনিময়ে ১ মাসের পত্রিকা পাওয়া যায়। পত্রিকা পাচ্ছেন ১টি। আর অনলাইনে ২৫০ টাকা খরছ করলে আপনি সারা বিশ্বের যতগুলো পত্রিকা আছে সব পড়তে পারবেন। তো কেন ক্রয় করে সংবাদপত্র পড়তে যাবেন। এভাবে একদিন আসতে খুব দেরি নেই যেদিন কাগজে ছাপানো খবরের কাগজ একবারে বিলীন হয়ে যাবে।
১৫) PDA (Personal Digital Assistant):
এটিকে Palmtop computer or personal data assistant বলা যেতে পারে। এটি একটি মোবাইর ডিভাইস।ইলেকট্রনিক ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে সম্বলিত এ স্মার্টফোন সদৃশ ডিভাইসে ইন্টারনেট কানেকশান দেয়ার ব্যবস্থা আছে।ওয়াইফাই এর মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়ার ব্যবস্থা আছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডিসপ্লে টাচ স্ক্রীন হয়।
১৯৮৪ সালে এটি প্রথম রিলিজ হয়। ১৯৯২ সালে এটি প্রথম ব্যবহার করেন অ্যাপল কম্পিউটারের সিইও। তবে বর্তমানে অত্যাধুনিক স্মার্ট ফোন আব্কিারের ফলে এর ব্যবহার কমে গেছে বললেই চলে। আর এভাবে চললে একদিন হয়ত পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে এটিকে।
আজ আর নয়। পুরো লেখাটি তথ্যমূলক। ছোটখাটো কোন তথ্যভ্রম থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। সম্পাদনা করা হবে। ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেননা। পুরো লেখাটি কেমন হলো তা জানিয়ে মতামত দিন। আরও সুন্দর লেখা নিয়ে আসছি আবারও .............ততক্ষন অপেক্ষায় থাকুন।

Saturday, 15 June 2019

আপনার ফেইসবুক ফ্রেন্ডদের ফোন নম্বর দেখে নিন

আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি আপনারা ভালো আছেন। আপনাদের
দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল
আছি।
বেশি কথা না বলে চলুন দেখে আসি। কিভাবে
আপনি আপনার সকল ফেসবুক ফ্রেন্ড এর ফোন নাম্বার এক সাথে দেখবেন এর জন্য আপনাকে একটি অ্যাপস ডাউনলোড দিতে হবে।



Play Store থেকে Termux অ্যাপ টি ইনস্টল করে নিন।
ওপেন করলে এরকম একটি পেজ আসবে।
এবার আপনাকে এই কমান্ডগুলো দিতে হবে।
© apt update && apt upgrade
© apt install git
© apt install python2
এগুলো দেওয়ার পর এরকম আসবে।
এরকম আসার পর আপনাকে এই কমান্ডগুলো
দিতে হবে।
© git clone https://github.com/xHak9x/fbi.git
© ls
© cd fbi
কমান্ডগুলো দেওয়ার পর এরকম আসবে।
এখন আপনাকে এই কমান্ডটি দিতে হবে।
© pip2 install -r requirements.txt
কমান্ডটি দেওয়ার পর এরকম আসবে।
এবার এই কমান্ডটি দিতে হবে।
© python2 fbi.py
© help
যদি এরকম একটা পেজ আছে তাহলে সব কিছু ঠিকঠাক আছে।
token/
© y
username এর জায়গায় আপনার ফোন নাম্বার।
এবং password এর জায়গায় আপনার fb I’d password দিতে হবে।
এবার আপনাকে এই কমান্ডটি দিতে হবে।
© help
যদি এরকম একটি পেজ আছে তাহলে ভাববেন সব কিছু
ঠিকঠাক আছে।
এখন আপনাকে এইটা লিখতে হবে।
© dump_phone
দেখুন এবার আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড এর ফোন নাম্বার
দেখিয়ে দিচ্ছে।
আজকের পোস্টটি এই পর্যন্ত।
যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে আমাকে কমেন্ট করে
জানান।
বি: দ্র: অক্ষর গুলো অবশ্যই সব ছোট হাতের দিতে হবে।
Like Facebook Page
Follow on Twitter

“ফ্রিতে যতখুশি মোবাইল রিচার্জ নিন বাংলাদেশী Maya অ্যাপ থেকে। সময় সীমিতো।”

হ্যালো বন্ধুরা কি খবর সবার নিশ্চয় অনেক ভাল আছেন?
তো আজকে আবারো নতুন একটি পোস্টে আপনাদের সাথে অসাধারন একটি অ্যাপ্লিকেশন শেয়ার করবো যেখান থেকে আপনি যত খুশি তত মোবাইল রিচার্জ নিতে পারবেন।
আর এই অ্যাপটি এর পূর্বেও কিন্তু আমাদের মোবাইল রিচার্জ দিয়ে এসেছে জানতে ইচ্ছে করছে কি সেই অ্যাপ?
হ্যাঁ বলছি অ্যাপটির নাম হচ্ছে •মায়া আপা। মনে পড়ল? জানি মনে পড়ে গেছে এতক্ষণে তো বর্তমান সময়ে তারা আবারও মোবাইল চার্জ দিচ্ছে আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে ইনভাইট করে তার বিনিময়ে।
যারা নতুন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি এটা কোন আর্নিং অ্যাপ নয় এটি একটি স্বাস্থ্যসেবার অ্যাপ।


অ্যাপটির মাধ্যমে কিছু মোবাইল রিচার্জ এর পাশাপাশি আপনি চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ ও নিতে পারেন।
তো চলুন দেখি কিভাবে একাউন্ট খুলবেন এবং অ্যাকাউন্টটি সম্পূর্ণ অ্যাক্টিভ করবেন।
তো প্রথমে এখানে ক্লিক করে গুগল প্লে স্টোর থেকে অথবা এখান থেকে মায়া অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন।
অথবা প্লে স্টোরে সার্চ অপশনে মায়া লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।
অ্যাপটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে অটোমেটিক ইন্সটল হয়ে যখন আপনার ফোনের মধ্যেই এপটি পেয়ে যাবেন তখন আপনি অ্যাপটি ওপেন করবেন।।
তারপর নিচের মত ইন্টারফেস দেখতে পারবেন।




তো এবার আপনাকে pucdz9 এই কোডটি দিয়ে এপ্লাই করতে হবে তাহলে ২০ টাকা মোবাইল রিচার্জ একদম ফ্রিতে পেয়ে যাবেন। তার জন্য আপনাকে আবার এক্সট্রা দুইজনকে রেফার করলেই টোটাল ৪০ টাকা পেয়ে যাবেন।
আর আপনি যদি রেফার কোড ইউজ না করেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে ৪ জনকে রেফার করতে হবে তারপর ২০ টাকা একবারে মোবাইল রিচার্জ দিয়ে দেওয়া হবে দিনের শেষে।
সো আপনার ইচ্ছা।
তো এখন দেখাই আপনি কিভাবে ইনভাইট করে মোবাইল রিচার্জ নিবেন ফ্রিতে। তো আপনি চাইলে যত খুশি তত ইনভাইট করতে পারেন।
তো ইনভাইট করার জন্য নিচের স্ক্রীনশট গুলা ফলো করুন।
তারপর আমার মত আপনার একটি রেফারেল কোড দেয়া হবে ওই কোডটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করলেই প্রতিটি রেফারের বিনিময় আপনি পাবেন ৫ টাকা করে আপনি চাইলে যত খুশি ততো রেফার করতে পারেন।
তো আশা করি বুঝতে পারছেন বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট বক্স তো আছেই কমেন্ট করে জানিয়ে দিতে হবে। 
পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।